
ভারতীয় ক্রিকেট তো বটেই, এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটেই বড় আলোচনার খোরাক বিরাট কোহলির অফ ফর্ম। কোনো কিছুতেই যেন কাজ হচ্ছে না! পুরোনো কোহলিকে আদৌ আর দেখা যাবে না—এ নিয়েও কথা হচ্ছে চারদিকে।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) চাইছে অন্তত এশিয়া কাপের আগে কোহলিকে যেন ছন্দে ফেরানো যায়। সাবেক ভারতীয় অধিনায়ককে ফর্মে ফেরানোর লক্ষ্যে জুনিয়রদের সঙ্গে তাঁকে জিম্বাবুয়ে সফরে পাঠানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বিসিসিআই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, জাতীয় নির্বাচকেরা চাইছেন এশিয়া কাপের আগে ফর্মে ফেরার মঞ্চ হিসেবে জিম্বাবুয়ে সফরের ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামুন কোহলি। বিসিসিআই সূত্রে নির্বাচকদের এমন ভাবনার কথা জানা গেছে। বোর্ডের এক সূত্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, ‘জাতীয় নির্বাচকদের বৈঠকের আগে এখনো বেশ কিছুদিন সময় আছে। তবে পরিকল্পনা হলো, জিম্বাবুয়ে সফরের ওয়ানডে সিরিজে, যে সংস্করণে কোহলি অত্যন্ত সফল, ফর্মে ফিরতে সেই মঞ্চটাকে ব্যবহার করুক কোহলি।’
কোহলি ছাড়া দলের বেশির ভাগ সিনিয়রকে এই জিম্বাবুয়ে সফরে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। লোকেশ রাহুল অথবা শিখর ধাওয়ানের কেউ একজন নেতৃত্ব দিতে পারেন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে। এশিয়া কাপের আগে ১৮ থেকে ২২ আগস্টের মধ্যে জিম্বাবুয়েতে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচে মাঠে নামবে ভারত। কোহলির অফ ফর্ম ভারতীয় দলের দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ। তাই কোহলিকে ছন্দে ফেরাতে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আসছে বিসিসিআই। তবে কোনোটিতেই কাজ হচ্ছে না।
আইপিএলে ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে বিশ্রামে ছিলেন কোহলি। পরে আয়ারল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও মাঠে নামেননি তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজেও নিজেকে খুঁজে ফিরেছেন কোহলি। ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে দূরে থাকতে কোহলির অনুরোধে তাঁকে ক্যারিবীয় সফরের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে রাখা হয়নি। এই বিরতির পর জিম্বাবুয়ে সফর দিয়ে রানে ফিরুক কোহলি, আপাতত নির্বাচকদের ভাবনা এমনই।

বিশ্বকাপ আর ব্রাজিলের সম্পর্কটা যেন এক চিরন্তন রোমাঞ্চের গল্প। ১৯৩০ সালে টুর্নামেন্টের সূচনা থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিটি আসরে অংশ নেওয়া একমাত্র দল তারা। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের নামের ভারটাই আলাদা। কিন্তু ২০০২ সালের পর থেকে সোনালি ট্রফিটা সেলেসাওদের জন্য কেবলই এক মরীচিকা হয়ে আছে। দীর্ঘ ২৪ বছরের সে
৩ মিনিট আগে
নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোস। নামটা শুনলেই সবার আগে আসবে ইউএস ওপেন। ইউএস ওপেনের ভেন্যুই তো এটি। সেই টেনিস ভেন্যুতে কিনা প্রথমবারের মতো পা রাখা জোকোভিচ-আলকারাজদের কোনো দ্বৈরথ দেখতে নয়; বিখ্যাত টেনিস কোর্টে প্রথমবারের মতো আসা ফুটবল উপলক্ষে।
২৬ মিনিট আগে
চাপের মুখে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কিছুটা দার্শনিক ঢঙে ভয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘ভয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এটি জীবন বাঁচায়। আপনার মনে যদি ভয় না থাকে, তবে সিংহকেও বিড়ালের মতো মনে হতে পারে। ম্যাচ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থাকা ভালো, এতে দল নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে পারে।’
৪ ঘণ্টা আগে
কোচের এই সাহসী সিদ্ধান্ত ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয় মাত্র ১২১ সেকেন্ডের মধ্যে। ৭৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ইসমায়েল কোনের চমৎকার এক পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বসনিয়ান ডিফেন্ডারকে বোকা বানান লারিন। এরপর ডান পায়ের নিখুঁত ভলিতে বল জড়িয়ে দেন বসনিয়ার জালে।
৫ ঘণ্টা আগে