নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দেশে একটি মহল অস্থিরতা ও সন্ত্রাসের ডাক দিচ্ছে। এই অপশক্তিকে বধ করতে হবে।’
আজ শনিবার বিকেলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্দির প্রাঙ্গণে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে সব সময়ই আছে আওয়ামী লীগ সরকার। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে মনিটরিং করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্রিফ করেছেন। আগের অশুভ ঘটনাগুলো হিন্দুদের কষ্ট দিয়েছে। এ অপকর্মের পুনরাবৃত্তি চাই না। আশা করি দশমী পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশে রাজনৈতিক অঙ্গন অস্থির, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক। আমাদের দেশে রাজনীতিতে যখন অবরোধ শব্দ শুনি, তখন জনগণ আতঙ্কিত। এই অবরোধ কেমন তা জনগণ ২০১৪ সালে দেখেছে। ২০০১ সালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্যাতিত হয়েছে।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজকে ক্ষমতার পরিবর্তন চাই নির্বাচনের মাধ্যমে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন গাইড করবে। একটা দল কর্মীদের বলছে, মাত্র কয়েকটা দিন আর অপেক্ষা নয়। এর হাঁকডাক শুরু হয়েছে। মহাযাত্রার মহারণ শুরু। কর্মীদের মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। সেই কর্মীরা যখন দেখবে ২৮ অক্টোবরের পরিণতি ১০ ডিসেম্বরের মতো অশ্বডিম্ব হবে, তখন বিএনপি নেতাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে সেই কর্মীরাই।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২৮ তারিখ আমাদেরও কর্মসূচি আছে, এদিন মহাযাত্রা আমাদেরও আছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের মহাযাত্রা শুরু হবে। বিকেলে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জনতার ঢল নামবে।’
বিএনপির প্রতি ওবায়দুল কাদেরে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কয়দিন সময় দেবেন? বলে দিচ্ছি, আমাদের সময় নেই। ৪ তারিখে ঢাকায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে। মেট্রোরেলের উদ্বোধনে দাওয়াত দিচ্ছি। কোনো মেগা প্রকল্প তো আপনারা করেননি। চুরি করেছেন। দেশের সম্পদ লুট করেছেন, অর্থ পাচার করেছেন।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘অস্থিরতার ডাক দিচ্ছে অশুভ শক্তি, এদের বধ করতে হবে। রাজনীতির অশুভ শক্তিকেও বধ করতে হবে। উৎসব যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে, ২০০১ যাতে আর না হয় সে জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শেখ হাসিনা ছাড়া আর কোনো নেতা আপনজন নেই সংখ্যালঘুদের। আমরা আপনাদের পাশে আছি, থাকব, ছিলাম।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জি, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক এবং মহানগর সর্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দেশে একটি মহল অস্থিরতা ও সন্ত্রাসের ডাক দিচ্ছে। এই অপশক্তিকে বধ করতে হবে।’
আজ শনিবার বিকেলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্দির প্রাঙ্গণে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে সব সময়ই আছে আওয়ামী লীগ সরকার। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে মনিটরিং করছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্রিফ করেছেন। আগের অশুভ ঘটনাগুলো হিন্দুদের কষ্ট দিয়েছে। এ অপকর্মের পুনরাবৃত্তি চাই না। আশা করি দশমী পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশে রাজনৈতিক অঙ্গন অস্থির, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক। আমাদের দেশে রাজনীতিতে যখন অবরোধ শব্দ শুনি, তখন জনগণ আতঙ্কিত। এই অবরোধ কেমন তা জনগণ ২০১৪ সালে দেখেছে। ২০০১ সালে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্যাতিত হয়েছে।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজকে ক্ষমতার পরিবর্তন চাই নির্বাচনের মাধ্যমে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন গাইড করবে। একটা দল কর্মীদের বলছে, মাত্র কয়েকটা দিন আর অপেক্ষা নয়। এর হাঁকডাক শুরু হয়েছে। মহাযাত্রার মহারণ শুরু। কর্মীদের মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। সেই কর্মীরা যখন দেখবে ২৮ অক্টোবরের পরিণতি ১০ ডিসেম্বরের মতো অশ্বডিম্ব হবে, তখন বিএনপি নেতাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে সেই কর্মীরাই।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২৮ তারিখ আমাদেরও কর্মসূচি আছে, এদিন মহাযাত্রা আমাদেরও আছে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের মহাযাত্রা শুরু হবে। বিকেলে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে জনতার ঢল নামবে।’
বিএনপির প্রতি ওবায়দুল কাদেরে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কয়দিন সময় দেবেন? বলে দিচ্ছি, আমাদের সময় নেই। ৪ তারিখে ঢাকায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে। মেট্রোরেলের উদ্বোধনে দাওয়াত দিচ্ছি। কোনো মেগা প্রকল্প তো আপনারা করেননি। চুরি করেছেন। দেশের সম্পদ লুট করেছেন, অর্থ পাচার করেছেন।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘অস্থিরতার ডাক দিচ্ছে অশুভ শক্তি, এদের বধ করতে হবে। রাজনীতির অশুভ শক্তিকেও বধ করতে হবে। উৎসব যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে, ২০০১ যাতে আর না হয় সে জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শেখ হাসিনা ছাড়া আর কোনো নেতা আপনজন নেই সংখ্যালঘুদের। আমরা আপনাদের পাশে আছি, থাকব, ছিলাম।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জি, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক এবং মহানগর সর্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৭ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৯ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১০ ঘণ্টা আগে