
ডাগআউটে মাস্টারমাইন্ড লিওনেল স্কালোনির শততম ম্যাচ, আর মাঠে লিওনেল মেসির ৩০তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। এমন এক স্মরণীয় রাতে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে কেপ ভার্দের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা।
মায়ামিতে কেপ ভার্দের বিপক্ষে আজ মাঠে নামার সঙ্গেই সঙ্গেই ফুটবল ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে ৩০টি ম্যাচ খেলার অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন লিওনেল মেসি। ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে অভিষেকের পর টানা পাঁচটি আসরে নিজের অবিশ্বাস্য ফর্ম ও ফিটনেস ধরে রেখে এই চূড়ায় পৌঁছালেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর। লোথার ম্যাথাউস (২৫ ম্যাচ) ও মিরোস্লাভ ক্লোসাকে (২৪ ম্যাচ) অনেক আগেই ছাড়িয়ে যাওয়া মেসি আজ নিজেকে নিয়ে গেলেন এমন এক উচ্চতায়, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক প্রকার অসম্ভবই বলা চলে।
মেসির রেকর্ডের রাতে আর্জেন্টিনার ডাগআউটে কোচ হিসেবে শততম ম্যাচ পূর্ণ করলেন লিওনেল স্কালোনি। এই গৌরবময় পথচলায় আলবিসেলেস্তেদের মোট ৪টি আন্তর্জাতিক শিরোপা এনে দিয়েছেন তিনি। ১০০ ম্যাচে তাঁর রেকর্ড ৭২ জয়, ১৮ ড্র এবং মাত্র ৯টি হার; সাফল্যের হার চোখধাঁধানো ৭৯ শতাংশ। শিরোপার পাশাপাশি স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনার পাসিং ফুটবলেও এসেছে পরিবর্তন।
ঐতিহাসিক এই ম্যাচে কৌশলগত কারণে শুরুর একাদশে একটি বড় পরিবর্তন এনেছেন স্কালোনি। লেফট-ব্যাক পজিশনে অভিজ্ঞ নিকোলাস তালিয়াফিকোকে বেঞ্চে রেখে আজ সুযোগ দেওয়া হয়েছে ফাকুন্দো মেদিনাকে। গোলপোস্টের নিচে যথারীতি বিশ্বস্ত হাত এমিলিয়ানো মার্তিনেস। রক্ষণভাগে মেদিনার সঙ্গী নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেস। মধ্যমাঠের চাবিকাঠি থাকছে রদ্রিগো দে পল, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও এনসো ফার্নান্দেসের পায়ে। আর আক্রমণভাগে অধিনায়ক মেসির সঙ্গে জুটি বাঁধবেন লাউতারো মার্তিনেস ও থিয়াগো আলমাদা।
আর্জেন্টিকার শুরুর একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেস; নাউয়েল মলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ফাকুন্দো মেদিনা; রদ্রিগো দে পল, মাক আলিস্তার, এনসো ফার্নান্দেস; লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেস ও থিয়াগো আলমাদা।

এজন্যই তারা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদেরও কোনোভাবে ছাড় দিচ্ছে না। লিওনেল মেসির গোলে সহজেই শেষ ষোলোয় পা রাখার স্বপ্ন দেখা আর্জেন্টিনা অবশেষে ধাক্কা খেল। ৫৯ মিনিটে দেরোয় দুয়ার্তের গোলে ম্যাচে ১–১ সমতা ফিরিয়েছেে কেপ ভার্দে।
৪১ মিনিট আগে
তবে ম্যাচের ২৯ মিনিটে আর শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। লিসান্দ্রো মার্তিনেসের বাড়ানো চমৎকার এক পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নেন মেসি। এর পর গোলপোস্ট থেকে মাত্র সাত গজ দূর থেকে চোখের পলকে নেওয়া এক জোরাল শটে বল জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে ১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এককভাবে সর্বোচ্চ ১২টি
১ ঘণ্টা আগে
কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাসের পাতায় আরও একটি অনন্য রেকর্ড নিজের করে নিলেন লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি গোলে অবদান রাখার কীর্তিতে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে এবং ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পেকে
১ ঘণ্টা আগে
লিওনেল মেসির চমৎকার গোলে কেপ ভার্দের বিপক্ষে এগিয়ে গেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের (রাউন্ড অব ৩২) হাইভোল্টেজ ম্যাচে প্রথমার্ধের লড়াইয়ে এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে আলবিসেলেস্তেরা।
১ ঘণ্টা আগে