আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সাবেক সমাজ কল্যাণ ও খাদ্যসচিব ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া গ্রেপ্তার দেখানোর এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী আদালত পরিদর্শক আক্কাস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সকালে ইসমাইল হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।
গত ১৯ ডিসেম্বর নওগাঁ-১ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করে দুদক।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, দুদকের একটি তদন্ত দল দেখতে পেয়েছে যে সাধন চন্দ্র খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকাল অবৈধভাবে ২৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা উপার্জন করেছেন, যা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ। সাবেক এই মন্ত্রী ৬৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪৩ কোটিরও বেশি টাকার লেনদেনের সঙ্গেও জড়িত, যা মানি লন্ডারিংয়ের অংশ।
ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এজাহারে ইসমাইল হোসেনের নাম নেই। কিন্তু তদন্তে জানা গেছে ইসমাইল হোসেন খাদ্যসচিব থাকাকালে সাধন চন্দ্রকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেছেন। এ কারণে ইসমাইলকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।
আবেদনে আরও বলা হয়, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৪৩ কোটি ৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭৫ টাকা পাচারে সাবেক খাদ্যমন্ত্রীকে সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে ইসমাইলের বিরুদ্ধে।
উল্লেখ্য, গত ২০ ডিসেম্বর ইমিগ্রেশন পুলিশ ইসমাইলকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক করে। তখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পরে তাঁকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরদিন, ইসমাইলকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার পর দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে গত সোমবার ইসমাইলকে কারাগারে পাঠানো হয়।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সাবেক সমাজ কল্যাণ ও খাদ্যসচিব ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া গ্রেপ্তার দেখানোর এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী আদালত পরিদর্শক আক্কাস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সকালে ইসমাইল হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।
গত ১৯ ডিসেম্বর নওগাঁ-১ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করে দুদক।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, দুদকের একটি তদন্ত দল দেখতে পেয়েছে যে সাধন চন্দ্র খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকাল অবৈধভাবে ২৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা উপার্জন করেছেন, যা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ। সাবেক এই মন্ত্রী ৬৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪৩ কোটিরও বেশি টাকার লেনদেনের সঙ্গেও জড়িত, যা মানি লন্ডারিংয়ের অংশ।
ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এজাহারে ইসমাইল হোসেনের নাম নেই। কিন্তু তদন্তে জানা গেছে ইসমাইল হোসেন খাদ্যসচিব থাকাকালে সাধন চন্দ্রকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেছেন। এ কারণে ইসমাইলকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।
আবেদনে আরও বলা হয়, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৪৩ কোটি ৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭৫ টাকা পাচারে সাবেক খাদ্যমন্ত্রীকে সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে ইসমাইলের বিরুদ্ধে।
উল্লেখ্য, গত ২০ ডিসেম্বর ইমিগ্রেশন পুলিশ ইসমাইলকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক করে। তখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পরে তাঁকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরদিন, ইসমাইলকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করার পর দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে গত সোমবার ইসমাইলকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গুলশান বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশাআল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
৬ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন যে ৩০ জন নেতা এই সমঝোতা না করতে দলের আহ্বায়ককে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল মুশফিকের। মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এনসিপি ছাড়লেন।
৪ ঘণ্টা আগে