নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘খালেদা জিয়া রাজনীতি করবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন’ দলের চেয়ারপারসনকে নিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যের এমন দাবিকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এমন মন্তব্য করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়ার জন্য তাঁর ভাই ও বোন প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলেন। খালেদা জিয়া রাজনীতি করবেন না, এমন মুচলেকা দেওয়া হয়েছে। তার ভিত্তিতে তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে শেখ সেলিমের এমন দাবির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এটা পুরোপুরিভাবে ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বানোয়াট একটা কথা। উনি (শেখ সেলিম) একটা কথা তৈরি করে ফেললেন, আর সেটা হয়ে গেল!’
লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চলমান আন্দোলনকে সফলতার দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা আলোচনা করেছি। এ ক্ষেত্রে আগের কর্মসূচিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণেও আলোচনা হয়েছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার এবং তাদের এজেন্টরা চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করছে। জনগণকে আরও ঐক্যবদ্ধ করা এবং এই সরকারকে হটানোই আমাদের লক্ষ্য। এর বাইরে আমাদের আর কোনো চিন্তা নাই।’
গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়কারী ও নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা কর্মসূচিকে সামনে নিয়ে যেতে চাই। সেটাকে ধীরে ধীরে বিজয়ের জায়গায় পৌঁছাতে চাই। আন্দোলনের বিষয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের প্রতিটি দলই আন্তরিক এবং তারা সবাই নিরলসভাবে চেষ্টা করছে। কীভাবে সেটা করা যায়, সে নিয়ে আলোচনা করেছি। সবাইকে আন্দোলনে আনার ক্ষেত্রে একটা উদ্যোগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। ঐক্যটাকে আরও দৃঢ় করাই মূল উদ্দেশ্য। ঢাকা মহানগরে তৎপরতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পদযাত্রায় আমরা সমর্থন করছি। আমরা আশাবাদী বিজয়ের পথে যাব।’
বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আ স ম আব্দুর রব, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর অংশ নেন।

‘খালেদা জিয়া রাজনীতি করবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন’ দলের চেয়ারপারসনকে নিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যের এমন দাবিকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এমন মন্তব্য করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়ার জন্য তাঁর ভাই ও বোন প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলেন। খালেদা জিয়া রাজনীতি করবেন না, এমন মুচলেকা দেওয়া হয়েছে। তার ভিত্তিতে তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে শেখ সেলিমের এমন দাবির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এটা পুরোপুরিভাবে ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বানোয়াট একটা কথা। উনি (শেখ সেলিম) একটা কথা তৈরি করে ফেললেন, আর সেটা হয়ে গেল!’
লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চলমান আন্দোলনকে সফলতার দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা আলোচনা করেছি। এ ক্ষেত্রে আগের কর্মসূচিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণেও আলোচনা হয়েছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকার এবং তাদের এজেন্টরা চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করছে। জনগণকে আরও ঐক্যবদ্ধ করা এবং এই সরকারকে হটানোই আমাদের লক্ষ্য। এর বাইরে আমাদের আর কোনো চিন্তা নাই।’
গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়কারী ও নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা কর্মসূচিকে সামনে নিয়ে যেতে চাই। সেটাকে ধীরে ধীরে বিজয়ের জায়গায় পৌঁছাতে চাই। আন্দোলনের বিষয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের প্রতিটি দলই আন্তরিক এবং তারা সবাই নিরলসভাবে চেষ্টা করছে। কীভাবে সেটা করা যায়, সে নিয়ে আলোচনা করেছি। সবাইকে আন্দোলনে আনার ক্ষেত্রে একটা উদ্যোগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। ঐক্যটাকে আরও দৃঢ় করাই মূল উদ্দেশ্য। ঢাকা মহানগরে তৎপরতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পদযাত্রায় আমরা সমর্থন করছি। আমরা আশাবাদী বিজয়ের পথে যাব।’
বিএনপির লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আ স ম আব্দুর রব, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর অংশ নেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৭ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৯ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১০ ঘণ্টা আগে