নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার আলোকে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। এ অবস্থায় প্রস্তুতি থাকলেও নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় দলটি।
আজ বুধবার রাজধানীর বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এমনটাই জানান জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।
এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুরের উপনির্বাচনের বিষয় উল্লেখ করে জাপার মহাসচিব বলেন, ‘এসব নির্বাচনে আমরা যে প্রার্থী দিয়েছিলাম, কখনো আশা করিনি তারা পাস করবে। তারা পাস করার মতো প্রার্থীও না। এই নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের কর্মীরা সহ্য করতে পারেনি। তাদের প্রার্থী পাস করবে জেনেও সিল মারছে। কারণ, সিল মারা তাদের অভ্যাস হয়ে গেছে, একটা ম্যানিয়া হয়ে গেছে। ভোটারদের তারা কষ্ট দিতে চায় না।’
নির্বাচনের জন্য জাতীয় পার্টির প্রস্তুতি আছে জানিয়ে চুন্নু বলেন, ‘প্রার্থী বাছাইসহ ইশতেহার এবং ফরম ছাপানোর কাজ করা আছে। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না, নির্বাচন করব কি করব না। কারণ, গত পাঁচ বছরে এই সরকারের আমলে যেসব নির্বাচন হয়েছে, তাতে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো না।’
চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে আমাদের কোনো কথা নাই। আমাদের কথা একটাই—আমরা নির্বাচনের একটা পরিবেশ চাই।’
গতকাল মঙ্গলবার পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভার প্রসঙ্গ টেনে চুন্নু বলেন, ওই সভাতেও নেতিবাচক মত দিয়েছেন নেতারা। তবে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দলের চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ‘একগুঁয়েমি’ করছে মন্তব্য করে চুন্নু আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এক দফা যে তারা তাদের অধীনেই নির্বাচন করবে, আর বিএনপির এক দফা তারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। দুই দলের এক দফায় দেশের মানুষ আজ জিম্মি। মানুষ আতঙ্কের মধ্যে আছে। এখনো সময় আছে, দুই দলকে এক দফা থেকে সরে এসে আলোচনায় বসা উচিত।’

সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার আলোকে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। এ অবস্থায় প্রস্তুতি থাকলেও নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতায় দলটি।
আজ বুধবার রাজধানীর বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এমনটাই জানান জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।
এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুরের উপনির্বাচনের বিষয় উল্লেখ করে জাপার মহাসচিব বলেন, ‘এসব নির্বাচনে আমরা যে প্রার্থী দিয়েছিলাম, কখনো আশা করিনি তারা পাস করবে। তারা পাস করার মতো প্রার্থীও না। এই নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের কর্মীরা সহ্য করতে পারেনি। তাদের প্রার্থী পাস করবে জেনেও সিল মারছে। কারণ, সিল মারা তাদের অভ্যাস হয়ে গেছে, একটা ম্যানিয়া হয়ে গেছে। ভোটারদের তারা কষ্ট দিতে চায় না।’
নির্বাচনের জন্য জাতীয় পার্টির প্রস্তুতি আছে জানিয়ে চুন্নু বলেন, ‘প্রার্থী বাছাইসহ ইশতেহার এবং ফরম ছাপানোর কাজ করা আছে। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না, নির্বাচন করব কি করব না। কারণ, গত পাঁচ বছরে এই সরকারের আমলে যেসব নির্বাচন হয়েছে, তাতে আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো না।’
চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে আমাদের কোনো কথা নাই। আমাদের কথা একটাই—আমরা নির্বাচনের একটা পরিবেশ চাই।’
গতকাল মঙ্গলবার পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভার প্রসঙ্গ টেনে চুন্নু বলেন, ওই সভাতেও নেতিবাচক মত দিয়েছেন নেতারা। তবে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দলের চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ‘একগুঁয়েমি’ করছে মন্তব্য করে চুন্নু আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এক দফা যে তারা তাদের অধীনেই নির্বাচন করবে, আর বিএনপির এক দফা তারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। দুই দলের এক দফায় দেশের মানুষ আজ জিম্মি। মানুষ আতঙ্কের মধ্যে আছে। এখনো সময় আছে, দুই দলকে এক দফা থেকে সরে এসে আলোচনায় বসা উচিত।’

রাজনীতিবিদেরা যদি জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ কখনোই সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি নেওয়াজ খান বাপ্পিসহ ২৮ জন সহসভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলামসহ ২৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহসভাপতি পদমর্যাদায় দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী ত্বোহা, প্রচার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, অর্থ সম্পাদক পদে রয়েছেন তারেক আজাদ।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
১৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
১৯ ঘণ্টা আগে