নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

খেলার পাশাপাশি ব্যবসায় বিনিয়োগ সাকিব আল হাসানের জন্য নতুন কিছু নয়। ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে এসে সাকিব এবার আরেকটি নতুন একটি ব্যবসায় নাম লিখিয়েছেন। ব্যবসায়ী সাকিবের এবারের বিনিয়োগ জুয়েলারিতে। রাজধানীর একটি আউটলেটে আজ সোনার ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে এ অলরাউন্ডারের।
এর আগে রেস্টুরেন্ট, শেয়ার বাজার, বিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রসাধনী, ট্রাভেল এজেন্সি, হোটেল, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ই-কমার্স, কাঁকড়া ও কুঁচের খামারসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছেন সাকিব। এবার বিনিয়োগ সোনার ব্যবসায়।
কীভাবে এ খাতে বিনিয়োগের চিন্তা মাথায় এল, সাকিবের মুখেই শোনা যাক, ‘রাশেদ ভাইয়ের (সাকিবের সোনার ব্যবসায় অংশীদার) সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা হচ্ছিল। তো হঠাৎ এ ব্যাপারটা আমাদের সামনে আসে। ওই সময় সরকার কিছু লাইসেন্স দিচ্ছিল। তখন আমরা চেষ্টা করি কীভাবে লাইসেন্সটা নেওয়া যায়। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সেটা পেয়েও গেলাম।’
প্রায় দেড় যুগের ক্যারিয়ারে নিজেকে অন্য উচ্চতায় আসীন করেছেন সাকিব। মাঠে পেয়েছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য, মাঠের বাইরে ঠিক তার উল্টো। গত কয়েক বছরে নানা খাতে বিনিয়োগ করেও সে অর্থে সফলতা আসেনি। ব্যাপারটা সাকিবেরও অজানা নয়। তবু কেন আবার নতুন ব্যবসায়? এই অনুপ্রেরণাই বা কোথা থেকে পেলেন?
প্রশ্নের বাউন্সারটা সাকিব সামলালেন মাঠের হার না মানা মানসিকতায়, ‘যদি শেষ ১০০ বছরের রেকর্ড দেখেন, সোনার দাম কখনো কমেনি। পৃথিবীতে হয়তো অনেক জিনিসেরই ক্ষয় আছে কিন্তু সোনার সেটা নেই। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মানুষ কিনতেই পারে। ছোট বেলায় দেখতাম, মানুষ উপহার হিসেবে সোনা দিত। সে রেওয়াজ এখন হয়তো অনেকটা কমে গেছে। সে জায়গা থেকে আমরা একটা সুবিধাজনক ব্যাপার চালু করতে যাচ্ছি। গ্রামে থেকেই মানুষ সোনা কিনতে পারবে। আমার ধারণা এ রকম কিছু বাংলাদেশে প্রথম। মানুষের হাতের নাগালে যেন সোনা পৌঁছে দিতে পারি, এটাই আমাদের লক্ষ্য।’
গত কয়েক বছরে সাকিবকে নিয়ে আরেকটি নিয়মিত প্রশ্ন—ক্রিকেটার সাকিব নাকি ব্যবসায়ী সাকিব? তবে সাকিবের কাছে ক্রিকেটার পরিচয়ই এখনো সবার ওপরে, ‘ক্রিকেট সব সময় আমার প্রথম অগ্রাধিকার। এমন তো না যে, যারা ক্রিকেট খেলে তাদের আর কিছু করার সুযোগ থাকে না। খেলা যখন থাকে না, তখন এসব জায়গায় সময় দেওয়া হয়। আমি কিন্তু এসব ক্ষেত্রে নিয়মিত অফিস করি না। কিছু দক্ষ লোক আছে, তারাই এসব সামলায়।’
সাকিব আল হাসান সম্পর্কিত পড়ুন:

খেলার পাশাপাশি ব্যবসায় বিনিয়োগ সাকিব আল হাসানের জন্য নতুন কিছু নয়। ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে এসে সাকিব এবার আরেকটি নতুন একটি ব্যবসায় নাম লিখিয়েছেন। ব্যবসায়ী সাকিবের এবারের বিনিয়োগ জুয়েলারিতে। রাজধানীর একটি আউটলেটে আজ সোনার ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে এ অলরাউন্ডারের।
