কাগজ-কলমে দুই দলের ব্যবধানটা আকাশ-পাতাল। একপাশে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৪ নম্বরে থাকা তারকাখচিত ইংল্যান্ড, অন্যপাশে ৪৬ নম্বরে থাকা ডিআর কঙ্গো। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপের সেরা হয়েই শেষ বত্রিশে পা রেখেছে টমাস টুখেলের শিষ্যরা, আর কঙ্গো এসেছে ‘কে’ গ্রুপের তৃতীয় দল হিসেবে। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে ইতিহাস বা পরিসংখ্যান সব সময় কথা বলে না।
আজ যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় যখন ডিআর কঙ্গোর মুখোমুখি হবে, তখন ম্যাচটি মোটেও সহজ হবে না ‘থ্রি লায়নস’দের জন্য। অনেকেই তো এই ম্যাচটিতে বড় কোনো অঘটনের সুবাস পেতে শুরু করেছেন।
আসলে কঙ্গোর এই নকআউট পর্বে আসার গল্পটাই রূপকথার মতো। কলম্বিয়া, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল এবং উদীয়মান শক্তি উজবেকিস্তানের মতো ‘গ্রুপ অব ডেথ’ থেকে ৪ পয়েন্ট তুলে নেওয়া চাট্টিখানি কথা ছিল না। বিশেষ করে শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে কঙ্গো বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা কেবল সংখ্যা পূরণের জন্য বিশ্বকাপে আসেনি।
পর্তুগাল-কলম্বিয়ার মতো পরাশক্তিদের বিপক্ষে ৫-৩-২ ফরমেশনে খেলে সফল হওয়া কঙ্গো এই ম্যাচেও একই রণকৌশল বেছে নিতে পারে। অধিনায়ক শাঁসেল এমবেম্বার নেতৃত্বে এক দুর্ভেদ্য দেয়াল তুলে রক্ষণ সামলানোই হবে তাদের প্রধান কাজ। বলের দখল নিজেদের কাছে রাখার চেয়ে কঙ্গোর মূল চোখ থাকবে প্রতি-আক্রমণে। নিউক্যাসলের উইঙ্গার ইয়োয়ান উইসা ও রিয়াল বেতিসের ফরোয়ার্ড সেড্রিক বাকাম্বুর গতিকে কাজে লাগিয়ে ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে ফাঁকি দেওয়ার অপেক্ষায় থাকবে মধ্য আফ্রিকার দলটি।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ৭ পয়েন্ট পেলেও ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল দলের ধারাবাহিকতা নিয়ে খুব একটা স্বস্তিতে নেই। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে ইংল্যান্ড তাদের চেনা আক্রমণাত্মক রূপ দেখালেও, পরের ম্যাচেই ঘানার জমাট রক্ষণ ভাঙতে না পেরে গোলশূন্য ড্র করতে হয়েছে হ্যারি কেইনদের। আর পানামার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়টি নকআউটের কঠিন মঞ্চের জন্য কতটা আদর্শ প্রস্তুতি, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। এই ম্যাচেও টুখেল যথারীতি তাঁর প্রিয় ৪-২-৩-১ ফরমেশনেই দল সাজাবেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।
মাঝমাঠে রক্ষণের ঢাল হিসেবে এবং সেট-পিসে ভূমিকা রাখবেন অভিজ্ঞ ডেক্লান রাইস। আর মাঝমাঠ থেকে খেলা নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি থাকবে তরুণ তুর্কি জুড বেলিংহামের হাতে। উইং দিয়ে বুকায়ো সাকা, অ্যান্থনি গর্ডন ও ননি মাদুয়েকেদের পাস ধরে গোল করার মূল দায়িত্বে থাকবেন দলের নির্ভরতার প্রতীক হ্যারি কেইন।
তবু নকআউট পর্বের স্নায়ুচাপ সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সমীকরণ তৈরি করে। কাগজ-কলমে ইংল্যান্ড সব দিক থেকেই পরিষ্কার ফেবারিট হলেও চাপও থাকবে তাদেরই কাঁধে। অন্যদিকে কঙ্গো মাঠে নামবে হারানোর কিছু নেই—এমন এক ভয়ডরহীন মানসিকতা নিয়ে। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ইংলিশদের তারকাখচিত আক্রমণভাগের সামনে কঙ্গো-প্রাচীর কতটা শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

শেষ ষোলোর কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে হালান্ড বলেন, ‘সামনে দারুণ সব দলের মুখোমুখি হতে হবে। লড়াইটা বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে। তবে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি এবং এখনো আমাদের প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
২০ বছর পর আবারও ব্রাজিলের সামনে নরওয়ে। লক্ষ্য এবার ইতিহাস বদলানো। আর নরওয়ের চোখ থাকবে নতুন ইতিহাস গড়ার। আর্লিং হালান্ড–মার্টিন ওডেগার্ডদের নিয়ে গড়া সোনালি প্রজন্ম অঘটন ঘটাতে পারবে কি না, তা সময় বলে দেবে। নিউজার্সির মাঠে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
৩ ঘণ্টা আগে
হিউস্টনের গ্যালারিতে তখন রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা। জাপানের গড়া সেই দুর্ভেদ্য নীল দেয়ালে বারবার আছড়ে পড়ছে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্ন। ম্যাচের ভাগ্য যখন পেন্ডুলামের মতো দুলছে, ঠিক তখনই যেন সময় থমকে দাঁড়াল। বল পেয়ে প্রথমে নিজেই শট নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন ব্রুনো গিমারেস। কিন্তু সেকেন্ডের ভগ্নাংশে...
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের মুখোমুখি হচ্ছে নরওয়ে। ডালাসস্টেডিয়ামে আইভরি কোস্টকে আজ ২-১ গোলে হারিয়ে এই টিকিট নিশ্চিত করেছে তারা। পুরো ম্যাচ জুড়ে আফ্রিকান হাতিদের দাপট থাকলেও ৮৬ মিনিটে আর্লিং হালান্ডের করা জয়সূচক গোলটিই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। বিস্তারিত আসছে....
৪ ঘণ্টা আগে