নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র ও বঙ্গবন্ধুকে চিরতরে বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র এখনো চলছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্র রুখতে শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করাতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ চাই, বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসের রাজনীতি চাই না। সময় এসেছে জবাব দেওয়ার। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ বিরানভূমি হয়ে যাবে।’
আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করা হবে বলে জানান আইনমন্ত্রী।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অনেকেই প্রশ্ন করতে পারে, নতুন প্রজন্ম ভাবতে পারে, আমরা কি এটি প্রতিহিংসার জন্য করছি? না, আমরা এটা প্রতিহিংসার জন্য করছি না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এই যে একটা কলঙ্কময় অধ্যায়, আমার মনে হয়, এই কলঙ্কময় অধ্যায়ের সমাপ্তি প্রয়োজন। বাংলাদেশকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য, বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষা করার জন্য এবং বাংলাদেশকে যেন কেউ পুনর্বার আঘাত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য সেই পরিচয়গুলো বাংলাদেশের নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জানা প্রয়োজন।’
আনিসুল হক বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী একটি কমিশন গঠন করা হবে এবং সেটি হবে অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের কমিশন। নতুন প্রজন্ম যারা আসবে, তাঁরা জানবে কারা ষড়যন্ত্রকারী এবং কুশীলব ছিল, তাঁদের পরিবার সম্পর্কেও যেন সচেতন থাকে।
সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্যসচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণ মেজর জেনারেল মোহম্মদ আলী সিকদার (অব.), সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. উত্তম বড়ুয়া, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আফিজুর রহমান ও জাতীয় গ্রন্থাগারের পরিচালক মিনার মনসুর।
আলোচনা সভাটি সভাপতিত্ব করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের নানা বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন।
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী সিকদার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে সেটা আমরা এখনো পূরণ করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আজও আমাদের পাকিস্তানের গোলাম হয়ে থাকা লাগত। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতিতে মিল থাকায় তাঁরা মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পাশে ছিল। বঙ্গবন্ধু ও ইন্দিরা গান্ধীর রাজনৈতিক দর্শন ছিল অভিন্ন।’
সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘১৯৭১ এর পরাজিত শক্তিই ২০০৪ এ শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করে। এরাই সাম্প্রদায়িক শক্তি, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। এ শক্তি আন্তর্জাতিক মহলে আজও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি এ দেশ সবার। ধর্ম যার যার কিন্তু দেশ সবার। আমরা কোনো ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ বা লঘিষ্ঠ নীতিতে বিশ্বাস করি না। ১৯৭৬ সালে রেসকোর্স ময়দানে জিয়াউর রহমান ইসলামি জলসার আয়োজন করেছিলেন। সেখানে অতিথি করা হয়েছিল দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে। তিনি ছয় দফা ঘোষণা করে দেশের নাম বদলে ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।’

বাংলাদেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র ও বঙ্গবন্ধুকে চিরতরে বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র এখনো চলছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্র রুখতে শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করাতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ চাই, বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসের রাজনীতি চাই না। সময় এসেছে জবাব দেওয়ার। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ বিরানভূমি হয়ে যাবে।’
আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করা হবে বলে জানান আইনমন্ত্রী।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অনেকেই প্রশ্ন করতে পারে, নতুন প্রজন্ম ভাবতে পারে, আমরা কি এটি প্রতিহিংসার জন্য করছি? না, আমরা এটা প্রতিহিংসার জন্য করছি না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এই যে একটা কলঙ্কময় অধ্যায়, আমার মনে হয়, এই কলঙ্কময় অধ্যায়ের সমাপ্তি প্রয়োজন। বাংলাদেশকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য, বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষা করার জন্য এবং বাংলাদেশকে যেন কেউ পুনর্বার আঘাত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য সেই পরিচয়গুলো বাংলাদেশের নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জানা প্রয়োজন।’
আনিসুল হক বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী একটি কমিশন গঠন করা হবে এবং সেটি হবে অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের কমিশন। নতুন প্রজন্ম যারা আসবে, তাঁরা জানবে কারা ষড়যন্ত্রকারী এবং কুশীলব ছিল, তাঁদের পরিবার সম্পর্কেও যেন সচেতন থাকে।
সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্যসচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণ মেজর জেনারেল মোহম্মদ আলী সিকদার (অব.), সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ডা. উত্তম বড়ুয়া, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আফিজুর রহমান ও জাতীয় গ্রন্থাগারের পরিচালক মিনার মনসুর।
আলোচনা সভাটি সভাপতিত্ব করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের নানা বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন।
মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী সিকদার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে সেটা আমরা এখনো পূরণ করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আজও আমাদের পাকিস্তানের গোলাম হয়ে থাকা লাগত। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতিতে মিল থাকায় তাঁরা মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পাশে ছিল। বঙ্গবন্ধু ও ইন্দিরা গান্ধীর রাজনৈতিক দর্শন ছিল অভিন্ন।’
সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘১৯৭১ এর পরাজিত শক্তিই ২০০৪ এ শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করে। এরাই সাম্প্রদায়িক শক্তি, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি। এ শক্তি আন্তর্জাতিক মহলে আজও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি এ দেশ সবার। ধর্ম যার যার কিন্তু দেশ সবার। আমরা কোনো ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ বা লঘিষ্ঠ নীতিতে বিশ্বাস করি না। ১৯৭৬ সালে রেসকোর্স ময়দানে জিয়াউর রহমান ইসলামি জলসার আয়োজন করেছিলেন। সেখানে অতিথি করা হয়েছিল দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে। তিনি ছয় দফা ঘোষণা করে দেশের নাম বদলে ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৭ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৯ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১০ ঘণ্টা আগে