Ajker Patrika

সিডনি টেস্ট চলার সময়ই বিশ্বকাপজয়ী মার্টিনকে নিয়ে গিলক্রিস্টের ‘সুখবর’

ক্রীড়া ডেস্ক    
অ্যাশেজে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময়ই ড্যামিয়েন মার্টিনের হাসপাতাল ছাড়ার খবর দিয়েছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। ছবি: সংগৃহীত
অ্যাশেজে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময়ই ড্যামিয়েন মার্টিনের হাসপাতাল ছাড়ার খবর দিয়েছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। ছবি: সংগৃহীত

কখন কে কোন অবস্থায় গিয়ে পড়বেন, সেটা সৃষ্টিকর্তার চেয়ে ভালো আর কেউ জানেন না। সুস্থ ড্যামিয়েন মার্টিন গত বছরের শেষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। অবস্থা এতটাই গুরুতর ছিল যে কৃত্রিমভাবে তাঁকে কোমায় রাখতে হয়েছিল। অবশেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ২০০৩ বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার।

মার্টিন যখন হাসপাতালে ছিলেন, তখনই তাঁকে নিয়ে ‘আপডেট’ দিয়েছিলেন গিলক্রিস্ট। আজ সিডনিতে অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্ট চলার সময় মার্টিনের হাসপাতাল থেকে ছাড়ার খবর গিলক্রিস্ট পেয়েছেন। কায়ো স্পোর্টসে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময়ই গিলক্রিস্ট তাঁর এক সময়ের সতীর্থকে নিয়ে সুখবর দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেন, ‘মার্টিন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। দারুণ খবর এটা। পুরোপুরি সেরে উঠতে এখনো সময় লাগবে। তবে সে যে বাড়ি ফিরেছে, সেটা জেনে ভালো লাগছে। পাশে থাকার জন্য তার পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞ।’

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল নাইন’ গত বছরের শেষে মার্টিনকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। চ্যানেল নাইন জানিয়েছিল বক্সিং ডেতে (২৬ ডিসেম্বর) বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মার্টিন। শোয়ার পরপরই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে অস্ট্রেলিয়ার ২০০৩ বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটারকে দ্রুত গোল্ড কোস্ট বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তির পর তাঁর মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানা গিয়েছিল। আজ মার্টিনের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে ওঠার খবর পেয়ে মার্ক ওয়াহ বলেন,‘এটা আসলেই মিরাকল। যখন সে আইসিউতে ছিল, তার অবস্থা খুব বাজে ছিল।’

অ্যাডিলেডে সিরিজের তৃতীয় টেস্ট ও সিডনিতে আজ শেষ হওয়া পঞ্চম টেস্ট—এবারের অ্যাশেজে পাঁচ টেস্টের মধ্যে কেবল এই দুই টেস্ট পাঁচ দিনে গড়িয়েছে। সিডনি টেস্ট দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন উসমান খাজা। তাঁর বিদায়ী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ৫ উইকেটে। ১৬৩ ও ২৯ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন ট্রাভিস হেড। তিন সেঞ্চুরিতে সিরিজে সর্বোচ্চ ৬২৯ রান করেছেন তিনি। গড় ও স্ট্রাইকরেট ৬২.৯০ ও ৮৭.৩৬। সিরিজে সর্বোচ্চ ৩১ উইকেট ও ১৫৬ রান করে সিরিজসেরা হয়েছেন মিচেল স্টার্ক।

অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৬৭ টেস্ট, ২০৮ ওয়ানডে ও ৪ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মার্টিন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে ২৭৯ ম্যাচে ৪২.৯২ গড়ে করেছেন ৯৮৭২ রান। তিন সংস্করণ মিলে ১৮ সেঞ্চুরি ও ৬১ ফিফটি করেছেন। ১৯৯৯, ২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি। ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপাও জিতেছেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ক্রিকেটার। ১৮ সেঞ্চুরির মধ্যে টেস্টে করেছেন ১৩ সেঞ্চুরি। ওয়ানডেতে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন পাঁচবার।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত