
মিসরের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে তিনটি পরিবর্তন এনেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ বত্রিশের ম্যাচে ৩-২ গোলে জয়ের একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন লাউতারো মার্তিনেস, থিয়াগো আলমাদা ও ফাকুন্দো মেদিনা। তাঁদের জায়গায় আজকের ম্যাচে শুরু থেকে খেলবেন হুলিয়ান আলভারেস, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও নিকোলাস তালিয়াফিকো।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে রাত ১০টায় শুরু হবে শেষ ষোলোর এই ম্যাচ। নকআউট পর্বে অভিজ্ঞতা ও ভারসাম্যের ওপর ভরসা রেখেই একাদশ সাজিয়েছেন স্কালোনি।
লাউতারোর বদলে আক্রমণভাগে লিওনেল মেসির সঙ্গী হয়েছেন হুলিয়ান আলভারেস। মাঝমাঠে থিয়াগো আলমাদার জায়গায় ফিরেছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আর লেফট ব্যাকে ফাকুন্দো মেদিনার পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন নিকোলাস তালিয়াফিকো।
অন্যদিকে গোলবারের নিচে আছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। রক্ষণে তাঁর সামনে নাউয়েল মোলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও তালিয়াফিকো। মাঝমাঠে রদ্রিগো দে পল, পারেদেস, এনসো ফের্নান্দেস ও আলেক্সিস মাক আলিস্তার। আক্রমণে মেসির সঙ্গে রয়েছেন আলভারেস।
আর্জেন্টিনার একাদশ
এমিলিয়ানো মার্তিনেস, নাউয়েল মোলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, নিকোলাস তালিয়াফিকো, রদ্রিগো দে পল, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, এনসো ফের্নান্দেস, আলেক্সিস মাক আলিস্তার, লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেস।

শুধু তা–ই নয়, টাইব্রেকার বাদে বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম ফুটবলারও হয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এর আগে গ্রুপ পর্বেও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে স্পটকিক থেকে ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি।
১ মিনিট আগে
আটলান্টা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটে বড় চমক দেখাল মিসর। আক্রমণে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে না পারলেও একটি সেট আক্রমণ থেকেই গোল পেয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে আফ্রিকার দলটি। তবে লিওনেল মেসি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি।
১৩ মিনিট আগে
ট্রাম্পের ফোনকলে ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড তুলে খেলানোর সুযোগ দেওয়ায় সমালোচনা কম হয়নি। তবে আজ সিয়াটলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে তাঁকে খেলালেও যুক্তরাষ্ট্র জয় পায়নি। হারের পর বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। বাদ যায়নি ইরানও।
৩৩ মিনিট আগে
চোট কাটিয়ে শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া, আর ঠিক শেষ সময়ে গোল করে দলকে জেতানো—মিকেল মেরিনোর গল্পটা যেন কোনো রোমাঞ্চকর সিনেমার চিত্রনাট্য। যুক্তরাষ্ট্রের আর্লিংটনের গ্যালারিতে যখন উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই স্প্যানিশ ফুটবলকে আরেকটি স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিলেন এই মিডফিল্ডার। গোলের পর কর্নার
১ ঘণ্টা আগে