নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন নিয়ে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে আলাপ-আলোচনা। কে হবেন পরিচালক, কে হবেন সভাপতি—এসব নিয়ে চলছে নানা জল্পনাকল্পনা। এমনকি নির্বাচন না হয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করার কথাও শোনা যাচ্ছে। আলোচনায় আছেন বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও।
সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) চাইলে বর্তমান সভাপতি বুলবুল পরিচালক পদে থেকে বিসিবি সভাপতির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে পারেন। বর্তমানে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্বে থাকা নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সঙ্গে তিনিও এনএসসির মাধ্যমে কাউন্সিলর হয়ে সরাসরি পরিচালক হিসেবেই বোর্ডে এসেছেন। এই দায়িত্বের বাইরে গিয়ে তাঁদের দুজনের ভিন্নভাবে বোর্ড কাউন্সিলর হওয়ার অন্য কোনো পথ এখন নেই।
এমন পরিস্থিতিতে আপাতত নির্বাচন নিয়ে তেমন কিছু ভাবছেন না বুলবুল। চট্টগ্রামে আঞ্চলিক টি–টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে গিয়ে আজ দুপুরে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন হলে মানুষ সঠিক ব্যক্তিকে বেছে নেয়। এটা আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আমি হঠাৎ করেই এখানে এসেছি, দায়িত্ব নিয়েছি। এর আগে আমার স্থায়ী চাকরি ছিল। সেটা ছেড়ে দেশের জন্য এসেছি। যতদিন সম্ভব দেশের জন্য কাজ করে যাব। এরপর কী হবে, সেটা আমার হাতে নেই। আমি আর ফাহিম ভাই দুজনই এনএসসির মনোনীত কাউন্সিলর। প্রথমে এনএসসি আমাকে কাউন্সিলর করবে, এরপর বোর্ড গঠন করা হবে, তারপর পরিচালকেরা ভোট দিয়ে সভাপতি বানাবেন। এটা এখনো অনেক দূরের বিষয়। আপাতত নিজের বর্তমান কাজেই মনোযোগ দিচ্ছি।’
চট্টগ্রামে গিয়ে স্মৃতিরোমন্থন করছেন বুলবুল। পাঁচতারা হোটেলের কক্ষ থেকে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে পুরোনো দিনগুলো মনে পড়েছে তাঁর। বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমার রুম থেকে মাঠের পিচটা দেখা যায়। তাকিয়ে মনে পড়ছিল, আমি, আকরাম, সুমন, রফিক, মনি—আমরা কত খেলেছি এখানে। ‘এ’ দলের ম্যাচ, টেস্ট ম্যাচ। মনে আছে ওয়াকার ইউনুস, ওয়াসিম আকরাম, শোয়েব আখতারদের বিপক্ষে খেলেছি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও টেস্ট খেলেছি। তখন ছোট্ট তামিম বাউন্ডারির ধারে দাঁড়িয়ে গল্প করত। সেসব দিন আবার চোখের সামনে ভেসে উঠল।’
চট্টগ্রামে দুটি বড় ভেন্যু থাকায় ভবিষ্যতে বড় ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেখছেন তিনি। বুলবুল বলেন, ‘এক শহরে যদি দুটি ভেন্যু থাকে, তাহলে যেকোনো বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করা সম্ভব। ২০২৭ সালে আমরা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই শহরেই বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন নিয়ে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে আলাপ-আলোচনা। কে হবেন পরিচালক, কে হবেন সভাপতি—এসব নিয়ে চলছে নানা জল্পনাকল্পনা। এমনকি নির্বাচন না হয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করার কথাও শোনা যাচ্ছে। আলোচনায় আছেন বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও।
সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) চাইলে বর্তমান সভাপতি বুলবুল পরিচালক পদে থেকে বিসিবি সভাপতির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে পারেন। বর্তমানে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্বে থাকা নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সঙ্গে তিনিও এনএসসির মাধ্যমে কাউন্সিলর হয়ে সরাসরি পরিচালক হিসেবেই বোর্ডে এসেছেন। এই দায়িত্বের বাইরে গিয়ে তাঁদের দুজনের ভিন্নভাবে বোর্ড কাউন্সিলর হওয়ার অন্য কোনো পথ এখন নেই।
এমন পরিস্থিতিতে আপাতত নির্বাচন নিয়ে তেমন কিছু ভাবছেন না বুলবুল। চট্টগ্রামে আঞ্চলিক টি–টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে গিয়ে আজ দুপুরে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন হলে মানুষ সঠিক ব্যক্তিকে বেছে নেয়। এটা আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আমি হঠাৎ করেই এখানে এসেছি, দায়িত্ব নিয়েছি। এর আগে আমার স্থায়ী চাকরি ছিল। সেটা ছেড়ে দেশের জন্য এসেছি। যতদিন সম্ভব দেশের জন্য কাজ করে যাব। এরপর কী হবে, সেটা আমার হাতে নেই। আমি আর ফাহিম ভাই দুজনই এনএসসির মনোনীত কাউন্সিলর। প্রথমে এনএসসি আমাকে কাউন্সিলর করবে, এরপর বোর্ড গঠন করা হবে, তারপর পরিচালকেরা ভোট দিয়ে সভাপতি বানাবেন। এটা এখনো অনেক দূরের বিষয়। আপাতত নিজের বর্তমান কাজেই মনোযোগ দিচ্ছি।’
চট্টগ্রামে গিয়ে স্মৃতিরোমন্থন করছেন বুলবুল। পাঁচতারা হোটেলের কক্ষ থেকে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে পুরোনো দিনগুলো মনে পড়েছে তাঁর। বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমার রুম থেকে মাঠের পিচটা দেখা যায়। তাকিয়ে মনে পড়ছিল, আমি, আকরাম, সুমন, রফিক, মনি—আমরা কত খেলেছি এখানে। ‘এ’ দলের ম্যাচ, টেস্ট ম্যাচ। মনে আছে ওয়াকার ইউনুস, ওয়াসিম আকরাম, শোয়েব আখতারদের বিপক্ষে খেলেছি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও টেস্ট খেলেছি। তখন ছোট্ট তামিম বাউন্ডারির ধারে দাঁড়িয়ে গল্প করত। সেসব দিন আবার চোখের সামনে ভেসে উঠল।’
চট্টগ্রামে দুটি বড় ভেন্যু থাকায় ভবিষ্যতে বড় ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেখছেন তিনি। বুলবুল বলেন, ‘এক শহরে যদি দুটি ভেন্যু থাকে, তাহলে যেকোনো বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করা সম্ভব। ২০২৭ সালে আমরা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই শহরেই বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব।’

ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
১ ঘণ্টা আগে
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ আর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলছে একই সমান্তরালে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দল এবার মুখোমুখি হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। তবে জিমি নিশামের কাছে ভারত সিরিজের চেয়ে বিপিএলের গুরুত্ব বেশি।
২ ঘণ্টা আগে
নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে কোনোভাবেই ভারতে দল পাঠাবে না সংস্থাটি। শেষ পর্যন্ত বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আইসিসিও বিকল্প ভেবে রেখেছে। আইসিসির সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে এএফপি।
৩ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। যদি বাংলাদেশ না খেলে, সেক্ষেত্রে পাকিস্তানও বিশ্বকাপে খেলবে না বলে গতকাল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তাতে সালমান আলী আগা-ফাহিম আশরাফদের বিশ্বকাপ বয়কট
৪ ঘণ্টা আগে