
এশিয়া মহাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই এশিয়া কাপ সব সময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়—এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই ১৯৮৪ সালের উদ্বোধনী আসর থেকে শুরু করে চ্যাম্পিয়নের পথে দলগুলোর মধ্যে লড়াই চলছে দুর্দান্ত। এবারের টুর্নামেন্টেও দলগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমবে ভীষণ—এমন মন্তব্য করেছেন কিংবদন্তি রবি শাস্ত্রী ও ওয়াসিম আকরাম। তাঁদের মতে, এশিয়া কাপের ইতিহাসে ১৫তম আসর হতে যাচ্ছে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
এশিয়া কাপ সম্পর্কে স্টার স্পোর্টসকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এমন মতামত দিয়েছেন শাস্ত্রী ও আকরাম। এবারের টুর্নামেন্টে কোনো দলকে একক শিরোপার দাবিদার হিসেবে মানতে পারেননি তাঁরা। তাঁদের মতে, আরব আমিরাতের এবারের আসরের মতো অতীতের কোনো টুর্নামেন্টে এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল পাওয়া যায়নি।
ভারতের সাবেক কোচ শাস্ত্রী বলেছেন, ‘দলগুলোর পারফরম্যান্সের পার্থক্য খুবই কম। ফলে যেকোনো দল যে কাউকে হারাতে পারে। টুর্নামেন্টে ভারত ও পাকিস্তান শক্তিশালী প্রতিযোগী হলেও বাকি দলগুলোকে কখনো অবমূল্যায়ন করা যাবে না।’
অন্যদিকে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক আকরাম বলেছেন, ‘আমাদের যুগে শুধু ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কথা বলা হতো, কিন্তু এখন আফগানিস্তানও খুবই বিপজ্জনক দল। তাদের রশিদ খানের মতো ম্যাচ উইনার আছে। এ ছাড়া অনেক দুর্দান্ত ব্যাটসম্যানও রয়েছে। আর শ্রীলঙ্কা বরাবরই বিপজ্জনক দল। অন্যদিকে বাংলাদেশ উত্থান-পতনে খুবই পারদর্শী।’
একক চ্যাম্পিয়নের নাম উল্লেখ না করলেও নিজেদের দলের শিরোপা জয়ের প্রতি আস্থা রাখছেন দুই লিজেন্ড শাস্ত্রী ও আকরাম।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২১ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে