আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের প্রায় ২৫টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ। তবে চলমান এই বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইলম। এখানেই নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘর্ষগুলোর কয়েকটি ঘটেছে বলে স্থানীয় ও মানবাধিকার কর্মীদের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভে যতগুলো মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তার প্রায় অর্ধেকই ঘটেছে পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে। এই অঞ্চলে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া প্রায় ২০ জন সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। এসব মৃত্যুর বড় একটি অংশ ঘটেছে ইলম, লোরেস্তান, চাহার-মাহাল ও বাখতিয়ারি এবং কোহগিলুয়ে ও বয়ার-আহমাদ প্রদেশে। দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত এসব অঞ্চলে মূলত কুর্দি ও লোর জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে।
এর মধ্যে ইলম প্রদেশে বিক্ষোভের ব্যাপকতা অনেকের জন্যই বিস্ময়কর হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে এই প্রদেশের প্রায় ২৫ হাজার জনসংখ্যার শহর আবদানানে অনুষ্ঠিত একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে মানুষের বিপুল উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরদিন পার্শ্ববর্তী লোরেস্তানের আলিগুদারজ শহরেও (জনসংখ্যা এক লাখের কম) বড় আকারের বিক্ষোভ দেখা যায়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
ছোট এসব শহরের বিক্ষোভে মানুষের অংশগ্রহণের মাত্রা অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের মতে, এটি প্রমাণ করে দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক ক্ষোভ ইরানের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে কতটা গভীরে পৌঁছেছে।
তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিক্ষোভে উপস্থিতির মাত্রা খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাষ্ট্র-ঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ এজেন্সি লোরেস্তানের বিক্ষোভকে ‘ব্যর্থ দাঙ্গা’ বলে অভিহিত করে দাবি করেছে, মানুষ সেখানে জড়োই হয়নি। যদিও একই প্রতিবেদনে তারা স্বীকার করেছে, ওই অঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতি জাতীয় গড়ের চেয়েও বেশি।
এদিকে গত রোববার ইলমের রাজধানী ইলম শহরে অবস্থিত ইমাম খোমেনি হাসপাতালে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর ক্ষোভ আরও বেড়েছে। বিক্ষোভে আহতদের ওই হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করে, বিক্ষোভকারীরা হাসপাতাল আক্রমণ করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রবেশ করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনী হাসপাতালটির ভেতরে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং আহত বিক্ষোভকারীদের ধরে নিয়ে যায়। ইরানের মধ্যপন্থী দৈনিক ‘হাম-মিহান’ এর মাঠপর্যায়ের বিরল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহতরা নিরস্ত্র ছিলেন এবং শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলিবিদ্ধ হন। কয়েকজন হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান, বাকিরা সামরিক মানের গুলিতে আহত হয়ে পরে মারা যান। গ্রেপ্তার এড়াতে কিছু পরিবার আহত স্বজনদের হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেয়।
এই ঘটনার পর সরকারিভাবে তদন্তের ঘোষণা দেওয়া হলেও অনেক ইলমবাসীর কাছে এটি এখন তাঁদের ক্ষোভের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

ইরানের প্রায় ২৫টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ। তবে চলমান এই বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইলম। এখানেই নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘর্ষগুলোর কয়েকটি ঘটেছে বলে স্থানীয় ও মানবাধিকার কর্মীদের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভে যতগুলো মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তার প্রায় অর্ধেকই ঘটেছে পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে। এই অঞ্চলে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া প্রায় ২০ জন সরাসরি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। এসব মৃত্যুর বড় একটি অংশ ঘটেছে ইলম, লোরেস্তান, চাহার-মাহাল ও বাখতিয়ারি এবং কোহগিলুয়ে ও বয়ার-আহমাদ প্রদেশে। দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত এসব অঞ্চলে মূলত কুর্দি ও লোর জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে।
এর মধ্যে ইলম প্রদেশে বিক্ষোভের ব্যাপকতা অনেকের জন্যই বিস্ময়কর হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার রাতে এই প্রদেশের প্রায় ২৫ হাজার জনসংখ্যার শহর আবদানানে অনুষ্ঠিত একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে মানুষের বিপুল উপস্থিতির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পরদিন পার্শ্ববর্তী লোরেস্তানের আলিগুদারজ শহরেও (জনসংখ্যা এক লাখের কম) বড় আকারের বিক্ষোভ দেখা যায়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
ছোট এসব শহরের বিক্ষোভে মানুষের অংশগ্রহণের মাত্রা অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের মতে, এটি প্রমাণ করে দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক ক্ষোভ ইরানের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে কতটা গভীরে পৌঁছেছে।
তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বিক্ষোভে উপস্থিতির মাত্রা খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাষ্ট্র-ঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ এজেন্সি লোরেস্তানের বিক্ষোভকে ‘ব্যর্থ দাঙ্গা’ বলে অভিহিত করে দাবি করেছে, মানুষ সেখানে জড়োই হয়নি। যদিও একই প্রতিবেদনে তারা স্বীকার করেছে, ওই অঞ্চলে মুদ্রাস্ফীতি জাতীয় গড়ের চেয়েও বেশি।
এদিকে গত রোববার ইলমের রাজধানী ইলম শহরে অবস্থিত ইমাম খোমেনি হাসপাতালে ঘটে যাওয়া ঘটনার পর ক্ষোভ আরও বেড়েছে। বিক্ষোভে আহতদের ওই হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করে, বিক্ষোভকারীরা হাসপাতাল আক্রমণ করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রবেশ করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনী হাসপাতালটির ভেতরে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং আহত বিক্ষোভকারীদের ধরে নিয়ে যায়। ইরানের মধ্যপন্থী দৈনিক ‘হাম-মিহান’ এর মাঠপর্যায়ের বিরল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহতরা নিরস্ত্র ছিলেন এবং শান্তিপূর্ণ মিছিলে গুলিবিদ্ধ হন। কয়েকজন হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান, বাকিরা সামরিক মানের গুলিতে আহত হয়ে পরে মারা যান। গ্রেপ্তার এড়াতে কিছু পরিবার আহত স্বজনদের হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেয়।
এই ঘটনার পর সরকারিভাবে তদন্তের ঘোষণা দেওয়া হলেও অনেক ইলমবাসীর কাছে এটি এখন তাঁদের ক্ষোভের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সরকার ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) মধ্যে সংলাপ শুরুর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার সারদার আয়াজ সাদিককে অনুমোদন দিয়েছেন। পার্লামেন্টের একাধিক সূত্র গতকাল বুধবার বিষয়টি দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে জানিয়েছে। রাজনৈতিক অচলাবস্থা....
১২ মিনিট আগে
মাদুরোর কড়া সমালোচক এবং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ রোসিও সান মিগেল হলেন প্রথম বন্দী, যাঁর মুক্তির খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁর পরিবার নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, তাঁকে কারাকাসে স্পেনীয় দূতাবাসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
১৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের ওপরই নির্ভর করছে। ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক মার্কিন সামরিক অভিযানের সঙ্গে তাইওয়ানের পরিস্থিতির স্পষ্ট পার্থক্য টানতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকে যোগ দিতে জয়শঙ্করের নিউইয়র্ক পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি ছিল। কিন্তু বিমান পরিষেবা স্থবির হয়ে পড়ায় মার্কিন ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস (ডিএসএস) সড়কপথের বিকল্প বেছে নেয়। মার্কিন-কানাডা সীমান্তের লুইস্টন-কুইনস্টন ব্রিজে...
৪ ঘণ্টা আগে