দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে না ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সেই খরা কাটানোর সুযোগ পেয়েছে তারা। কিন্তু চলমান ফাইনালেও তারা পারবে বলে মনে করছেন না বাসিত আলী। পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটারের মতে, টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ই ম্যাচ হেরেছে ভারত।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এমনটিই জানিয়েছেন বাসিত। টেস্ট ও ওয়ানডে মিলিয়ে ৬৯ ম্যাচ খেলা মিডল অর্ডার ব্যাটার বলেছেন, ‘টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ম্যাচ হেরেছে ভারত। প্রথম দুই ঘণ্টা তাদের বোলাররা বেশ দুশ্চিন্তা নিয়ে বোলিং করেছে। তারা এমন বোলিং করেছে যেন আইপিএলে খেলছে। লাঞ্চের পর ভারতীয় বোলারদের এমন খুশি দেখাচ্ছিল যেন তারা ম্যাচ জিতেছে। ভারতের সবাই এখন আশা করতে পারে প্রতিপক্ষকে কম রানের আটকিয়ে চতুর্থ ইনিংসে অলৌকিক কিছু করা।’
ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে ফিটনেসের ঘাটতিও দেখছেন বলে জানিয়েছেন বাসিত। তিনি বলেছেন, ‘ভারত যে ১২০ ওভার ফিল্ডিং করেছিল সে সময় মাত্র ২-৩ জন খেলোয়াড়কে ফিট দেখেছি—রাহানে, কোহলি এবং জাদেজা। বাকিরা তাকিয়ে ছিল ক্লান্ত দৃষ্টিতে।’
শুধু খেলোয়াড়দের নয় ভারতীয় কোচেরও সমালোচনা করেছেন বাসিত। নিজেকে খেলোয়াড় রাহুল দ্রাবিড়ের ভক্ত বলে পরিচয় দিলেও কোচের ভূমিকা নিয়ে ৫২ বছর বয়সী পাকিস্তানি ব্যাটার বলেছেন, ‘আমি রাহুল দ্রাবিড়ের বিশাল ভক্ত, সব সময়ই ছিলাম এবং থাকব। সে দুর্দান্ত একজন খেলোয়াড় এবং কিংবদন্তি। কিন্তু কোচ হিসেবে সে একেবারেই শূন্য।’
কোচ হিসেবে রাহুলের পরিসংখ্যানও তাই বলছে। ২০২১ সালে বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মাদের কোচ হন এই কিংবদন্তি। দল দ্বিপক্ষীয় পারফরম্যান্সে ভালো করলেও এসিসি-আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারছে না তাঁর শিষ্যরা। চলমান টেস্ট ফাইনালবাদে এ সময়ের মধ্যে অন্য টুর্নামেন্টে ভারতের পারফরম্যান্স ভালো নয়।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২৯ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে