
আমরা যখন ‘নাসা’ নিয়ে ভাবি, তখন আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে রকেট আর মহাকাশ অভিযান। এটিই স্বাভাবিক, কারণ মহাকাশ-সংক্রান্ত নাসার অন্যান্য অর্জনই সংবাদমাধ্যমে বেশি প্রকাশ পায়। তবে অনেকেই জানেন না, নাসার রকেট বা মহাকাশযানের পাশাপাশি নিজস্ব যুদ্ধবিমানের বহর রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে নাসা সামরিক ধাঁচের বিমান ব্যবহার করে আসছে, যেমন—এফ-১৫ ইগল ও এফ/এ-১৮ হর্নেট। ২০১৫ সালে নাসা একটি ভিডিও প্রকাশ করে। ভিডিওতে দেখা যায়, মাঝ আকাশে পাইলট এফ-১৫ডি ইগল যুদ্ধবিমানে কেসি-১৩৫ ট্যাংকার থেকে জ্বালানি ভরছেন। চ্যালেঞ্জিং এই কার্যক্রম কেবল পাইলটের দক্ষতাই নয়, বরং এই যুদ্ধবিমানগুলোর ক্ষমতা সম্পর্কেও একটি ধারণা দেয়।
নাসা এই যুদ্ধবিমানগুলোকে ডাকে ‘চেজ প্লেন’ নামে। এদের গতি অনেক বেশি। এগুলো তৈরি হয়েছে মার্কিন বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও মেরিন বাহিনীর জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে। তবে নাসা এই বিমানগুলোকে যুদ্ধের জন্য নয়, বরং তার মহাকাশযানের বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ ও তথ্য নথিভুক্তকরণের জন্য ব্যবহার করে। পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের সময় মহাকাশযানগুলোর পাশাপাশি উড়ে এসব যুদ্ধবিমান। আর সেগুলো মহাকাশযানগুলো পর্যবেক্ষণ করে।
নাসা সাধারণত পুরোনো যুদ্ধবিমানকেই পুনর্ব্যবহার করে। তাই এর বহরে সাম্প্রতিক সময়ের বহুল ব্যবহৃত নতুন ফাইটার জেট দেখা যায় না। সর্বশেষ ২০২১ সালে নাসা মার্কিন নৌবাহিনী থেকে একটি এফ/এ-১৮ সংগ্রহ করে। এটি এখন ব্যবহৃত হচ্ছে নাসার শব্দহীন সুপারসনিক এক্স-৫৯ বিমানের ফ্লাইট পর্যবেক্ষণ ও রেকর্ডিংয়ে।
নাসার কার্যক্রম কেবল যুদ্ধবিমানেই সীমাবদ্ধ নয়। সংস্থাটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পরিবহন এবং প্রশিক্ষণের জন্য নানা ধরনের ফাইটার জেট পরিচালনা করে। হিউস্টনের জনসন স্পেস সেন্টারসহ নাসার অন্য স্থাপনাগুলোতে ফাইটার জেটগুলো সংরক্ষণ করা হয়। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত মালামাল পরিবহন, বায়ুমণ্ডল গবেষণা বা নভোচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য এগুলো ব্যবহৃত হয়।
নাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হলো ‘এয়ারবর্ন সায়েন্স প্রোগ্রাম’। এই প্রোগ্রামের আওতায় এয়ারক্রাফটে বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত সেন্সর ও যন্ত্রপাতি যুক্ত করে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও পরিবেশ (যেমন—সমুদ্রের বরফস্তর ও হিমবাহ) নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে পৃথিবীর আকাশ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন, মৌসুমি বৈচিত্র্যসহ নানা তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
এ ছাড়া, নাসা নিজেই পরীক্ষামূলক এয়ারক্রাফট তৈরি করে। যেগুলো মূলত নতুন ধারণা, স্বয়ংক্রিয় ক্ষেপণাস্ত্র বা উন্নত উড়োজাহাজ প্রযুক্তির পরীক্ষা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। এসব প্রকল্প প্রমাণ করে, নাসা কেবল মহাকাশেই নয়, পৃথিবীতেও সমান সক্রিয়।
২০২৫ সালের জুলাই মাসেই নাসা দুটি বড় পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালিয়েছে এর কিছু বিমান ব্যবহার করে। এর মধ্যে একটি পরীক্ষা ছিল—মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিকে ভবিষ্যতের বিমান চলাচল ব্যবস্থার সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা। আর অন্যটি ছিল—যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সম্ভাব্য উৎস অনুসন্ধান।

পৃথিবীসহ সৌরজগতের সবকিছু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে ঘুরছে। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, সূর্যের বয়স এখন ৪৬০ কোটি বছর। পৃথিবী ও এর বাসিন্দাদের কিরণ-উত্তাপ দিয়ে টিকিয়ে রাখা এই নক্ষত্র আরও ৪৫০ থেকে ৫৫০ কোটি বছর বেঁচে থাকবে। এরপর সূর্যের মৃত্যুটা কেমন হতে পারে—সে আভাস বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি পেয়েছেন মহাকাশে একটি ন
১৫ দিন আগে
তিনি নিজের উদ্ভাবন আর দূরদর্শী চিন্তা দিয়ে আধুনিক বিশ্বের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন। সেই মহান বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলার শেষ জীবন কেটেছে চরম একাকিত্ব, দারিদ্র্য আর অবহেলায়। ১৯৪৩ সালের ৭ জানুয়ারি যখন নিউ ইয়র্কার হোটেলের একটি কক্ষে তাঁর নিথর দেহ পাওয়া যায়, তখন তাঁর পকেটে পড়ে ছিল মাত্র ৩৩ সেন্ট!
১৫ দিন আগে
হলিউডে পৃথিবীর ধ্বংস বা মহাপ্রলয়ের সিনেমা নতুন নয়। ‘টু থাউজেন্ড টুয়েলভ’ (২০১২) সিনেমায় পৃথিবীতে হঠাৎ বিশাল ফাটল সৃষ্টি হয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ কিংবা বিশাল সুনামিতে মানবসভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখানো হয়েছে। তবে বাস্তবে এমন নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে না।
১৬ দিন আগে
দিনে দিনে মশার উৎপাত বাড়ছে। বাড়ছে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের উপদ্রব। অন্যদিকে এবার বাংলাদেশ ও ভারতে বাদুড়বাহিত নিপাহ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সেই প্রকোপ মোকাবিলায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশ বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বন্দরে বিধিনিষেধ আরোপ ও স্বাস্থ্যপরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে।
১৭ দিন আগে