নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২৫ থেকে ৩০ শতাংশের বেশি ভোটার উন্নত দেশগুলোর নির্বাচনেও থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও গাজীপুর-১ আসনের নৌকার প্রার্থী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ভোটারের উপস্থিতি ছিল নির্বাচনে।
আজ রোববার বিকেলে গাজীপুরের জয়দেবপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রত্যাশা অনুযায়ী ভোটারদের কেন্দ্রে আনা যায়নি কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলোর নির্বাচনে কোনো খানে ২৫-৩০ পার্সেন্টের বেশি ভোটার নাই। আমেরিকাতেও না, ইংল্যান্ডেও না।’
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, লোকাল ইলেকশনে যেমন ভোটার হয়, জাতীয়তে সে পরিমাণে হয় না। কারণ লোকাল ইলেকশনে মেম্বার, চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, মেয়র সাহেবরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নিয়ে আসে, জাতীয় নির্বাচনে সেটা সম্ভব হয় না।
আ ক ম মোজাম্মেল হক আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য পার্সেন্টেজ উপস্থিতি ছিল। মানে এক-তৃতীয়াংশ।’
নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর এবং সুষ্ঠু ছিল জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘গ্রহণযোগ্যতো বটেই একটি অবাধ নির্বাচন আজ পুরো জাতি দেখেছে। যারা বলতেন শেখ হাসিনার আমলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না; আমার মনে হয় জনগণ তার জবাব দিয়েছে।’
এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘এত কিছুর পরেও নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ভোট আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রেডিবিলিটি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।’
নিজের জয়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ জনগণের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছে। তারাও আমাকে সেভাবে মূল্যায়ন করেছে। আশা করি, সেভাবেই তারা তাদের রায় দেবে।’

২৫ থেকে ৩০ শতাংশের বেশি ভোটার উন্নত দেশগুলোর নির্বাচনেও থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও গাজীপুর-১ আসনের নৌকার প্রার্থী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ভোটারের উপস্থিতি ছিল নির্বাচনে।
আজ রোববার বিকেলে গাজীপুরের জয়দেবপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রত্যাশা অনুযায়ী ভোটারদের কেন্দ্রে আনা যায়নি কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলোর নির্বাচনে কোনো খানে ২৫-৩০ পার্সেন্টের বেশি ভোটার নাই। আমেরিকাতেও না, ইংল্যান্ডেও না।’
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, লোকাল ইলেকশনে যেমন ভোটার হয়, জাতীয়তে সে পরিমাণে হয় না। কারণ লোকাল ইলেকশনে মেম্বার, চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, মেয়র সাহেবরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নিয়ে আসে, জাতীয় নির্বাচনে সেটা সম্ভব হয় না।
আ ক ম মোজাম্মেল হক আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য পার্সেন্টেজ উপস্থিতি ছিল। মানে এক-তৃতীয়াংশ।’
নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর এবং সুষ্ঠু ছিল জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘গ্রহণযোগ্যতো বটেই একটি অবাধ নির্বাচন আজ পুরো জাতি দেখেছে। যারা বলতেন শেখ হাসিনার আমলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না; আমার মনে হয় জনগণ তার জবাব দিয়েছে।’
এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘এত কিছুর পরেও নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ভোট আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রেডিবিলিটি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।’
নিজের জয়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ জনগণের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছে। তারাও আমাকে সেভাবে মূল্যায়ন করেছে। আশা করি, সেভাবেই তারা তাদের রায় দেবে।’

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৮ ঘণ্টা আগে