
মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় খালাস পাওয়া ইমাম মোজাফফর আহমেদ জুবায়েরের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ফেনী জেলা শাখা। শনিবার ফেনী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ডিএনএ পরীক্ষায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে আদালত থেকে সসম্মানে খালাস পেলেও, একটি মিথ্যা মামলার কারণে ইমাম জুবায়েরকে হারাতে হয়েছে তাঁর চাকরি, সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক স্থিতি। দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং ঋণের বোঝা আজ তাঁকে মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।
এনসিপি মনে করে, কোনো নির্দোষ নাগরিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে তাঁর জীবন ধ্বংস করার সংস্কৃতি একটি ভয়াবহ সামাজিক ও বিচারিক সংকট।
তাই ইমাম জুবায়েরের পূর্ণ পুনর্বাসন, সসম্মানে চাকরিতে পুনর্বহাল, উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ এবং প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অংশ হিসেবে শনিবার ভুক্তভোগী ইমাম জুবায়েরের বাড়িতে সরেজমিনে যান দলের যুগ্ম সদস্যসচিব এবং ধর্ম ও সম্প্রীতি সম্পাদক তারেক রেজা। এ সময় তিনি ভুক্তভোগীর সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ–খবর নেন এবং আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় এনসিপি পাশে থাকবে বলে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম এবং সদস্যসচিব আব্দুল হান্নান মাসউদ। এ ছাড়া দলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরাও এতে উপস্থিত থাকবেন।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তুলে পুনর্গঠন করাই এখন বিএনপি সরকারের নতুন চ্যালেঞ্জ। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
আমরা বিশ্বাস করতাম, ১৯৭২ সালের সংবিধান সময়ের সঙ্গে এমন এক কাঠামোয় পরিণত হয়েছে, যা নির্বাহী ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ এবং রাষ্ট্রের ওপর একদলীয় আধিপত্যকে সম্ভব করেছে। কাঠামোগত সাংবিধানিক সংস্কার ছাড়া গণতন্ত্রের পশ্চাদপসরণ অনিবার্যভাবেই ফিরে আসবে। তবে শক্তিশালী রাজনৈতিক পক্ষগুলোর বিরোধিতার...
৫ ঘণ্টা আগে