এর আগে রেস্টুরেন্ট, শেয়ার বাজার, বিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রসাধনী, ট্রাভেল এজেন্সি, হোটেল, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ই-কমার্স, কাঁকড়া ও কুঁচের খামারসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছেন সাকিব। এবার বিনিয়োগ সোনার ব্যবসায়।
কীভাবে এ খাতে বিনিয়োগের চিন্তা মাথায় এল, সাকিবের মুখেই শোনা যাক, ‘রাশেদ ভাইয়ের (সাকিবের সোনার ব্যবসায় অংশীদার) সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা হচ্ছিল। তো হঠাৎ এ ব্যাপারটা আমাদের সামনে আসে। ওই সময় সরকার কিছু লাইসেন্স দিচ্ছিল। তখন আমরা চেষ্টা করি কীভাবে লাইসেন্সটা নেওয়া যায়। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সেটা পেয়েও গেলাম।’
প্রায় দেড় যুগের ক্যারিয়ারে নিজেকে অন্য উচ্চতায় আসীন করেছেন সাকিব। মাঠে পেয়েছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য, মাঠের বাইরে ঠিক তার উল্টো। গত কয়েক বছরে নানা খাতে বিনিয়োগ করেও সে অর্থে সফলতা আসেনি। ব্যাপারটা সাকিবেরও অজানা নয়। তবু কেন আবার নতুন ব্যবসায়? এই অনুপ্রেরণাই বা কোথা থেকে পেলেন?
প্রশ্নের বাউন্সারটা সাকিব সামলালেন মাঠের হার না মানা মানসিকতায়, ‘যদি শেষ ১০০ বছরের রেকর্ড দেখেন, সোনার দাম কখনো কমেনি। পৃথিবীতে হয়তো অনেক জিনিসেরই ক্ষয় আছে কিন্তু সোনার সেটা নেই। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মানুষ কিনতেই পারে। ছোট বেলায় দেখতাম, মানুষ উপহার হিসেবে সোনা দিত। সে রেওয়াজ এখন হয়তো অনেকটা কমে গেছে। সে জায়গা থেকে আমরা একটা সুবিধাজনক ব্যাপার চালু করতে যাচ্ছি। গ্রামে থেকেই মানুষ সোনা কিনতে পারবে। আমার ধারণা এ রকম কিছু বাংলাদেশে প্রথম। মানুষের হাতের নাগালে যেন সোনা পৌঁছে দিতে পারি, এটাই আমাদের লক্ষ্য।’
গত কয়েক বছরে সাকিবকে নিয়ে আরেকটি নিয়মিত প্রশ্ন—ক্রিকেটার সাকিব নাকি ব্যবসায়ী সাকিব? তবে সাকিবের কাছে ক্রিকেটার পরিচয়ই এখনো সবার ওপরে, ‘ক্রিকেট সব সময় আমার প্রথম অগ্রাধিকার। এমন তো না যে, যারা ক্রিকেট খেলে তাদের আর কিছু করার সুযোগ থাকে না। খেলা যখন থাকে না, তখন এসব জায়গায় সময় দেওয়া হয়। আমি কিন্তু এসব ক্ষেত্রে নিয়মিত অফিস করি না। কিছু দক্ষ লোক আছে, তারাই এসব সামলায়।’
সাকিব আল হাসান সম্পর্কিত পড়ুন:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বেছে নেবে আইসিসি, এমন খবর বের হয়েছিল আজ। তবে এর কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি বিসিবি। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো কথাই হয়নি স্কটল্যান্ডের।
৪ ঘণ্টা আগে
সিলেট টাইটানস এবং রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বিপিএলের প্লে অফ। এলিমিনেটরে আগামীকাল দুপুর দেড়টায় মাঠে নামবে দুদল। শেষ চারের ম্যাচে লিটন দাসের দলের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার বার্তা দিলেন সিলেটের ইংলিশ ব্যাটার ইথান ব্রুকস।
৪ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া নিয়ে জল কম ঘোলা হচ্ছে না। এই ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বলে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে নতুন করে আলোচনায় এলেন মোস্তাফিজ। সেটা মাঠের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
৯ ঘণ্টা আগে