পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ আসার কথা নিউজিল্যান্ড দলের। তবে নির্ধারিত সময়ের ৪ দিন আগেই চলে এলেন স্কোয়াডে থাকা দুই ক্রিকেটার কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও ফিন অ্যালেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আজ (শুক্রবার) সকাল সাড়ে আটটায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখেন গ্র্যান্ডহোম ও অ্যালেন। এর আগে ইংল্যান্ডে দ্য হানড্রেড টুর্নামেন্ট খেলছিলেন তাঁরা।
নিউজিল্যান্ড সরকার নতুন করে লকডাউনের ঘোষণা দেওয়ায় ব্রিটিশ মুলুক থেকে দেশে ফিরলে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে গ্র্যান্ডহোম ও অ্যালেনকে। এই ধকল নিতে চাননি বলেই ইংল্যান্ড থেকে সরাসরি চলে এলেন লাল–সবুজের দেশে।
জানা গেছে, বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম শেষে এই অলরাউন্ডার গ্র্যান্ডহোম ও টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান অ্যালেনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। সেখানেই কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন তাঁরা।
গ্র্যান্ডহোম ও অ্যালেনের মতো নিউজিল্যান্ড দলের বাকি সদস্যরাও ২৪ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছে একই হোটেল উঠবেন। সবার কোয়ারেন্টাইন শেষে অনুশীলনে নামবেন তাসমান সাগর পাড়ের প্রতিনিধিরা।
আগামী ১ সেপ্টেম্বর শুরু হবে বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড টি–টোয়েন্টি। সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো হবে ৩,৫, ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সব কটি ম্যাচ শুরু হবে বিকেল ৪টায়।
নিউজিল্যান্ড স্কোয়াড: টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, হ্যামিশ বেনেট, টম ব্লানডেল, ডগ ব্রেসওয়েল, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, জ্যাকব ডাফি, স্কট কুগেলেইন, কোল ম্যাককনকি, হেনরি নিকোলস, আজাজ প্যাটেল, রাচিন রবীন্দ্র, বেন সিয়ারস, উইল ইয়াং এবং ব্লেয়ার টিকনার।

একদিকে আর্সেনালের গোছানো রক্ষণ, অন্যদিকে পিএসজির উড়ন্ত আক্রমণ। কে কাকে থামাতে পারবে, সেটাই ঠিক করে দেবে শনিবার রাতের চ্যাম্পিয়ন।
১ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের সেভিয়া ও নাপোলির সাবেক এই উইঙ্গার বলেন, ‘এটি প্রচণ্ড চাপের। সবকিছু নির্ভর করে স্কোয়াডের বর্তমান অবস্থা এবং কোচ কীভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন, তার ওপর। খেলোয়াড়েরা যে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, সেটা মাথায় রেখেও মাঠে নেমে শিরোপা ধরে রাখার জন্য নতুন করে লড়াই করার তাগিদ দিতে হবে কোচকে। ১৯৮২ সালে আমরা ভেবে
২০ ঘণ্টা আগে
২০২৩ সালের পর থেকে বিদেশের মাটিতে কোনো টেস্ট জিততে পারেনি পাকিস্তান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইসিসির বড় টুর্নামেন্টেও সাফল্য নেই। তবু আশা ছাড়েননি ‘চাচা ক্রিকেট’। তাঁর বহু বছরের চেনা স্লোগানেই যেন ফুটে ওঠে সেই বিশ্বাস, ‘খেলাধুলায় এমনটা হয়েই থাকে। কখনো খুশি, কখনো বেদনা। কখনো তুমি জিতবে, কখনো আমি।’
২১ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রোমারিওর দল থেকে ছিটকে যাওয়া সমর্থকদের ভীষণ হতাশ করে তুলেছে। একই সঙ্গে দলের প্রধান চিকিৎসক লিডিও টোলেডোর ভুল রোগ নির্ণয়কেও কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল। কারণ, তিনিই শুরুতে আশ্বাস দিয়েছিলেন— রোমারিও বিশ্বকাপের আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন। ২৮ বছর পর নেইমারের চোটের ধরন যেন ব্রাজিল
১ দিন আগে