বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ—আজ দুই দলের জন্যই এমন একটা ম্যাচ, যারা জিতবে তারা টিকে থাকবে, আর যারা হারবে তাদের বিশ্বকাপ শেষ। দুই দলের জন্যই বলতে গেলে ম্যাচটি অগ্নিপরীক্ষা। অতীতের সব হতাশা মুছে সেই পরীক্ষায় বাংলাদেশ জিতবে–এই আশা করছি।
তবে মন খারাপের কথা হলো, আমাদের খেলাতে এখন পর্যন্ত কোনো ধারাবাহিকতা দেখিনি। যে দুটি ম্যাচ জিতেছি, সেখানে বাংলাদেশ দুর্দান্ত লড়াই করেছে। কিন্তু এই দুটি ম্যাচ জেতার পর যে আত্মবিশ্বাস আর ফর্মের ধারাবাহিকতা থাকার কথা ছিল, সেটি আমরা পরে আর দেখছি না। আমার মনে হয়, আত্মবিশ্বাসটা হারিয়ে ফেলেছি। সেটি না থাকার কারণেই আমরা ভালো খেলতে পারছি না।
আজ জিততে হলে আমাদের শুরু থেকেই ভালো করতে হবে। বলা হয়ে থাকে ওপেনিং জুটিই ইনিংসের সুর বেঁধে দেয়। তারা ভালো শুরু এনে দিলে পরেরটা ভালো হয়ে যায়। কিন্তু আমাদের সুরের তাল কেটে যাচ্ছে শুরুতেই।
প্রতিদিন শুরুতেই উইকেট পড়ে যাবে, এরপর সেই চাপ কাটাতে অন্য ব্যাটাররা দেখেশুনে খেলবে সেটি আসলে টি-টোয়েন্টিতে হয় না। সেখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা পাওয়ার প্লের যথেষ্ট ব্যবহার করতে পারছি না। একদিকে রান হচ্ছে না, অন্যদিকে উইকেট পড়ে যাচ্ছে। আমার মনে হয়, উইকেট পড়ে যাওয়াটাই বড় সমস্যা। আজ ওপেনারদের কাছ থেকে দারুণ শুরু চাই। আর একটা বিষয়, আমরা যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ১২০-১২৫ রান করে জেতার আশা করি, তাহলে ভুল হবে।
ক্রিকেটারদের দেখে মনে হচ্ছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে জিততে হেরে যাওয়ার ধকলে তাদের আত্মবিশ্বাসে টান পড়েছে। সেটির ছাপ পড়ছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও। আমি বলব, এখনো অতীতের পৃথিবীতে পড়ে না থেকে, উচিত হবে সামনের দিকে তাকানো। মনেপ্রাণে চেষ্টা করতে হবে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলার দিকেই।
বাংলাদেশ দলের একাদশ নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে আমার মনে হয়েছে, একাদশ নিয়ে অসন্তুষ্ট হওয়ার মতো কিছু দেখিনি। ফল ভালো হচ্ছে না বলেই ছোট ছোট বিষয়গুলোও বড় হয়ে সামনে আসছে। তবে আজ হয়তো একাদশে পরিবর্তন এনে চেষ্টা করা হতে পারে।
নামিবিয়ার মতো ছোট দলের ভালো খেলা নিয়ে চারপাশে প্রশংসা ঝরছে। অনেকে আবার আমাদের সঙ্গে তাদের তুলনাও টানছে। আমি মনে করি, এটা ভুল। আমরা আমাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারলে যেকোনো দলকেই হারাতে পারব। আজ বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ক্রিকেটাররা তিন বিভাগেই তাদের সেরাটা দেবে বলেই আমার বিশ্বাস।
অনেকে বলছেন, দল নিয়ে চারপাশে নানা কথা হচ্ছে, তার প্রভাব পড়ছে ক্রিকেটারদের ওপর। আমি এটি মানতে নারাজ। কেননা, মানুষ মানুষের মতো করে কথা বলবে। সবার মুখ তো আটকাতে পারবে না। ক্রিকেটারদের এসব কথা শোনার দরকার নেই। দিন শেষে পারফরম্যান্সটাই মানুষ দেখবে। সেটি ভালো হলে সবাই বাহবা দেবে। খারাপ করলে দোষ খুঁজবে। এটাই তো হয়ে আসছে চিরকাল।
দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারে আরব আমিরাত থেকে আসা দারুণ এক জয়ের খবরে। আজ হোক না সেটি।

তামিম ইকবালের রেকর্ড ভাঙতে মুশফিকুর রহিমের প্রয়োজন ছিল কেবল তিনটি ছক্কা। হারারেতে আজ তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরু হওয়া সিরিজের একমাত্র টেস্টে মুশফিকের নতুন রেকর্ড গড়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু ছক্কা তো দূরে থাক, মুশফিক দুই অঙ্কের রানও করতে পারেননি। বাংলাদেশও প্রথম দিন থেকেই
৩ মিনিট আগে
এক ক্লাবে দীর্ঘ ১৫-২০ বছর খেলার উদাহরণ বর্তমানে দেখা যায় না বললেই চলে। কখনো ক্লাবগুলোর সঙ্গে ফুটবলারদের চুক্তি ফুরিয়ে যায়। অনেক সময় নানান ঘটনায় খেলোয়াড়েরা স্বেচ্ছায় ক্লাব বদলান। থিয়াগো আলমাদা যে ক্ষণে ক্ষণে ক্লাব পরিবর্তন করা ফুটবলারদের এক জন। সাত বছরের ক্যারিয়ারে পাঁচটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলছেন তিন
২৯ মিনিট আগে
থ্রিলার মুভির গল্পও যেন হার মানতে বাধ্য। অনেকেই হয়তো বুঝতে পেরেছেন এখানে আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ম্যাচের কথা বলা হচ্ছে। কানসাস সিটিতে বাংলাদেশ সময় আজ সকালে যে ম্যাচটি হয়েছে, সেটাকে বর্ণনা করতে গিয়ে ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিক। একই সঙ্গে ম্যাচটিকে ঘিরে যে ‘ষড়যন্ত্র-তত্ত্ব’ ভেসে বেড়াচ্ছে
১ ঘণ্টা আগে
জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশ প্রায় গেলেও তখন হয় শুধু সাদা-বলের ক্রিকেট। টেস্ট মাঠে গড়ায় না বললেই চলে। অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সেই হারারেতে বাংলাদেশ খেলছে টেস্ট। শুরুতে স্বাগতিকদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে পড়লেও নাজমুল হোসেন শান্ত-মুমিনুল হকরা ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে