
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশব্যাপী গণসংযোগের ধারাবাহিকতায় রাজধানীর উত্তরায় আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর আগমন উপলক্ষে উত্তরার আজমপুরের ঈদগাহ মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।
উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের ঈদগাহ মাঠে আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল থেকেই নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন। আগত নেতা-কর্মীরা ঢাকঢোল পিটিয়ে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে সহ নানা স্লোগান দিচ্ছেন। ইতিমধ্যে সভাস্থলে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব হাজী মো. মোস্তফা জামান, ঢাকা-১৮ আসনের বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এম জাহাঙ্গীর হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক এম কফিল উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে তারেক রহমান ময়মনসিংহের এক বিশাল জনসভায় বক্তব্য দেন। সেখানকার কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে গাজীপুরে পথসভায় অংশ নেন। এরপর সর্বশেষ গন্তব্য হিসেবে তিনি যোগ দেবেন উত্তরার জনসভায়।

উত্তরখান থেকে মিছিল নিয়ে আসা উত্তরখান থানা বিএনপির সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো আমাদের প্রাণ প্রিয় নেতা উত্তরায় সমাবেশে আসছেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি প্রায় দেড় যুগ প্রবাস জীবন পার করেছেন। তাঁর আগমন উপলক্ষে আমরা দলে দলে সমাবেশে যোগ দিচ্ছি।’
তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ইতিমধ্যে সমাবেশস্থল বর্ণিল আলোক সজ্জায় সাজানো হয়েছে। এ ছাড়া সমাবেশস্থল ও এর আশপাশ এলাকায় পোশাকে ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘একটি দল নানাভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আমরা দেখছি, তারা টাকাপয়সা খরচ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ব্যক্তিকে যুক্ত করে বিএনপির নামে মিথ্যা অভিযোগ ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
কতিপয় সুযোগসন্ধানী সিন্ডিকেটের কারণে স্থানীয় জনগণ চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
৪ ঘণ্টা আগে
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সিল দিলে বাংলাদেশ বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নমুক্ত হবে—ড. ইউনূসের এমন বক্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর ও অসৎ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। আজ মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘যদি আঘাত আসে, তাহলে পাল্টা আঘাত আসবে। নির্বাচন কমিশন যদি নীরব ভূমিকা পালন করে, পুলিশ যদি নীরব ভূমিকা পালন করে, তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে যা করণীয়, আমরা তা করব। একদলের প্রার্থীদের দিকে ডিম নিক্ষেপ করা হলে অন্য দলের প্রার্থীদের ওপরেও ডিম পড়বে।’
৫ ঘণ্টা আগে