নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

বিএনপি তারেক রহমানের নির্দেশে দেশের মানুষের সঙ্গে আগুন নিয়ে খেলছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী প্রচারণা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি জনগণের সাথে আগুন নিয়ে খেলে, লন্ডনে বসে অর্ডার দেয় তারেক। আর দেশে আগুন দিয়ে মানুষের জানমালের ক্ষতি করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি দেশের জনগণের ক্ষতি করছে হরতাল-অবরোধ দিয়ে। তারা অতীতে ক্ষমতা পেয়ে দেশের মানুষের সম্পদ লুট করেছে।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ভোট চোর। দেশ বিক্রির চেষ্টা করছে খালেদা জিয়া। ২০০১ সালে বিএনপি ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল। যে কূপ খনন করে খালেদা গ্যাস পায়নি, সেই কূপ খনন করে আমরা গ্যাস-তেল দুটোই পেয়েছি।’
আগুন-সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ পোড়ানোর মতো এত সাহস এরা কোথা থেকে পায়? মনে রাখতে হবে, আগুন নিয়ে খেলতে গেলে সেই আগুনেই হাত পোড়ে। আওয়ামী লীগ সরকার আছে মানেই উন্নয়ন আছে। আমার হারাবার কিছু নেই। সব হারিয়ে, নিজের সন্তানদের দূরে সরিয়ে দেশে এসেছিলাম এই দেশের মানুষের জন্য।’
সিলেট প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৮১ সালে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করি। আজকেও আবার এসেছি। ১৯৫৯ সালেও সিলেটে এসেছিলাম। ছোট ছিলাম তখনো এসেছি। তবে ’৮১ সালে আসাটা ছিল ভিন্ন। তখন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে এসেছিলাম। তখন এসেছিলাম একটি প্রত্যয় নিয়ে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্বপ্ন নিয়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। এমন দেশে ফিরেছিলাম। আমি দেখেছি কীভাবে ভোট চুরি করে, কীভাবে গণতন্ত্র হরণ করে। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে স্বপ্ন দেখেছি দেশকে সুন্দরভাবে গঠন করার।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ থাকলে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করত না। ২০১৩ সালে আগুন দেওয়া শুরু করে। ’১৩ থেকে ’১৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষ পোড়ায়। অগ্নিসন্ত্রাস করে তারা নির্বাচন বানচাল করতে পারেনি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৮ সালে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়ে মনোনয়ন-বাণিজ্য করে নির্বাচন শেষ করে দেয়। আজকে দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। সেখানে বিএনপির আমলে সেটা ছিল না। দারিদ্র্য হার ৪১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮-তে নামিয়েছি। ৮ লাখ ৪১ হাজার মানুষকে ঘর দিয়েছি। ২১ জেলা গৃহহীনমুক্ত করেছি, তার মধ্যে সিলেট অন্যতম। কোনো মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, সেই লক্ষ্য রেখে কাজ করি।’

বিএনপি তারেক রহমানের নির্দেশে দেশের মানুষের সঙ্গে আগুন নিয়ে খেলছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী প্রচারণা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি জনগণের সাথে আগুন নিয়ে খেলে, লন্ডনে বসে অর্ডার দেয় তারেক। আর দেশে আগুন দিয়ে মানুষের জানমালের ক্ষতি করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি দেশের জনগণের ক্ষতি করছে হরতাল-অবরোধ দিয়ে। তারা অতীতে ক্ষমতা পেয়ে দেশের মানুষের সম্পদ লুট করেছে।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি ভোট চোর। দেশ বিক্রির চেষ্টা করছে খালেদা জিয়া। ২০০১ সালে বিএনপি ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল। যে কূপ খনন করে খালেদা গ্যাস পায়নি, সেই কূপ খনন করে আমরা গ্যাস-তেল দুটোই পেয়েছি।’
আগুন-সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষ পোড়ানোর মতো এত সাহস এরা কোথা থেকে পায়? মনে রাখতে হবে, আগুন নিয়ে খেলতে গেলে সেই আগুনেই হাত পোড়ে। আওয়ামী লীগ সরকার আছে মানেই উন্নয়ন আছে। আমার হারাবার কিছু নেই। সব হারিয়ে, নিজের সন্তানদের দূরে সরিয়ে দেশে এসেছিলাম এই দেশের মানুষের জন্য।’
সিলেট প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৮১ সালে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করি। আজকেও আবার এসেছি। ১৯৫৯ সালেও সিলেটে এসেছিলাম। ছোট ছিলাম তখনো এসেছি। তবে ’৮১ সালে আসাটা ছিল ভিন্ন। তখন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে এসেছিলাম। তখন এসেছিলাম একটি প্রত্যয় নিয়ে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্বপ্ন নিয়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। এমন দেশে ফিরেছিলাম। আমি দেখেছি কীভাবে ভোট চুরি করে, কীভাবে গণতন্ত্র হরণ করে। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে স্বপ্ন দেখেছি দেশকে সুন্দরভাবে গঠন করার।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ থাকলে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করত না। ২০১৩ সালে আগুন দেওয়া শুরু করে। ’১৩ থেকে ’১৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষ পোড়ায়। অগ্নিসন্ত্রাস করে তারা নির্বাচন বানচাল করতে পারেনি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৮ সালে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়ে মনোনয়ন-বাণিজ্য করে নির্বাচন শেষ করে দেয়। আজকে দেশে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। সেখানে বিএনপির আমলে সেটা ছিল না। দারিদ্র্য হার ৪১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮-তে নামিয়েছি। ৮ লাখ ৪১ হাজার মানুষকে ঘর দিয়েছি। ২১ জেলা গৃহহীনমুক্ত করেছি, তার মধ্যে সিলেট অন্যতম। কোনো মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, সেই লক্ষ্য রেখে কাজ করি।’

দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৩ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও
৩ ঘণ্টা আগে