
বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের আগে বিসিবিতে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন। তিনি জানিয়েছিলেন, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই তাঁর শেষ। একই সময়ে আইরিশদের বিপক্ষে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দলে ব্যাটিং কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আয়ারল্যান্ড সিরিজ শেষে এখন বিসিবির সিদ্ধান্ত, বর্তমানে যেভাবে কাজ করছেন, এভাবেই দুজন চালিয়ে যাবেন জাতীয় দলে।
জাতীয় দলে নিজের দায়িত্বে থাকার বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে আজ সালাহ উদ্দীন বলেন, ‘আছি, আমি আছি।’ কোন অভিমানে তখন পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া, এ প্রশ্নে সালাহ উদ্দীন বলেন, ‘সেটা বলতে চাচ্ছি না। এটা আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। ঠিক হয়ে গেছে।’ আর সালাহ উদ্দীনের পদত্যাগপত্র নিয়ে বিসিবির পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম বলেন, ‘তখন সে এসেছিল (পদত্যাগপত্র নিয়ে)। ওটা ওখানেই শেষ হয়ে গেছে।’
লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্তদের ব্যাটিংটা সালাহ উদ্দীনই মূলত দেখভাল করেন। আশরাফুলকে বিশেষজ্ঞ ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্য। সালাহ উদ্দীন যেহেতু থাকছেন, তাহলে আশরাফুলের ভবিষ্যৎ কী—বিসিবির পরিচালনা বিভাগের প্রধান ফাহিম বলেন, ‘যারা আছে। সবাই চালিয়ে যাবে। বাংলাদেশ দলে এখন খুব ভালো পরিবেশ আছে। আমরা চাই সেটা বজায় থাকুক।’
জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের কাজটা দারুণ উপভোগ করছেন আশরাফুল। আয়ারল্যান্ড সিরিজে শিষ্যদের ব্যাটিং কেমন লাগল, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘একটা ম্যাচ বাদ দিয়ে সবই বাকি ছিল। সবার ব্যাটিং দেখে মনে হয়েছে, নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করেছে।’

একটা সময় ইকুয়েডর-আইভরি কোস্ট ম্যাচের পরিণতি গোলশূন্য ড্রই মনে হচ্ছিল। সেই ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে জিতল আইভরি কোস্ট।
৩৫ মিনিট আগে
খেলা শেষের বাঁশি বাজার মিনিট দশেকের মধ্যেই জাপানি সমর্থকেরা তাঁদের উদযাপনের গতি থামিয়ে দিলেন। ব্যাগ থেকে বেরোল নীল আর সাদা রঙের বড় বড় প্লাস্টিকের প্যাকেট। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। হাজার হাজার মানুষের ফেলে যাওয়া চিপসের ঠোঙা, ওয়ানটাইম ফুড ট্রে, কোমল পানীয়ের খালি কাপ—সব একটা একটা করে কুড়িয়ে ব্যা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষোভ প্রকাশের অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) উরুগুয়ের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলানের ২০১০ সালের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করে এইউএফ। সেবারও দলের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের আগের দিন চার্টার্ড ফ্লাইট এক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের বয়স তখন ৮৯ মিনিট। জয়ের সুবাস নিয়ে মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাচরা। ঠিক তখনই টেক্সাস স্টেডিয়ামে ব্লু সামুরাইদের প্রাণ ফেরালেন দাইচি কামাদা। শেষ মুহূর্তে তাঁর নাটকীয় গোলে নেদারল্যান্ডসের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নেয় জাপান। ৪ গোলের থ্রিলারে তাই ২-২ ব্যবধানের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দুই দল।
৪ ঘণ্টা আগে