
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাবর আজমের ব্যাটিং নিয়ে আগেও অনেকবার প্রশ্ন উঠেছে। এই সংস্করণে তাঁর স্ট্রাইকরেট নিয়ে সমালোচনা করেছেন সাবেক ক্রিকেটার এবং বিশ্লেষকেরা। এবার বাবরের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ। তাঁর মতে, ছক্কা মারা বাবরের শক্তির জায়গা নয়।
জয় দিয়েই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে পাকিস্তান। নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৩ উইকেট হারিয়েছে তারা। তবে এই জয় সহজে আসেনি। ১৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল পাকিস্তানের। ১০ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৯০ রান করেছিল দলটি। এরপর দ্রুত উইকেট পড়তে থাকে। স্কোর নেমে আসে ১৬.১ ওভারে ৭ উইকেটে ১১৪ রানে। সে সময় পাকিস্তানের জয় প্রায় অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছিল।
যে কয়েকজন ব্যাটারের কারণে পাকিস্তান চাপে পড়েছিল, তাদের মধ্যে সবার আগে ওঠে আসবে বাবরের নাম। ফন ডার মারউইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ১৮ বলে ১৫ রান করেন তিনি। একটি চারের বিপরীতে কোনো ছক্কা মারতে পারেননি। বাবর এমন একসময়ে আউট হন যখন দলের দ্রুত রান তোলার প্রয়োজন ছিল। সেটা তো করতেই পারেননি, উল্টো আউট হয়ে দলকে বিপদে ফেলে দেন বাবর। স্বাভাবিকভাবেই নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তাঁর ব্যাটিং নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠেছে সমালোচনা ঝড়। তবে ম্যাচ চলাকালীন ধারাভাষ্য দিতে গিয়েই বাবরের সমালোচনা করেছেন কাইফ।
কাইফ বলেন, ‘তাকে (বাবর) ছক্কা মারতে বলা হয়েছে। কিন্তু ছক্কাটা কোথায়? সে তো ছক্কাই মারতে পারছে না। ছক্কা মারা তার শক্তির জায়গা নয়। তার খেলার ধরনই ছক্কার জন্য নয়। সে মূলত সিঙ্গেল-ডাবলস নিয়ে, বলপ্রতি এক রানের গতিতে খেলে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যায়। যতবারই সে বড় শট খেলতে যায়, ততবারই নিজের উইকেট হারায়।’
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হারের শঙ্কায় পড়লেও পাকিস্তানকে উদ্ধার করেন ফাহিম আশরাফ। ৮ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১১ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ২৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এই অলরাউন্ডার। তাঁর ছোট ঝোড়ো ইনিংসেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। দলে জেতানোর পথে ব্যক্তিগত ৭ রানে নতুন জীবন পান ফাহিম। তাঁর ক্যাচ ছেড়ে দেন ম্যাক্স ও ডাউড। কার্যত তাঁর ভুলের কারণেই জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হেরে যায় ডাচরা।

টুখেলের সেই চালেরই চূড়ান্ত ফসল আসে ৮৫ মিনিটে। ডান প্রান্ত দিয়ে বুকায়ো সাকার নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে বক্সে ডিফেন্ডারকে বোকা বানান মার্কাস রাশফোর্ড। এরপর লিভাকোভিচকে পরাস্ত করে তার নেওয়া নিখুঁত বাঁকানো শটটি যখন জাল ছুঁল, ক্রোয়েশিয়ার ফেরার সব পথও তখন বন্ধ হয়ে যায়। এই ৪-২ গোলের জয় প্রথম ম্যাচে টুখেলকে য
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শুরুর খানিক আগে দৃশ্যটা দেখা গেল। বন্ধু সার্জিও আগুয়েরো ডাগআউটের কাছে ব্যস্ত ছিলেন টিভি শো নিয়ে। গা গরম শেষে মেসি এগিয়ে এলেন, বন্ধুকে ভালোবাসা জানালেন। এ দৃশ্যে করতালির শব্দ ভেসে এল কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের পরিপূর্ণ গ্যালারি থেকে।
৫ ঘণ্টা আগে
এক পাশে ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর আরেকটি বিশ্বকাপ রাঙানোর মিশন, আরেক পাশে ৫২ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফেরা ডিআর কঙ্গোর অস্তিত্বের লড়াই। ডালাসের মাঠে শক্তির বিচারে পর্তুগাল যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও মাঠের ফুটবলে তার ন্যূনতম প্রতিফলন মিলল না। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পুরো ৯০ মিনিট বোতলবন্দী করে রাখার
৬ ঘণ্টা আগে
ফুটবল দিনশেষে নিখাদ এক দলগত খেলা। নিঃস্বার্থভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা আর দলীয় বোঝাপড়া ছাড়া সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো অসম্ভব। যেকোনো কোচ তাঁর শিষ্যদের বলে থাকেন, ‘দলের চেয়ে বড় কোনো খেলোয়াড় হতে পারে না।’ কথাটি নিয়ে দ্বিমত করার সুযোগ পাবেন না কেউই।
৬ ঘণ্টা আগে