ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৫ এশিয়া কাপটা ভারতের জন্য ‘বিশেষ’ বলতেই হচ্ছে। এবার তারা নামছে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে। তার চেয়েও বড় কথা রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলির মতো তারকাদের অবসরের পর টি-টোয়েন্টি সংস্করণে মেজর কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছে ভারত। কিন্তু এশিয়া কাপে নামার আগেই ঝামেলায় পড়তে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দল।
ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান স্পনসর হিসেবে কদিন আগেও কাজ করত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ড্রিম ইলেভেন। আইপিএলেও প্রতিষ্ঠানটি পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করত। গত কদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে ড্রিম ইলেভেন কাজ করতে চাচ্ছে না। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি সেটা নিশ্চিত করেছে। বিসিসিআই প্রধান নির্বাহী হেমাং আমিনকে ড্রিম ইলেভেন জানিয়েছে, ভারতের জার্সিতে তারা থাকতে পারছে না। ড্রিম ইভেলেন এটাও জানিয়েছে, কোম্পানি তাদের সব ধরনের আর্থিক প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে এখন এটা ‘ফ্রি-টু-প্লে’ অনলাইন সামাজিক গেমে পরিণত হয়েছে।
এমন সময় ড্রিম ইলেভেন সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যখন ভারত সামনে এশিয়া কাপ খেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর। বিশ্বের ধনী ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের স্পনসর হতে অনেক প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ থাকে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়াটাও তো অত সহজ না। সেটা জেনেও বিসিসিআই আশাবাদী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এশিয়া কাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর থাকছে না ড্রিম ইলেভেন। শিগগিরই বিসিসিআই আহ্বান করবে নতুন দরপত্র।’
ভারতের নতুন অনলাইন গেমিং বিল অনুমোদনের কারণেই মূলত ড্রিম ইলেভেনকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে। অনেকেরই শঙ্কা ছিল, ড্রিম ইলেভেনের কোটি কোটি টাকা আয়ে নামছে ধস। বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিত শাইকিয়া বলেছেন, ‘যদি আইনেই অনুমোদন না থাকে, তাহলে কিছুই করব না।দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি অনুযায়ী প্রত্যেকটা ব্যাপার মেনে চলবে বিসিসিআই।’
২০২৩ সালের জুলাইয়ে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে ড্রিম ইলেভেনের তিন বছরের চুক্তি হয়েছিল। ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলারে চুক্তি করা হয়েছিল। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৫৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এ ছাড়া মাই ইলেভেন সার্কেল নামে আরেক ফ্যান্টাসি স্পোর্টস কোম্পানি ভারতীয় ক্রিকেট দল ও আইপিএলে স্পনসর হিসেবে কাজ করে থাকে। বিসিসিআইয়ে তাদের অবদান ১০০০ কোটি রুপি (১৩৭৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা)। এদিকে ড্রিম ইলেভেনের সঙ্গে চুক্তি শেষ করার ব্যাপারে বিসিসিআই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন এবারের এশিয়া কাপের দলে শুবমান গিল সহ অধিনায়ক। ‘এ’ গ্রুপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান। ১০ সেপ্টেম্বর আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। ১৪ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবেন সূর্যকুমার-গিলরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভারত খেলবে ওমানের বিপক্ষে। ১৯ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে হবে ভারত-ওমান ম্যাচ। তবে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ ভারত খেলবে দুবাইয়ে।

২০২৫ এশিয়া কাপটা ভারতের জন্য ‘বিশেষ’ বলতেই হচ্ছে। এবার তারা নামছে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে। তার চেয়েও বড় কথা রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলির মতো তারকাদের অবসরের পর টি-টোয়েন্টি সংস্করণে মেজর কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছে ভারত। কিন্তু এশিয়া কাপে নামার আগেই ঝামেলায় পড়তে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দল।
ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান স্পনসর হিসেবে কদিন আগেও কাজ করত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ড্রিম ইলেভেন। আইপিএলেও প্রতিষ্ঠানটি পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করত। গত কদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে ড্রিম ইলেভেন কাজ করতে চাচ্ছে না। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি সেটা নিশ্চিত করেছে। বিসিসিআই প্রধান নির্বাহী হেমাং আমিনকে ড্রিম ইলেভেন জানিয়েছে, ভারতের জার্সিতে তারা থাকতে পারছে না। ড্রিম ইভেলেন এটাও জানিয়েছে, কোম্পানি তাদের সব ধরনের আর্থিক প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে এখন এটা ‘ফ্রি-টু-প্লে’ অনলাইন সামাজিক গেমে পরিণত হয়েছে।
এমন সময় ড্রিম ইলেভেন সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যখন ভারত সামনে এশিয়া কাপ খেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর। বিশ্বের ধনী ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের স্পনসর হতে অনেক প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ থাকে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়াটাও তো অত সহজ না। সেটা জেনেও বিসিসিআই আশাবাদী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এশিয়া কাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর থাকছে না ড্রিম ইলেভেন। শিগগিরই বিসিসিআই আহ্বান করবে নতুন দরপত্র।’
ভারতের নতুন অনলাইন গেমিং বিল অনুমোদনের কারণেই মূলত ড্রিম ইলেভেনকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে। অনেকেরই শঙ্কা ছিল, ড্রিম ইলেভেনের কোটি কোটি টাকা আয়ে নামছে ধস। বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিত শাইকিয়া বলেছেন, ‘যদি আইনেই অনুমোদন না থাকে, তাহলে কিছুই করব না।দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি অনুযায়ী প্রত্যেকটা ব্যাপার মেনে চলবে বিসিসিআই।’
২০২৩ সালের জুলাইয়ে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে ড্রিম ইলেভেনের তিন বছরের চুক্তি হয়েছিল। ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলারে চুক্তি করা হয়েছিল। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৫৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এ ছাড়া মাই ইলেভেন সার্কেল নামে আরেক ফ্যান্টাসি স্পোর্টস কোম্পানি ভারতীয় ক্রিকেট দল ও আইপিএলে স্পনসর হিসেবে কাজ করে থাকে। বিসিসিআইয়ে তাদের অবদান ১০০০ কোটি রুপি (১৩৭৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা)। এদিকে ড্রিম ইলেভেনের সঙ্গে চুক্তি শেষ করার ব্যাপারে বিসিসিআই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন এবারের এশিয়া কাপের দলে শুবমান গিল সহ অধিনায়ক। ‘এ’ গ্রুপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান। ১০ সেপ্টেম্বর আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। ১৪ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মুখোমুখি হবেন সূর্যকুমার-গিলরা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভারত খেলবে ওমানের বিপক্ষে। ১৯ সেপ্টেম্বর আবুধাবিতে হবে ভারত-ওমান ম্যাচ। তবে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ ভারত খেলবে দুবাইয়ে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেবে আইসিসি, এমন খবর বের হয়েছিল আজ। তবে এর কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি বিসিবি। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো কথাই হয়নি স্কটল্যান্ডের।
২ ঘণ্টা আগে
সিলেট টাইটানস এবং রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপিএলের প্লে অফ। এলিমিনেটরে আগামীকাল দুপুর দেড়টায় মাঠে নামবে দুদল। শেষ চারের ম্যাচে লিটন দাসের দলের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার বার্তা দিলেন সিলেটের ইংলিশ ব্যাটার ইথান ব্রুকস।
৩ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া নিয়ে জল কম ঘোলা হচ্ছে না। এই ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বলে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে নতুন করে আলোচনায় এলেন মোস্তাফিজ। সেটা মাঠের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিয়ে
৪ ঘণ্টা আগে
ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
৭ ঘণ্টা আগে