নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

একতরফা নির্বাচন বর্জনের পথেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। আজ শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে সিপিবি আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এমন ঘোষণা দেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল হয়।
সমাবেশে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাসীন সরকারের পুতুল উল্লেখ করে ঢাকা দক্ষিণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, ‘স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে আরেকটি প্রহসনমূলক ও একতরফা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে পুতুল নির্বাচন কমিশন দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে চূড়ান্ত লড়াইয়ের পথে ঠেলে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘একতরফা নির্বাচন বর্জনের পথেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। শেখ হাসিনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে চিরকাল রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার প্রকল্প রচনা করেছেন। সেই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নির্বাচনের নামে দুটি প্রহসন অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির সভাপতি আনিসুজ্জামান হীরার সভাপতিত্বে ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাইফুল ইসলাম সমীরের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন শংকর আচার্য্য, মঞ্জুর মঈন প্রমুখ।
শামসুজ্জামান হীরা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ চিরকাল মরণপণ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছে। দেশের রাজনৈতিক এই ক্রান্তিকালে তারা গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটাবে।’
সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আক্তার হোসেন বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকার দেশের শ্রমিক ও মেহনতি মানুষকে অর্ধাহারে-অনাহারে থাকতে বাধ্য করছে। একদিকে চরম বাজার নৈরাজ্য, অন্যদিকে সীমাহীন লুটপাট-অর্থ পাচারের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে।’

একতরফা নির্বাচন বর্জনের পথেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। আজ শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে সিপিবি আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এমন ঘোষণা দেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল হয়।
সমাবেশে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতাসীন সরকারের পুতুল উল্লেখ করে ঢাকা দক্ষিণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, ‘স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে আরেকটি প্রহসনমূলক ও একতরফা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে পুতুল নির্বাচন কমিশন দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে চূড়ান্ত লড়াইয়ের পথে ঠেলে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘একতরফা নির্বাচন বর্জনের পথেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। শেখ হাসিনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে চিরকাল রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার প্রকল্প রচনা করেছেন। সেই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নির্বাচনের নামে দুটি প্রহসন অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির সভাপতি আনিসুজ্জামান হীরার সভাপতিত্বে ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাইফুল ইসলাম সমীরের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন শংকর আচার্য্য, মঞ্জুর মঈন প্রমুখ।
শামসুজ্জামান হীরা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ চিরকাল মরণপণ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করেছে। দেশের রাজনৈতিক এই ক্রান্তিকালে তারা গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটাবে।’
সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আক্তার হোসেন বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকার দেশের শ্রমিক ও মেহনতি মানুষকে অর্ধাহারে-অনাহারে থাকতে বাধ্য করছে। একদিকে চরম বাজার নৈরাজ্য, অন্যদিকে সীমাহীন লুটপাট-অর্থ পাচারের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে।’

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৮ ঘণ্টা আগে