
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘একটি দল নানাভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আমরা দেখছি, তারা টাকাপয়সা খরচ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ব্যক্তিকে যুক্ত করে বিএনপির নামে মিথ্যা অভিযোগ ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে। কিন্তু এসব করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে এক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারের পদযাত্রা করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতারা।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, এই দেশের মানুষ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে ভালোবেসে ধানের শীষের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কারও কারও এটা পছন্দের না, তারা নানাভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। তারা নির্বাচনের বাধা দিয়েছিল, ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের দাবির মুখে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন নিয়ে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
জামায়াত নেতারা ইসলামি শিক্ষা ভুলে গেছেন উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘উনারা (জামায়াত নেতা) দাবি করেন, তাঁরা নাকি ইসলামি মানুষ। দম্ভ করছেন। মহান আল্লাহ সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করেন অহংকারীদের। এই কারণে তাঁদের পতন নিশ্চিত হবে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে পরিবর্তনের সুফল বহন করেছে বিএনপি। একদলীয় স্বৈরশাসনের গোরস্তানের ওপর বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে দলটি। দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশে যখন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ এসেছে, তখন জনগণ আবার বিএনপির ওপর আস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের নেতা তারেক রহমান যেখানে যাচ্ছেন, সেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ হচ্ছে।’
আইনজীবীদের উদ্দেশে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘নানাভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ বিভ্রান্ত হবেন না। সবাই ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালাবেন, জনমত সৃষ্টি করবেন। ইনশা আল্লাহ আমরা বিজয়ী হয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করব। বিএনপি রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা দিয়েছে, জুলাই সনদে যে সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, তার বাইরেও মানুষের কল্যাণের জন্য আরও অনেক সংস্কারের চিন্তা আমাদের মাথায় আছে।’
একই কর্মসূচিতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘খুলনায় জামায়াতের এক প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন—তিনি আল্লাহর দূত হয়ে এসেছেন। জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে নাকি শুধু জান্নাতের টিকিট নয়, জামায়াতের মনোনয়ন পেলে সরাসরি আল্লাহর দূত হয়ে আসা যায়। আবার সেই কৃষ্ণ নন্দীরাই আল্লাহর দূত হয়ে আসছেন। এই পরিস্থিতিই আজ দেশে চলছে। দেশে চলছে ভণ্ডামি ও অপপ্রচার। বট বাহিনীর নাম আগে আমরা শুনিনি। এই বট বাহিনী তৈরি করেছে একটি রাজনৈতিক দল। শুধু বিএনপি, বিএনপির নেতা তারেক রহমান ও অন্য নেতৃবৃন্দের বক্তব্য বিকৃত করা এবং নেতাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো ও অপপ্রচার করাই যাদের দায়িত্ব।’
রিজভী আরও বলেন, ‘আজ নানাভাবে অনেক কথা বলছে জামায়াত এবং তাদের জোটেরা। অথচ তাদের প্রতিটি কাজ ও প্রতিটি কথার মধ্যে ইসলামের যে নীতি, তাদের নাম তো জামায়াতে ইসলাম, আমরা যে ইসলাম সম্পর্কে জানি, যে ইসলামের চর্চা করি, সেখানে মুনাফিকি নেই। মুনাফিকি অত্যন্ত জঘন্য একটি পাপ। মিথ্যা কথা বলা বড় ধরনের পাপ, অন্যায় করাও বড় ধরনের পাপ। আজ তাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ডের মধ্যেই আমরা এসব দেখতে পাচ্ছি।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশব্যাপী গণসংযোগের ধারাবাহিকতায় রাজধানীর উত্তরায় আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর আগমন উপলক্ষে উত্তরার আজমপুরের ঈদগাহ মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
কতিপয় সুযোগসন্ধানী সিন্ডিকেটের কারণে স্থানীয় জনগণ চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
৪ ঘণ্টা আগে
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সিল দিলে বাংলাদেশ বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নমুক্ত হবে—ড. ইউনূসের এমন বক্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর ও অসৎ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। আজ মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘যদি আঘাত আসে, তাহলে পাল্টা আঘাত আসবে। নির্বাচন কমিশন যদি নীরব ভূমিকা পালন করে, পুলিশ যদি নীরব ভূমিকা পালন করে, তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে যা করণীয়, আমরা তা করব। একদলের প্রার্থীদের দিকে ডিম নিক্ষেপ করা হলে অন্য দলের প্রার্থীদের ওপরেও ডিম পড়বে।’
৫ ঘণ্টা আগে