নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নিবন্ধন শর্ত অনুযায়ী প্রতি পঞ্জিকা বছরে দলের আয় ও ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসিতে) জমা দিতে হয়। ইসিতে জমা দেওয়া ২০২৪ সালে আয় ও ব্যয় সব থেকে বেশি দীর্ঘদিন পর নিবন্ধন ফিরে পাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর। অথচ দলটির কোনো ব্যাংক হিসেবই নেই। আয় ও ব্যয়ের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাতীয় পার্টি। ইসিতে জমা দেওয়া দলগুলোর অডিট রিপোর্ট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ইসিতে জমা দেওয়া অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী জামায়াত ২০২৪ সালে আয় করেছে ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা। আর ব্যয় করেছে ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা। বিএনপি ২০২৪ সালে আয় দেখিয়েছে ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪২ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২০ টাকা। জাতীয় পার্টি ২০২৪ সালে আয় করেছে ২ কেটি ৬৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৮ টাকা। আর ব্যয় করেছে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৪৪ টাকা।
নিবন্ধন পাওয়ার পর গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) প্রথমবার ইসিতে ২৪ সালে আয় দেখিয়েছে ৪৬ লাখ ৪ হাজার ৩০০ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮৮ টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ২০২৪ সালে ৩১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৫৬ টাকা আয় করেছে। আর ব্যয় দেখিয়েছে ৩১ লাখ ১৪ হাজার ৩০৮ টাকা।
৩১ জুলাই ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানান, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ ২৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্ধারিত সময়ে ২০২৪ পঞ্জিকা বছরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে। ১০টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। আর ১১টি দল নির্ধারিত সময়ে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয়নি।
একযুগের মাথায় এবার আদালতের আদেশে জামায়াতের নিবন্ধন পুনর্বহাল হয়েছে, তাই দলটিকেও অডিট রিপোর্ট জমা দিতে হয়েছে। আর প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটির অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতার মধ্যে ছিল না। প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধিত দলগুলোর আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী পর পর তিন বছর দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

নিবন্ধন শর্ত অনুযায়ী প্রতি পঞ্জিকা বছরে দলের আয় ও ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসিতে) জমা দিতে হয়। ইসিতে জমা দেওয়া ২০২৪ সালে আয় ও ব্যয় সব থেকে বেশি দীর্ঘদিন পর নিবন্ধন ফিরে পাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর। অথচ দলটির কোনো ব্যাংক হিসেবই নেই। আয় ও ব্যয়ের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাতীয় পার্টি। ইসিতে জমা দেওয়া দলগুলোর অডিট রিপোর্ট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ইসিতে জমা দেওয়া অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী জামায়াত ২০২৪ সালে আয় করেছে ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা। আর ব্যয় করেছে ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা। বিএনপি ২০২৪ সালে আয় দেখিয়েছে ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪২ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২০ টাকা। জাতীয় পার্টি ২০২৪ সালে আয় করেছে ২ কেটি ৬৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৮ টাকা। আর ব্যয় করেছে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৪৪ টাকা।
নিবন্ধন পাওয়ার পর গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) প্রথমবার ইসিতে ২৪ সালে আয় দেখিয়েছে ৪৬ লাখ ৪ হাজার ৩০০ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮৮ টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ২০২৪ সালে ৩১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৫৬ টাকা আয় করেছে। আর ব্যয় দেখিয়েছে ৩১ লাখ ১৪ হাজার ৩০৮ টাকা।
৩১ জুলাই ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানান, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ ২৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্ধারিত সময়ে ২০২৪ পঞ্জিকা বছরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে। ১০টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। আর ১১টি দল নির্ধারিত সময়ে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয়নি।
একযুগের মাথায় এবার আদালতের আদেশে জামায়াতের নিবন্ধন পুনর্বহাল হয়েছে, তাই দলটিকেও অডিট রিপোর্ট জমা দিতে হয়েছে। আর প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটির অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতার মধ্যে ছিল না। প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধিত দলগুলোর আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী পর পর তিন বছর দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
১০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
১৫ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে