টেস্ট ক্রিকেট যে হ্যারি ব্রুক সীমিত ওভারের ক্রিকেটের মতো খেলেন, তা বোঝা গেছে অনেক আগেই। তবে ইংল্যান্ডের জার্সিতে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে নিজেকে এখনো সেভাবে প্রমাণ করতে পারেননি তিনি। এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে (আইপিএল) যেন সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করার মঞ্চ হিসেবেই বেছে নিলেন ব্রুক। গতকাল দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দিলেন ইংলিশ এই ব্যাটার।
ইডেন গার্ডেনসে গতকাল কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে খেলেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ওপেনিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন ব্রুক। কলকাতার বোলাররা রীতিমতো দিশেহারা হয়ে যান ইংলিশ এই ওপেনারের ব্যাটিংয়ে। এবারের আইপিএলের প্রথম সেঞ্চুরি এসেছে ব্রুকের ব্যাট থেকেই। ৫৫ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচ-সেরা হয়েছেন ইংলিশ এই ব্যাটার।
বিধ্বংসী এই ইনিংস খেলে ‘সুপারস্টার’ তকমা পেয়ে গেছেন ব্রুক। সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে চলছে প্রশংসার বন্যা। ইরফান পাঠান তাঁর টুইটারে লিখেছেন, ‘হ্যারি ব্রুক আইপিএলের সুপারস্টার।’ কেভিন পিটারসেনের কাছে আইপিএলে ব্রুক যেন তাঁর আগমনী বার্তা দিয়েছেন। পিটারসেন টুইট করেন, ‘হ্যারি ব্রুক এসেই তার পারফরম্যান্সের জানান দিচ্ছে। সে এমনই দুর্দান্ত খেলোয়াড়।’ ভারতীয় সাবেক বাঁহাতি পেসার আরপি সিং টুইট করেছেন, ‘হ্যারি ব্রুক নিজের মতো এসেছে।’ ইংল্যান্ড ক্রিকেট তাঁকে ‘চিট কোড’ আখ্যা দিয়েছে।
এবারই প্রথম আইপিএল খেলতে এসেছেন ব্রুক। যদিও শুরুটা ভালো হয়নি তাঁর। প্রথম তিন ম্যাচে করেছেন ১৩,৩ ও ১৩ রান। আর গতকাল তো ছাপিয়ে গেছেন সবকিছু।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৬ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে