নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভোটের দিন অর্থাৎ ৭ জানুয়ারি হরতাল ডাকে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার প্রচেষ্টার জন্য বিএনপির ওপর কেন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসবে না, সে বিষয়টি খোদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচনের দিন দেওয়া বিএনপির হরতালের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির হরতাল-অবরোধ আমরা দেখেছি। হরতালের দিন আরও বেশি যানজট হয়। হরতাল-অবরোধ শুধু তাদের কর্মসূচিতে আছে বাস্তবে নেই।’ বিএনপির আন্দোলনকে মরচে ধরা হাতিয়ার বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন মরচে ধরা হাতিয়ার। এই মরচে ধরা হাতিয়ার বিএনপির আগেও প্রয়োগ করেছে, কোনো লাভ হয়নি। সামনে লাভ হবে এমন আশা করাও দুরূহ।’
সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, হরতাল দেওয়ার কারণে বিএনপির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আসবে কি না? জবাবে তিনি বলেন, ‘কোন কোন ক্ষেত্রে ভিসা নীতি আসবে বা নিষেধাজ্ঞা দেবে, সেটা আমেরিকা ভিসা নীতিতে স্পষ্টভাবে বলেছে। বিএনপি নির্বাচনে বাধাগ্রস্ত করছে, সে ক্ষেত্রে কেন তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আসবে না—এটা আমরা খোদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জানতে চাই। এটা আমাদের জিজ্ঞাসা।’
বিএনপির হরতাল-অবরোধের কারণে ভোটের দিনে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে আওয়ামী লীগ বিশেষ কোনো ব্যবস্থা রেখেছে কি না জানতে চাইলে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থায় রাখিনি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গণতন্ত্রে সব সময় দেখা যায়, কোনো নির্বাচন হলে—ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য উৎসাহিত করা হয়। এ বিষয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের টিম আছে, এই টিম সে কাজটা করবে। বেশির ভাগ ভোটারই স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবে। কেউ ভোট দিতে আসতে একটু দেরি করতে পারেন, তাদের উৎসাহিত করার জন্য আমাদের টিম কাজ করবে।’
গ্রাম ও শহরে ভোটার ‘টার্ন আউট’ বা ভোটার উপস্থিতি কেমন হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গ্রাম ও শহরকে আমি পার্থক্য করতে চাই না। আমি একটা কথাই বলব, টার্ন আউট সন্তোষজনক হবে।’
আওয়ামী লীগ কয়টি আসন পাবে ও বিরোধী দল কে হবে—এমন আরেক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন শেষ হলে এ বিষয়টা পরিষ্কার হবে। এই মুহূর্তে এটি নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। আমরা আশা করছি, ইনশা আল্লাহ আমরা এই নির্বাচনে বিজয়ী হব। কত আসন সেটা আমি এখন বলতে চাই না। জনগণের ভালো স্বতঃস্ফূর্ততা আছে, আমরা ভালো আসনই পাব। তবে কত আসন পাব, সেটা নিয়ে মির্জা ফখরুলের মতো গণক হতে চাই না। ইলেকশনের রেজাল্টই বিরোধী দল কে হবে সেটা বলে দেবে।’
এই নির্বাচন বিদেশিদের গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আগে ইলেকশনটা হতে দিন। গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না, এটা তো বিদেশেরাই বলবেন। আমরা বলছি টার্ন আউট ও অংশগ্রহণ সন্তোষজনক হবে। এটা একটা ভালো ইলেকশন হবে। যদিও প্রধান বিরোধী দল নির্বাচনে নেই। বিএনপি থাকলে ইলেকশনটা মোর কম্পিটিটিভ হতো। বিএনপি নেই, তারপরও নির্বাচনটা প্রতিযোগিতামূলক হবে।’
নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রায় এক শ স্থানে সহিংসতা হয়েছে ও তিনজন নিহত হয়েছে। এই বিষয়টি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কতটা সহায়ক—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি, এমন কোনো নির্বাচন আপনি দেখেছেন? আমাদের পাশের দেশ ইন্ডিয়ার বিধানসভা নির্বাচনে অনেক সহিংসতা হয়। এখানে প্রধান বিরোধী দল শুধু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না, এমন না। তারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।’
অনেক বিদেশি সংবাদমাধ্যম এই নির্বাচনকে একতরফা নির্বাচন বলছে—এমন প্রসঙ্গে জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখানে যেটা হচ্ছে, সেটা ওয়ান সাইডেড ইলেকশন না। সেটা হবে ওয়ান সাইডেড বিরোধিতা।’ বিএনপির অভিযোগ, সরকার ডামি প্রার্থী দিয়ে ডামি নির্বাচন করছে। এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘বিএনপি নিজেই একটা ডামি দল।’

ভোটের দিন অর্থাৎ ৭ জানুয়ারি হরতাল ডাকে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার প্রচেষ্টার জন্য বিএনপির ওপর কেন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসবে না, সে বিষয়টি খোদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচনের দিন দেওয়া বিএনপির হরতালের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির হরতাল-অবরোধ আমরা দেখেছি। হরতালের দিন আরও বেশি যানজট হয়। হরতাল-অবরোধ শুধু তাদের কর্মসূচিতে আছে বাস্তবে নেই।’ বিএনপির আন্দোলনকে মরচে ধরা হাতিয়ার বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন মরচে ধরা হাতিয়ার। এই মরচে ধরা হাতিয়ার বিএনপির আগেও প্রয়োগ করেছে, কোনো লাভ হয়নি। সামনে লাভ হবে এমন আশা করাও দুরূহ।’
সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, হরতাল দেওয়ার কারণে বিএনপির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আসবে কি না? জবাবে তিনি বলেন, ‘কোন কোন ক্ষেত্রে ভিসা নীতি আসবে বা নিষেধাজ্ঞা দেবে, সেটা আমেরিকা ভিসা নীতিতে স্পষ্টভাবে বলেছে। বিএনপি নির্বাচনে বাধাগ্রস্ত করছে, সে ক্ষেত্রে কেন তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আসবে না—এটা আমরা খোদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জানতে চাই। এটা আমাদের জিজ্ঞাসা।’
বিএনপির হরতাল-অবরোধের কারণে ভোটের দিনে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে আওয়ামী লীগ বিশেষ কোনো ব্যবস্থা রেখেছে কি না জানতে চাইলে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থায় রাখিনি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গণতন্ত্রে সব সময় দেখা যায়, কোনো নির্বাচন হলে—ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, ভোটারদের কেন্দ্রে আনার জন্য উৎসাহিত করা হয়। এ বিষয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের টিম আছে, এই টিম সে কাজটা করবে। বেশির ভাগ ভোটারই স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবে। কেউ ভোট দিতে আসতে একটু দেরি করতে পারেন, তাদের উৎসাহিত করার জন্য আমাদের টিম কাজ করবে।’
গ্রাম ও শহরে ভোটার ‘টার্ন আউট’ বা ভোটার উপস্থিতি কেমন হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গ্রাম ও শহরকে আমি পার্থক্য করতে চাই না। আমি একটা কথাই বলব, টার্ন আউট সন্তোষজনক হবে।’
আওয়ামী লীগ কয়টি আসন পাবে ও বিরোধী দল কে হবে—এমন আরেক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন শেষ হলে এ বিষয়টা পরিষ্কার হবে। এই মুহূর্তে এটি নিয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। আমরা আশা করছি, ইনশা আল্লাহ আমরা এই নির্বাচনে বিজয়ী হব। কত আসন সেটা আমি এখন বলতে চাই না। জনগণের ভালো স্বতঃস্ফূর্ততা আছে, আমরা ভালো আসনই পাব। তবে কত আসন পাব, সেটা নিয়ে মির্জা ফখরুলের মতো গণক হতে চাই না। ইলেকশনের রেজাল্টই বিরোধী দল কে হবে সেটা বলে দেবে।’
এই নির্বাচন বিদেশিদের গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আগে ইলেকশনটা হতে দিন। গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না, এটা তো বিদেশেরাই বলবেন। আমরা বলছি টার্ন আউট ও অংশগ্রহণ সন্তোষজনক হবে। এটা একটা ভালো ইলেকশন হবে। যদিও প্রধান বিরোধী দল নির্বাচনে নেই। বিএনপি থাকলে ইলেকশনটা মোর কম্পিটিটিভ হতো। বিএনপি নেই, তারপরও নির্বাচনটা প্রতিযোগিতামূলক হবে।’
নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রায় এক শ স্থানে সহিংসতা হয়েছে ও তিনজন নিহত হয়েছে। এই বিষয়টি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কতটা সহায়ক—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি, এমন কোনো নির্বাচন আপনি দেখেছেন? আমাদের পাশের দেশ ইন্ডিয়ার বিধানসভা নির্বাচনে অনেক সহিংসতা হয়। এখানে প্রধান বিরোধী দল শুধু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না, এমন না। তারা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।’
অনেক বিদেশি সংবাদমাধ্যম এই নির্বাচনকে একতরফা নির্বাচন বলছে—এমন প্রসঙ্গে জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখানে যেটা হচ্ছে, সেটা ওয়ান সাইডেড ইলেকশন না। সেটা হবে ওয়ান সাইডেড বিরোধিতা।’ বিএনপির অভিযোগ, সরকার ডামি প্রার্থী দিয়ে ডামি নির্বাচন করছে। এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘বিএনপি নিজেই একটা ডামি দল।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৯ ঘণ্টা আগে