নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আরাফাত নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামায় জানিয়েছেন, তাঁর নগদ কোনো টাকা নেই; ব্যাংকেও কোনো অর্থ নেই। তবে স্ত্রীর নগদ ১ কোটি ২৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৩ টাকা আছে।
এ ছাড়া একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে দুজনই ঋণগ্রস্ত। যদিও মোহাম্মদ আলী আরাফাত গত জুলাইয়ে একই আসনে উপনির্বাচনের সময় দাখিল করা হলফনামায় নিজের নগদ ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬০৬ টাকা ছিল বলে উল্লেখ করেছিলেন। ওই সময় তাঁর স্ত্রীরও দেখিয়েছিলেন নগদ ৮৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৯ টাকা।
এবার হলফনামায় আরাফাত উল্লেখ করেছেন, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে শিক্ষকতা থেকে তিনি বছরে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করেন। এ ছাড়া শেয়ার, সঞ্চয়পত্র থেকে ৪৯ হাজার ২৬০ টাকা এবং ব্যাংক সুদ ও ডিভিডেন্ড থেকে ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪০ টাকা আয় হয়। সব মিলিয়ে বছরে আয় ১ কোটি ৩২ লাখ ৭৮ হাজার ৬০০ টাকা।
এ বিষয়ে কথা বলতে মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে একাধিকবার ফোন করা হলেও ধরেননি। হলফনামায় দেখা যায়, মোহাম্মদ আলী আরাফাতের রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর সার্কেলে একটি ফ্ল্যাট ছাড়া আর কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। ফ্ল্যাটটির মূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরিবারের কারও নামেও কোনো সম্পদ নেই।
আরাফাতের অস্থাবর সম্পদের তালিকায় স্টক এক্সচেঞ্জে ৯টি কোম্পানির শেয়ার আছে, যার মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৭১ হাজার ৪৬৩ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামেও আছে ২ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের শেয়ার। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে আরাফাত আরও উল্লেখ করেছেন ৩৪ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাড়ি এবং ৩ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী।
হলফনামায় আরাফাত জানান, একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তিনি ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৯১৩ টাকা দেনা। তাঁর স্ত্রীর নামেও একই প্রতিষ্ঠানে ৮ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে। চিত্রনায়ক ফারুকের মৃত্যুর পর শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনে উপনির্বাচনে আরাফাত জয়ী হন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আরাফাত নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামায় জানিয়েছেন, তাঁর নগদ কোনো টাকা নেই; ব্যাংকেও কোনো অর্থ নেই। তবে স্ত্রীর নগদ ১ কোটি ২৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৩ টাকা আছে।
এ ছাড়া একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে দুজনই ঋণগ্রস্ত। যদিও মোহাম্মদ আলী আরাফাত গত জুলাইয়ে একই আসনে উপনির্বাচনের সময় দাখিল করা হলফনামায় নিজের নগদ ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬০৬ টাকা ছিল বলে উল্লেখ করেছিলেন। ওই সময় তাঁর স্ত্রীরও দেখিয়েছিলেন নগদ ৮৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৯ টাকা।
এবার হলফনামায় আরাফাত উল্লেখ করেছেন, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে শিক্ষকতা থেকে তিনি বছরে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করেন। এ ছাড়া শেয়ার, সঞ্চয়পত্র থেকে ৪৯ হাজার ২৬০ টাকা এবং ব্যাংক সুদ ও ডিভিডেন্ড থেকে ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪০ টাকা আয় হয়। সব মিলিয়ে বছরে আয় ১ কোটি ৩২ লাখ ৭৮ হাজার ৬০০ টাকা।
এ বিষয়ে কথা বলতে মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে একাধিকবার ফোন করা হলেও ধরেননি। হলফনামায় দেখা যায়, মোহাম্মদ আলী আরাফাতের রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর সার্কেলে একটি ফ্ল্যাট ছাড়া আর কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। ফ্ল্যাটটির মূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পরিবারের কারও নামেও কোনো সম্পদ নেই।
আরাফাতের অস্থাবর সম্পদের তালিকায় স্টক এক্সচেঞ্জে ৯টি কোম্পানির শেয়ার আছে, যার মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৭১ হাজার ৪৬৩ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামেও আছে ২ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের শেয়ার। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে আরাফাত আরও উল্লেখ করেছেন ৩৪ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাড়ি এবং ৩ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী।
হলফনামায় আরাফাত জানান, একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তিনি ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৯১৩ টাকা দেনা। তাঁর স্ত্রীর নামেও একই প্রতিষ্ঠানে ৮ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে। চিত্রনায়ক ফারুকের মৃত্যুর পর শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনে উপনির্বাচনে আরাফাত জয়ী হন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতাটি দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন যে ৩০ জন নেতা এই সমঝোতা না করতে দলের আহ্বায়ককে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল মুশফিকের। মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এনসিপি ছাড়লেন।
২ ঘণ্টা আগে
আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের কোনো নেই কোনো গয়না, গাড়ি বা আসবাবপত্র। পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরও এক নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি হলেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন। তবে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেও রাজনীতি ছাড়ছেন না মুরসালীন।
৪ ঘণ্টা আগে