২০২২ টি-টেন লিগে বাংলা টাইগার্সের অধিনায়ক হলেন সাকিব আল হাসান। সাকিবসহ এই দলে বাংলাদেশি ক্রিকেটার আছেন নুরুল হাসান সোহান এবং মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
গতকাল বাংলা টাইগার্স তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে সাকিবের অধিনায়ক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বাংলা টাইগার্স লিখেছে, ‘সাকিব আল হাসান। ষষ্ঠ আবুধাবি টি-টেন লিগে আমাদের দলের অধিনায়ক।’
এবারের টি-টেন লিগে আছেন পাঁচজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। সাকিব, সোহান, মৃত্যুঞ্জয় ছাড়া আছেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং তাসকিন আহমেদ। টিম আবুধাবিতে আছেন মোস্তাফিজ এবং ডেকান গ্ল্যাডিয়েটর্সে আছেন তাসকিন।
২৩ নভেম্বর থেকে আট দল নিয়ে শুরু হবে টি-টেনের ষষ্ঠ মৌসুম। আর শেষ হবে ৪ ডিসেম্বর। দলগুলো হচ্ছে বাংলা টাইগার্স, চেন্নাই ব্রেভস, ডেকান গ্ল্যাডিয়েটরস, দিল্লি বুলস, নর্দার্ন ওয়ারিয়র্স, টিম আবুধাবি, মরিসভিল স্যাম্প আর্মি ও নিউ ইয়র্ক স্ট্রাইকার্স। এখানে মরিসভিল স্যাম্প আর্মি ও নিউ ইয়র্ক স্ট্রাইকার্স—এই দল দুটি প্রথমবার খেলবে এবারের টুর্নামেন্টে।
বাংলা টাইগার্স স্কোয়াড:
সাকিব আল হাসান (আইকন ও অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, মোহাম্মদ আমির, শ্রীসান্থ, কলিন মুনরো, এভিন লুইস, হযরতউল্লাহ জাজাই, জো ক্লার্ক, বেন কাটিং, বেনি হাওয়েল, ড্যান ক্রিশ্চিয়ান, মাথিসা পাথিরানা, জ্যাক বল, চিরাগ সুরি, রোহান মোস্তফা এবং উমাইর আলি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই এখন আম্পায়ারিং করতে দেখা যায় শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে খুব কম সময়েই বদলাতে পারেন ক্রিকেটাররা। আজ রিশাদ হোসেনও হার মেনে গেলেন সৈকতের কাছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি এক পোস্ট দেওয়ার পর ইমাম-উল-হক বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন। অনেকেই পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটারের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এবার তিনি মুখ খুলেছেন। পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটারের দাবি, অনেকেই না জেনে বুঝে কথাবার্তা বলেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। ভেন্যু স্থানান্তরের দাবি থেকে সরে না আসায় ইরান এই ফুটবল মহাযজ্ঞে অংশ নেবে কি নেবে না, তা সূতোয় ঝুলছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ালি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের মাঠ রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে সংঘর্ষ এত তীব্র আকার ধারণ করে যে লাল কার্ড তো দেখানো হয়ই। এমনকি বাধ্য হয়ে ম্যাচ বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলেও দেখা গেছে তেমন তুলকালাম ঘটনা।
৭ ঘণ্টা আগে