নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

তিন দিনের ভারত সফর শেষে আজ বুধবার দেশে ফিরেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। সফরে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে ভারতের অনুমতি ছাড়া এসব বিষয়ে বিস্তারিত তিনি বলতে পারবেন না বলে জানান। সন্ধ্যায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সফর নিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন জাপা চেয়ারম্যান।
জি এম কাদের বলেন, ‘আমি ভারত সরকারের আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলাম। সেখানে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে আমার খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। সেই আলাপ কার সঙ্গে হয়েছে এবং কী বিষয়ে হয়েছে—সেটি বিস্তারিত কিছু বলতে পারব না। তাঁরা যদি প্রকাশ করতে চান, করবেন। কিন্তু তাঁদের অনুমতি ছাড়া আমি কিছু বলতে পারব না।’
জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশে একটি ভালো নির্বাচন দেখতে চায় ভারত। তবে এ নিয়ে দলগুলোর মতপার্থক্যের বিষয়ে কিছু বলতে চান না তাঁরা।
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের মনোভাব প্রসঙ্গে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনের আগে-পরে সহিংসতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, তেমনটাই তাঁদের চাওয়া।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যের বিষয়ে ভারত কিছু বলেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারত বলেছে এটা আপনাদের নিজস্ব ব্যাপার। আমরা চাই আপনারা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এটার সুরাহা করবেন।’
এ সময় আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে জি এম কাদের বলেন, ‘এই বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনো আসেনি। আর কিছুদিন দেখেশুনে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’
বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘আমার একটা জিনিস ভালো লেগেছে যে জাতীয় পার্টি সম্পর্কে তাঁদের ধারণা ভালো। জাতীয় পার্টিকে তাঁরা সম্ভাবনাময় দল মনে করেন। তাঁরা এটাও প্রত্যাশা করেছেন, জাতীয় পার্টির সঙ্গে ভারতের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আগেও ছিল এবং সামনেও থাকবে।’
উল্লেখ্য, ভারত সরকারের আমন্ত্রণে গত রোববার নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন জি এম কাদের।

তিন দিনের ভারত সফর শেষে আজ বুধবার দেশে ফিরেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের। সফরে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তবে ভারতের অনুমতি ছাড়া এসব বিষয়ে বিস্তারিত তিনি বলতে পারবেন না বলে জানান। সন্ধ্যায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সফর নিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন জাপা চেয়ারম্যান।
জি এম কাদের বলেন, ‘আমি ভারত সরকারের আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছিলাম। সেখানে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে আমার খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। সেই আলাপ কার সঙ্গে হয়েছে এবং কী বিষয়ে হয়েছে—সেটি বিস্তারিত কিছু বলতে পারব না। তাঁরা যদি প্রকাশ করতে চান, করবেন। কিন্তু তাঁদের অনুমতি ছাড়া আমি কিছু বলতে পারব না।’
জি এম কাদের বলেন, বাংলাদেশে একটি ভালো নির্বাচন দেখতে চায় ভারত। তবে এ নিয়ে দলগুলোর মতপার্থক্যের বিষয়ে কিছু বলতে চান না তাঁরা।
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতের মনোভাব প্রসঙ্গে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনের আগে-পরে সহিংসতা এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, তেমনটাই তাঁদের চাওয়া।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যের বিষয়ে ভারত কিছু বলেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারত বলেছে এটা আপনাদের নিজস্ব ব্যাপার। আমরা চাই আপনারা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এটার সুরাহা করবেন।’
এ সময় আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে জি এম কাদের বলেন, ‘এই বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনো আসেনি। আর কিছুদিন দেখেশুনে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’
বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘আমার একটা জিনিস ভালো লেগেছে যে জাতীয় পার্টি সম্পর্কে তাঁদের ধারণা ভালো। জাতীয় পার্টিকে তাঁরা সম্ভাবনাময় দল মনে করেন। তাঁরা এটাও প্রত্যাশা করেছেন, জাতীয় পার্টির সঙ্গে ভারতের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আগেও ছিল এবং সামনেও থাকবে।’
উল্লেখ্য, ভারত সরকারের আমন্ত্রণে গত রোববার নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন জি এম কাদের।

জাগপার সহসভাপতি বলেন, আমাদের অন্য ১০ দলের সমঝোতার আলোচনা মোটামুটি চূড়ান্ত। ইসলামী আন্দোলন আমাদের সঙ্গে আছে—এটাও বলব না। আবার চলে গেছে এটাও বলব না। সবকিছু চূড়ান্ত হবে রাত ৮টার মধ্যেই।
১৩ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। আজ সকাল থেকেই রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে বৈঠক করছেন ইসলামী আন্দোলন ছাড়া অন্য দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
২২ মিনিট আগে
দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১৫ ঘণ্টা আগে