
মিরপুরের উইকেট নিয়ে সমালোচনা নতুন কিছু নয়। নিচু আর মন্থর উইকেটের কারণে প্রতি সিরিজে এই বিতর্ক সামনে আসে। হোম অব ক্রিকেটের উইকেট নিয়ে বিভিন্ন সময় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রিকেটাররাও। আর এই সমালোচনার তীর সবচেয়ে বেশি যায় প্রধান কিউরেটর গামিনি ডি সিলভার দিকে।
বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব উল আনাম অবশ্য এর দায়ভার নিজেদের কাঁধে নিয়ে দিয়েছেন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে উইকেট বানাতে যে মাটিটা দরকার, সেই মাটিতে যে আঠালো উপাদান থাকা দরকার সেটা সব জায়গায় পাওয়া যায় না। মিরপুরে উইকেটটা কালো মাটি দিয়ে বানানো। এই উইকেটটা আমরা পার্থের কিউরেটরকে দিয়ে বানিয়েছিলাম। বগুড়ার উইকেটটা আরও বাদামি মাটি, চট্টগ্রামেরটা আরও বেশি এঁটেল মাটি। এই জিনিসটা কিন্তু কঠিন। এখানে মাটি কাটাটাও সহজ নয়। এটা আমরা বছরের মাসখানেক সময় পাই তাও নদীর নিচে। তাই এটা পাওয়াও দুষ্কর। এই জিনিসগুলোতে আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা ভালো মাটি পাওয়ার খোঁজ করছি।’
মাহবুব আনাম মনে করেন মিরপুরের উইকেট নিয়ে সমালোচনা হয় অজ্ঞতার কারণে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানলে এমনটা হতো না উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘আমাদের যে সমালোচনা হয় তা অজ্ঞতার কারণেই হয়। আমরা যদি বৈজ্ঞানিক কারণগুলো উপলব্ধি করি তাহলে অনেক কিছুই আমাদের কাছে আরও ভালো শোনাবে।’
একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন মিরপুরে এত খেলার পর এই উইকেটের আর উন্নতি করা সম্ভব নয়, ‘আমি নির্দিষ্ট কাউকে নিয়ে মন্তব্য করব না। বছরে এখানে সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫০ দিন খেলা হয়। যেখানে মিরপুরের মতো একটা স্টেডিয়ামে আমাদের ৬০ দিনের বেশি খেলা উচিত না। জানুয়ারি থেকে শুরু করে টানা ১২০ দিন খেলেছি আমরা।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে মিরপুরে টানা ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছিল সাকিব - মাহমুদউল্লাহরা। এরপর বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর অনেকে মিরপুরের উইকেটের নেতিবাচক প্রভাবকে দায়ী দিয়েছিল। মাহবুব আনাম অবশ্য বিষয়টা সেভাবে দেখছেন না,
‘এই মাঠে আমাদের যে জয়গুলো আছে, সেই জয়গুলোর মালাটা তো আমরা অন্যকে পরাতে পারি। কিন্তু মালাটা কিন্তু আমরাই নেই। আপনারা কিন্তু আমাদের জয়গুলো দেখেন... আমরা ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মতো পরাশক্তির বিপক্ষে টেস্ট জিতেছি , নিউজিল্যান্ডকে একই মাঠে হারিয়েছি। মোটামুটি সব দলের বিপক্ষেই জিতেছি।’

মিরপুরের উইকেট নিয়ে সমালোচনা নতুন কিছু নয়। নিচু আর মন্থর উইকেটের কারণে প্রতি সিরিজে এই বিতর্ক সামনে আসে। হোম অব ক্রিকেটের উইকেট নিয়ে বিভিন্ন সময় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রিকেটাররাও। আর এই সমালোচনার তীর সবচেয়ে বেশি যায় প্রধান কিউরেটর গামিনি ডি সিলভার দিকে।
বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব উল আনাম অবশ্য এর দায়ভার নিজেদের কাঁধে নিয়ে দিয়েছেন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে উইকেট বানাতে যে মাটিটা দরকার, সেই মাটিতে যে আঠালো উপাদান থাকা দরকার সেটা সব জায়গায় পাওয়া যায় না। মিরপুরে উইকেটটা কালো মাটি দিয়ে বানানো। এই উইকেটটা আমরা পার্থের কিউরেটরকে দিয়ে বানিয়েছিলাম। বগুড়ার উইকেটটা আরও বাদামি মাটি, চট্টগ্রামেরটা আরও বেশি এঁটেল মাটি। এই জিনিসটা কিন্তু কঠিন। এখানে মাটি কাটাটাও সহজ নয়। এটা আমরা বছরের মাসখানেক সময় পাই তাও নদীর নিচে। তাই এটা পাওয়াও দুষ্কর। এই জিনিসগুলোতে আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা ভালো মাটি পাওয়ার খোঁজ করছি।’
মাহবুব আনাম মনে করেন মিরপুরের উইকেট নিয়ে সমালোচনা হয় অজ্ঞতার কারণে। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানলে এমনটা হতো না উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘আমাদের যে সমালোচনা হয় তা অজ্ঞতার কারণেই হয়। আমরা যদি বৈজ্ঞানিক কারণগুলো উপলব্ধি করি তাহলে অনেক কিছুই আমাদের কাছে আরও ভালো শোনাবে।’
একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন মিরপুরে এত খেলার পর এই উইকেটের আর উন্নতি করা সম্ভব নয়, ‘আমি নির্দিষ্ট কাউকে নিয়ে মন্তব্য করব না। বছরে এখানে সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫০ দিন খেলা হয়। যেখানে মিরপুরের মতো একটা স্টেডিয়ামে আমাদের ৬০ দিনের বেশি খেলা উচিত না। জানুয়ারি থেকে শুরু করে টানা ১২০ দিন খেলেছি আমরা।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে মিরপুরে টানা ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছিল সাকিব - মাহমুদউল্লাহরা। এরপর বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর অনেকে মিরপুরের উইকেটের নেতিবাচক প্রভাবকে দায়ী দিয়েছিল। মাহবুব আনাম অবশ্য বিষয়টা সেভাবে দেখছেন না,
‘এই মাঠে আমাদের যে জয়গুলো আছে, সেই জয়গুলোর মালাটা তো আমরা অন্যকে পরাতে পারি। কিন্তু মালাটা কিন্তু আমরাই নেই। আপনারা কিন্তু আমাদের জয়গুলো দেখেন... আমরা ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মতো পরাশক্তির বিপক্ষে টেস্ট জিতেছি , নিউজিল্যান্ডকে একই মাঠে হারিয়েছি। মোটামুটি সব দলের বিপক্ষেই জিতেছি।’

দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
১ ঘণ্টা আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৩ ঘণ্টা আগে