সর্বশেষ ৫ বছর আগে টেস্ট খেলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৮ সালের সেই টেস্টের পর সাদা পোশাকে আর দেখা যায়নি তাঁকে। অভিজাত সংস্করণে ফেরা না হলেও রঙিন পোশাকে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন ভারতীয় অলরাউন্ডার।
সেই ছন্দের কারণেই হার্দিকের টেস্ট সংস্করণে ফেরা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে তাঁকে নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন ভারতের দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। সাবেক অলরাউন্ডার রবি শাস্ত্রীর মতে, হার্দিকের শরীর টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না।
তবে শাস্ত্রীর এই মন্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন কপিল দেব। ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের মতে, শাস্ত্রীর মন্তব্যকে সম্মান জানাই। তবে এমনটা বিশ্বাস করি না। সম্প্রতি ‘দ্য উইক’ নামে এক ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এমনটি জানিয়েছেন ক্রিকেটে ভারতকে প্রথমবারের মতো কোনো বিশ্বকাপ এনে দেওয়া অধিনায়ক।
পরিশ্রম করলে যে হার্দিক টেস্ট খেলতে পারবেন তা বোঝানোর জন্য অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসার ডেনিস লিলির উদাহরণও টেনেছেন কপিল। সর্বকালের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘তার (শাস্ত্রী) মন্তব্য এবং চিন্তাকে সম্মান করি। কিন্তু কেন? ডেনিস লিলির চেয়ে কোনো খেলোয়াড় বেশি চোট পাননি। তাই আমি এটা বিশ্বাস করি না। মানুষের শরীর যেকোনো পর্যায় থেকে ভালো অবস্থানে ফিরে আসতে পারে। হার্দিক একজন দুর্দান্ত অ্যাথলেট এবং দেখতেও ভালো। শরীর নিয়ে সে একটু কঠোর পরিশ্রম করলেই পারবে।’
হার্দিকের টেস্ট খেলা নিয়ে এর আগে শাস্ত্রী বলেছেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর শরীর মানিয়ে নিতে পারে না। এ নিয়ে আমাদের পরিষ্কার ধারণা থাকা ভালো। বিশ্বকাপের পর (ওয়ানডে) সে যদি ফিট থাকে, তাহলে তার সাদা বলের অধিনায়কত্ব নেওয়া উচিত। যেখানে অভিজ্ঞদের ক্যারিয়ার শেষের পর্যায়ে আর তরুণদের সবে শুরু।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২৩ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে