
বছরখানেক আগেও পাকিস্তান ক্রিকেটে অচেনা মুখ ছিলেন খাজা নাফি। কিন্তু দৃশ্যপট বদলেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) কল্যাণে। বাংলাদেশের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে খেলার সুবাদে পাকিস্তান ক্রিকেটে এখন পরিচিত মুখ তিনি। তাই বিপিএলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুললেন না নাফি।
বিপিএলের গত পর্বে চট্টগ্রাম কিংসের হয়ে খেলেছেন নাফি। ব্যাট হাতে ৫ ম্যাচে করেন ২০১ রান। এমন পারফরম্যান্সের পর পাকিস্তান ক্রিকেটে দরজা খুলে যায় তাঁর। দেশটির ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপ, পিএসএল ও ‘এ’ দলের হয়ে খেলেছেন ২৩ বছর বয়সী এই ব্যাটার। আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য পাকিস্তান দলে ডাক পেয়েছেন তিনি।
নাফি বলেন, ‘আমি আগেরবার বিপিএলের ভালো পারফর্ম করেছিলাম। এজন্য ক্রিকেটে সুযোগ পাই। বিপিএলে পারফর্ম করার পরই পাকিস্তানের মানুষ জানতে পারে যে নাফি নামেও একজন আছে। এরপরই আমি ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলি।’
বিপিএলের চলতি পর্বে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলছেন নাফি। এর আগে সবশেষ গ্লোবাল সুপার লিগেও (জিএসএল) খেলেছেন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে। তাই মানিয়ে নিতে সমস্যা হবে না বলে মনে করছেন তিনি, ‘রংপুরের হয়ে আমি জিএসএল খেলেছি। এই দলটা আমার জন্য নতুন নয়। বিপিএলে রংপুর আমার জন্য নতুন দল। নতুন লক্ষ্য হলো গত বছর যেমন পারফর্ম করেছিলাম, রংপুর রাইডার্সের জন্যও তেমন পারফর্ম করার চেষ্টা থাকবে ইনশাআল্লাহ।’
প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত নাফি। তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্য গর্বের মুহূর্ত। জাতীয় দলের খেলার জন্য এতদিন কষ্ট করেছি। অবশেষে সে সুযোগ এসেছে। একাদশে সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।’

ইউরোপের সেভিয়া ও নাপোলির সাবেক এই উইঙ্গার বলেন, ‘এটি প্রচণ্ড চাপের। সবকিছু নির্ভর করে স্কোয়াডের বর্তমান অবস্থা এবং কোচ কীভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন, তার ওপর। খেলোয়াড়েরা যে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, সেটা মাথায় রেখেও মাঠে নেমে শিরোপা ধরে রাখার জন্য নতুন করে লড়াই করার তাগিদ দিতে হবে কোচকে। ১৯৮২ সালে আমরা ভেবে
১৮ ঘণ্টা আগে
২০২৩ সালের পর থেকে বিদেশের মাটিতে কোনো টেস্ট জিততে পারেনি পাকিস্তান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইসিসির বড় টুর্নামেন্টেও সাফল্য নেই। তবু আশা ছাড়েননি ‘চাচা ক্রিকেট’। তাঁর বহু বছরের চেনা স্লোগানেই যেন ফুটে ওঠে সেই বিশ্বাস, ‘খেলাধুলায় এমনটা হয়েই থাকে। কখনো খুশি, কখনো বেদনা। কখনো তুমি জিতবে, কখনো আমি।’
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রোমারিওর দল থেকে ছিটকে যাওয়া সমর্থকদের ভীষণ হতাশ করে তুলেছে। একই সঙ্গে দলের প্রধান চিকিৎসক লিডিও টোলেডোর ভুল রোগ নির্ণয়কেও কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল। কারণ, তিনিই শুরুতে আশ্বাস দিয়েছিলেন— রোমারিও বিশ্বকাপের আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন। ২৮ বছর পর নেইমারের চোটের ধরন যেন ব্রাজিল
২১ ঘণ্টা আগে
ফুটবল ইতিহাসে এমন মুহূর্ত বারবার আসে না। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি যখন আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন, তখন তাঁর পায়ের নিচে শুধু ঘাস নয়, থাকবে ইতিহাস ভাঙার সুযোগও। বয়স ৩৮ পেরিয়ে ৩৯-এর পথে, তবু থামার কোনো লক্ষণ নেই। বরং এই বিশ্বকাপেই তাঁর সামনে খুলে যেতে পারে একের পর এক রেকর্ডের নতুন
১ দিন আগে