নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের গত দেড় দশকের কার্যক্রমে সংঘটিত অনিয়ম, দুর্নীতি ও কাঠামোগত দুর্বলতার চিত্র তুলে ধরে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে সরকার। আইসিটি বিভাগের ওয়েবসাইটে আজ বৃহস্পতিবার এই শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়।
শ্বেতপত্রে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় নেওয়া একাধিক বড় প্রকল্পের ব্যর্থতা ও সম্পদ অপচয়ের বিষয়টি।
শ্বেতপত্র প্রণয়নকারী টাস্কফোর্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় আইসিটি খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ হলেও সেই তুলনায় সুফল এসেছে কম। একই ধরনের প্রকল্প বারবার নিয়ে অর্থের অপচয় হয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশেই জবাবদিহি ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় গুরুতর দুর্বলতার চিত্র পাওয়া গেছে।
শ্বেতপত্রের একটি অধ্যায়ে আইসিটি বিভাগের চারটি বড় সফটওয়্যারভিত্তিক প্রকল্পের গভীর পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে ছিল সরকারের ইআরপি (এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং) অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ, ডিজিটাল উপস্থিতি জোরদার করা, সংসদের কার্যক্রম আধুনিকীকরণ এবং একটি স্মার্ট সিটি ধারণার পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন। তবে এসব প্রকল্পের অনেকটাই তাদের মূল লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
টাস্কফোর্সের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, ভেন্ডর ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, খণ্ডিত পরিকল্পনা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও কার্যকর তদারকির অভাবে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও প্রকল্পে বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে, কোথাও প্রশ্নবিদ্ধ চুক্তি ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে কিছু প্রকল্প অসম্পূর্ণ থেকে গেছে, আবার কোথাও একই ধরনের সিস্টেম বারবার তৈরি করে অর্থের অপচয় হয়েছে।
শ্বেতপত্রে আইসিটির প্রকল্পগুলোতে চারটি প্রধান অভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হলো—দুর্বল তদারকি ও অস্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ; প্রকল্প ক্রয় ও চুক্তিপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম; বিলম্ব, পুনরাবৃত্তি ও অসম্পূর্ণ কাজের মাধ্যমে সম্পদের অদক্ষ ব্যবহার এবং যথাযথ পরামর্শ ছাড়াই প্রকল্পের লক্ষ্য ও পরিধি মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে যাওয়া।
গত বছরের ১৭ এপ্রিল আইসিটি খাতের অনিয়ম তদন্তে টাস্কফোর্স গঠনের গেজেট প্রকাশ করা হয়। টাস্কফোর্সের প্রধান ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহ। টাস্কফোর্সের অন্য সদস্য ছিলেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তাফা হোসেন, আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার আফজাল জামি সৈয়দ আলী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মাহমুদ সালাম মারুফ এবং সাংবাদিক মো. শরিয়ত উল্যাহ। এর মধ্যে মাহমুদ সালাম মারুফ পরবর্তীতে পদত্যাগ করেন।
এ ছাড়া প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আসিফ শাহরিয়ার সুস্মিত।
গত বছরের ২১ জুনের মধ্যে টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হয়।
টাস্কফোর্সের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিগত সরকারের সময়ে আইসিটি বিভাগের অধীনে সম্পাদিত সব ধরনের কার্যক্রমে অনিয়ম ও অপব্যবস্থাপনার চিত্র যাচাই করে একটি প্রামাণ্য নথি তৈরি করা।
শ্বেতপত্রে ভবিষ্যতের জন্য একাধিক সুপারিশও করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—স্বাধীন ও সমন্বিত অডিট ব্যবস্থা জোরদার করা, ভেন্ডরের ওপর কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধাপে ধাপে ও স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ এবং স্বার্থের সংঘাত রোধে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই শ্বেতপত্র আইসিটি বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং জনবান্ধব ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের গত দেড় দশকের কার্যক্রমে সংঘটিত অনিয়ম, দুর্নীতি ও কাঠামোগত দুর্বলতার চিত্র তুলে ধরে শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে সরকার। আইসিটি বিভাগের ওয়েবসাইটে আজ বৃহস্পতিবার এই শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়।
শ্বেতপত্রে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় নেওয়া একাধিক বড় প্রকল্পের ব্যর্থতা ও সম্পদ অপচয়ের বিষয়টি।
শ্বেতপত্র প্রণয়নকারী টাস্কফোর্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় আইসিটি খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ হলেও সেই তুলনায় সুফল এসেছে কম। একই ধরনের প্রকল্প বারবার নিয়ে অর্থের অপচয় হয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশেই জবাবদিহি ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় গুরুতর দুর্বলতার চিত্র পাওয়া গেছে।
শ্বেতপত্রের একটি অধ্যায়ে আইসিটি বিভাগের চারটি বড় সফটওয়্যারভিত্তিক প্রকল্পের গভীর পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে ছিল সরকারের ইআরপি (এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং) অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ, ডিজিটাল উপস্থিতি জোরদার করা, সংসদের কার্যক্রম আধুনিকীকরণ এবং একটি স্মার্ট সিটি ধারণার পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন। তবে এসব প্রকল্পের অনেকটাই তাদের মূল লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
টাস্কফোর্সের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, ভেন্ডর ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, খণ্ডিত পরিকল্পনা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও কার্যকর তদারকির অভাবে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কোথাও প্রকল্পে বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে, কোথাও প্রশ্নবিদ্ধ চুক্তি ও স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে কিছু প্রকল্প অসম্পূর্ণ থেকে গেছে, আবার কোথাও একই ধরনের সিস্টেম বারবার তৈরি করে অর্থের অপচয় হয়েছে।
শ্বেতপত্রে আইসিটির প্রকল্পগুলোতে চারটি প্রধান অভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হলো—দুর্বল তদারকি ও অস্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ; প্রকল্প ক্রয় ও চুক্তিপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম; বিলম্ব, পুনরাবৃত্তি ও অসম্পূর্ণ কাজের মাধ্যমে সম্পদের অদক্ষ ব্যবহার এবং যথাযথ পরামর্শ ছাড়াই প্রকল্পের লক্ষ্য ও পরিধি মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে যাওয়া।
গত বছরের ১৭ এপ্রিল আইসিটি খাতের অনিয়ম তদন্তে টাস্কফোর্স গঠনের গেজেট প্রকাশ করা হয়। টাস্কফোর্সের প্রধান ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহ। টাস্কফোর্সের অন্য সদস্য ছিলেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তাফা হোসেন, আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার আফজাল জামি সৈয়দ আলী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মাহমুদ সালাম মারুফ এবং সাংবাদিক মো. শরিয়ত উল্যাহ। এর মধ্যে মাহমুদ সালাম মারুফ পরবর্তীতে পদত্যাগ করেন।
এ ছাড়া প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আসিফ শাহরিয়ার সুস্মিত।
গত বছরের ২১ জুনের মধ্যে টাস্কফোর্সের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীকালে এই সময়সীমা আরও বাড়ানো হয়।
টাস্কফোর্সের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিগত সরকারের সময়ে আইসিটি বিভাগের অধীনে সম্পাদিত সব ধরনের কার্যক্রমে অনিয়ম ও অপব্যবস্থাপনার চিত্র যাচাই করে একটি প্রামাণ্য নথি তৈরি করা।
শ্বেতপত্রে ভবিষ্যতের জন্য একাধিক সুপারিশও করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—স্বাধীন ও সমন্বিত অডিট ব্যবস্থা জোরদার করা, ভেন্ডরের ওপর কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধাপে ধাপে ও স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ এবং স্বার্থের সংঘাত রোধে কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই শ্বেতপত্র আইসিটি বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং জনবান্ধব ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পীর-আউলিয়ার দেশ, পীর-আউলিয়ার হাত ধরে ইসলাম এসেছে। কেউ কেউ বিভিন্ন অজুহাতে মাজারে আঘাত হানছে, যা মোটেও কাম্য নয়। এসব হামলা নিন্দনীয়।’
২ ঘণ্টা আগে
আইনি জটিলতায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচন ‘আপাতত’ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এই দুই আসনে ভোট গ্রহণ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ ছাড়া তিনি সহকারী ইউএসটিআর জনাব ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের লুট হওয়া ১ হাজার ৩৩৫টি আগ্নেয়াস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, এসব অস্ত্র অপরাধী চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণের একাধিক ঘটনায় পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে