
রীতিমতো দাপট দেখিয়ে খেলছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি টেস্ট সিরিজও জিতেছিল তারা। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত হওয়ার পরই ছন্দ হারায় বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ওয়ানডের পর প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি—এ বছর এই প্রথম টানা তিন ম্যাচ হারল তাওহীদ হৃদয়-সাইফ হাসান-পারভেজ হোসেন ইমনদের দল। হারের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ধুয়ে দিয়েছেন ইমরুল কায়েস।
চট্টগ্রামে আজ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭ রানে হেরে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। হারের পর বিসিবিকে নিয়ে ফেসবুকে দীর্ঘ এক পোস্টে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইমরুল। ৩৯ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমরা আসলে এই চক্র বা প্রক্রিয়া থেকে কবে বের হব? আদৌ কি কখনো বের হতে পারব? নাকি ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষার নাম করে এভাবেই একের পর এক ম্যাচ হেরে কোটি ভক্তের হৃদয় ভাঙা হবে? ক্রিকেট বোর্ডের নীতি নির্ধারকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, দয়া করে এই অন্ধ প্রক্রিয়া থেকে এবার বের হয়ে আসুন। মেধা আর ফর্মের সঠিক মূল্যায়ন হোক। পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে তামাশা বন্ধ হোক।’
টেপ-টেনিস ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্সের কারণেই বিপিএলসহ দেশের ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেট খেলে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন আবদুল গাফফার সাকলাইন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকে দুই ম্যাচে ৩ উইকেট নিলেও বোলিং করেছেন ১১.৫৯ ইকোনমিতে। ইমরুলের মতে সাকলাইনের মতো ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে পরিপক্ক করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আনা উচিত ছিল। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘এই সংস্কৃতিটা আমাদের কবে বদলাবে যে, একটা নতুন ছেলেকে সব সময় কোনো বড় দলের বিপক্ষেই ডেবু করাতে হবে? যেখানে সাইফউদ্দিনের মতো অলরাউন্ডাররা (যদি ইনজুরি না থাকে) দলে থাকার যোগ্যতা রাখে, সেখানে তাদের বাইরে রেখে তরুণদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলা হচ্ছে। আমি সাকলাইনকে ছোট করছি না, সে নিঃসন্দেহে প্রতিভাবান বলেই জাতীয় দলে এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—আমরা কি পারতাম না এই তরুণকে কোনো তুলনামূলক ছোট দলের সাথে খেলিয়ে প্রথমে তার আত্মবিশ্বাসটা তৈরি করতে? তাহলে তো তার কাছ থেকে দল দীর্ঘদিন পারফরম্যান্স পেত। বড় দলের সামনে হুট করে নামিয়ে দিয়ে ক্যারিয়ারটা শুরুতেই হুমকির মুখে ফেলার মানে কী?’
বিসিবির কাছে প্রতিভা এবং ধারাবাহিকতার সংজ্ঞাও জানতে চেয়েছেন ইমরুল, ‘একজন সাবেক জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসেবে এবং একজন ক্রিকেট ভক্ত হিসেবে আমার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে দীর্ঘদিন ধরে একটা উত্তর জানতে ইচ্ছে করছে। ক্রিকেটকে ভালোবেসে খেলাটা দেখছি। কিন্তু ইদানীং কিছু বিষয় কোনোভাবেই মেলাতে পারছি না। বিসিবির নীতি নির্ধারকদের কাছে মনের ভেতর জমে থাকা দুটো মৌলিক প্রশ্নের উত্তর জানার খুব ইচ্ছে হয়— বাংলাদেশ ক্রিকেটে ‘ট্যালেন্ট’ এবং ‘কনসিস্টেন্সি’—এই দুইটার আসল সংজ্ঞা কী? এদের ভেতরের পার্থক্যটাই বা আপনারা কীভাবে নিরূপণ করেন?’
এক সংস্করণের ভালো পারফরম্যান্স দেখে কোনো ক্রিকেটারকে দ্রুত অন্য সংস্করণে অভিষেক করানো বাংলাদেশের ক্রিকেটে খুবই পরিচিতি। অনেকে আবার ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করেও জাতীয় দলে সুযোগ পান না। এ প্রসঙ্গে ইমরুল বলেন, ‘আমাদের এখানে অদ্ভুত কিছু কালচার বা সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, যা সত্যিই হতাশাজনক। অনেক ক্রিকেটার আছেন যাঁরা দিনের পর দিন, বছরের পর বছর খারাপ পারফর্ম করার পরও দলে নিয়মিত সুযোগ পেয়ে যান। অন্যদিকে ঘরোয়া বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যারা টানা রান করে নিজেদের প্রমাণ করছেন, সংস্করণ পরিবর্তনের অজুহাতে (যেমন ওয়ানডে বা টেস্ট থেকে টি-টোয়েন্টি) তাঁদের দূরে সরিয়ে রাখা হয়।’
প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি হারের পর বাংলাদেশ এখন ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায়। পরশু চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট স্টেডিয়ামে পরশু সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া।

দেখতে দেখতে ফুটবল বিশ্বকাপের আট দিন পেরিয়ে গেছে। হয়ে গেছে ২৭ ম্যাচ। এরই মধ্যে প্রথম দল হিসেবে শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করেছে মেক্সিকো। তবে ভক্ত-সমর্থকদের মনে একটা প্রশ্ন এখনো ঘুরছে, নকআউট পর্বের ৩২ দল কীভাবে চূড়ান্ত হবে।
২৬ মিনিট আগে
জয়ের দারুণ সম্ভাবনা ছিল বাংলাদেশের। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দর্শকভর্তি গ্যালারি অপেক্ষায় ছিল জয়ের উৎসব করার। বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার মধ্যে তাওহীদ হৃদয়-তানজিদ হাসান তামিমদের জয় ক্রীড়াপ্রেমীদের আনন্দ বাড়িয়ে দিত বহুগুণ। কিন্তু শেষের
৩ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে আজ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে দর্শকদের ভিড় ও উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। সাইফ হাসান-পারভেজ হোসেন ইমনদের ব্যাটিংয়ে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা জয় শেষে উচ্ছ্বাস করার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু শেষের দিকে
৪ ঘণ্টা আগে
ডালাসে পরশু রাতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের পরও হতাশ ছিলেন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ টমাস টুখেল। জাতীয় সংগীতের সময় খেলোয়াড়দের ঠিকমতো দেখতে পারেননি বলে সেদিন ম্যাচ শেষে অভিযোগ করেছিলেন। বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা অবশেষে ইংল্যান্ডের কোচের অনুরোধে সাড়া দিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে