ভারতীয় ক্রিকেটে দীর্ঘদিন চলেছে রবি শাস্ত্রী-বিরাট কোহলি যুগ। গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শাস্ত্রী কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিলে বিরাট-শাস্ত্রী রসায়নের ছেদ পড়ে। কোহলিও টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডের অধিনায়কত্ব ছাড়েন। এরপর আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ হারের পর আজ ছাড়লেন টেস্টের অধিনায়কত্বও।
দীর্ঘ সাত বছর ভারতের টেস্ট অধিনায়কত্বের পর বিদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এটাই সঠিক সময় মনে হয়েছে কোহলির। এই সময়ে নিজেকে ভারতের টেস্ট ইতিহাসে সেরা অধিনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর তাই প্রশংসা আর শুভেচ্ছায় ভেসে যাচ্ছেন সময়ের অন্যতম সেরা এই টেস্ট ক্রিকেটার। কিন্তু এর মধ্যে কোহলিকে বিশেষ বার্তা দিলেন ভারতের সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রী। নিজের বিদায়ী বার্তায় কোহলি যে দুজনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, এর মধ্যে শাস্ত্রী একজন।
শাস্ত্রীও তাই আবেগ চেপে রাখতে পারলেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবেগঘন এক বার্তায় শাস্ত্রী বলেন, ‘বিরাট, তুমি গর্বের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বিদায় নিতে পার। তুমি অধিনায়ক হিসেবে যা যা কৃতিত্ব গড়েছ, তেমনটা খুব কমজনই করতে পেরেছে। নিঃসন্দেহে তুমিই ভারতের সবচেয়ে আগ্রাসী আর সফলতম অধিনায়ক। এটা আমার কাছে খুবই দুঃখের একটা দিন, কারণ এই ভারতীয় দলটা আমরা দুজনে একত্রে তৈরি করেছি।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২১ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে