
বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পর অস্ট্রেলিয়ার জন্য ব্যাখ্যা খোঁজা কঠিন নয়, কিন্তু স্বীকার করাটা সহজও নয়। স্টিভ স্মিথ অবশ্য অজুহাতের পথে হাঁটেননি। নিজেদের ব্যর্থতার চেয়ে বাংলাদেশের কৃতিত্বকেই সামনে এনেছেন অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটার। তাঁর চোখে, ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার মতো ক্রিকেটই খেলেছে বাংলাদেশ।
এবিসি স্পোর্টকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় স্মিথ বলেছেন, ‘হারের কারণটা খুবই সরল। বাংলাদেশ আমাদের উড়িয়ে দিয়েছে।’
অস্ট্রেলিয়ার হারটা কেবল তাদের খারাপ ব্যাটিংয়ের ফল নয়, বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল বেশি কার্যকর। বিশেষ করে প্রথম দিন সকালে বাংলাদেশের পেসাররা যে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছেন, সেটিই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে বড় চাপ তৈরি করে। সেই চাপ থেকে বের হতে পারেননি ব্যাটাররা।
স্মিথ বলেন, ‘প্রথম দিন সকালে বাংলাদেশ দারুণ বোলিং করেছে। তারা খুবই গোছানো ছিল। আমাদের ব্যাটাররা ততটা ডিসিপ্লিনড ছিল না।’
অস্ট্রেলিয়া অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। সেই ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাট থেকে এসেছে সেঞ্চুরিও। কিন্তু ম্যাচের পরিস্থিতি তখন এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে, যেখানে ব্যক্তিগত ভালো পারফরম্যান্স দিয়েও দলকে লড়াইয়ে ফেরানো কঠিন। প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়ার ব্যবধানটাই শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় হয়ে দাঁড়ায়।
স্মিথের ব্যাখ্যায়, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে আমাদের ব্যাটাররা ভালো করেছে। তবে প্রথম ইনিংসের লিডটা অনেক বেশি ছিল, সেটা আমাদের নাগালের বাইরে ছিল। উইকেট যদিও ভালো ছিল। অনেকে ভালো শুরু পেয়েছিল, তবে ইনিংস বড় করতে পারেনি।’
গ্রিনের সেঞ্চুরির কথাও আলাদা করে বলেছেন স্মিথ। তবে তাঁর মতে, এমন একটি ইনিংসের পাশে আরেকটি বড় ইনিংস না থাকায় অস্ট্রেলিয়ার লড়াইটা পূর্ণতা পায়নি। তিনি বলেন, ‘গ্রিন দারুণ একটা সেঞ্চুরি করেছে, তবে তাকে সঙ্গে দেওয়ার লোক ছিল না। টেস্ট জিততে কমপক্ষে ২০০–এর বেশি রানের লক্ষ্য দেওয়া দরকার ছিল। আর যেটা আগেই বললাম, আমাদের বাংলাদেশ উড়িয়ে দিয়েছে।’
হারলেও অবশ্য পুরো সিরিজ বা দলের সামগ্রিক অবস্থাকে এই একটি ম্যাচ দিয়ে বিচার করতে নারাজ স্মিথ, ‘আমরা অনেক দিন ধরে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলছি। এই সপ্তাহটাই শুধু খারাপ গেছে। হ্যাঁ, আমরা অনেক কিছু ভালো করতে পারতাম। তবে বাংলাদেশ যেভাবে খেলেছে, তাদের কৃতিত্ব দিতে হবে।’

ডারউইনে সাড়ে তিন দিনে শেষ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম টেস্ট। এক দিকে বাংলাদেশকে নিয়ে চলছে প্রশংসা। তেমনি ৯ উইকেটে হারের পর মুদ্রার উল্টাপিঠ দেখছে অজিরা। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোতে এই হারকে বলা হচ্ছে ‘লজ্জাজনক’। প্যাট কামিন্স-ট্রাভিস হেডদের ধুয়ে দিয়েছেন রিকি পন্টিংও।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবারই যে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জিতেছে তা নয়। এর আগেও তিন সংস্করণে জয়ের কীর্তি রয়েছে নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমদের। তবে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাঠে টেস্টে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের উদযাপনটা তাই বাঁধনহারা।
৩ ঘণ্টা আগে

ডারউইনে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। যে অস্ট্রেলিয়ায় সবশেষ ২০০৩ সালে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ, নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে ২৩ বছর পর সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে এশিয়ার এই দলটি। ঐতিহাসিক জয়ের পর ক্রিকেট বিশ্বে চলছে বাংলাদেশ বন্দনা।
৪ ঘণ্টা আগে