নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নাগরিক ঐক্যের কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনাকে ন্যক্কারজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনগুলো দেশকে জোর যার মুলুক তার বানিয়েছে। মনে হয় সহিংস আক্রমণ ও জীবননাশের ব্রত নিয়ে তারা বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আমরা তারই বহিঃপ্রকাশ দেখলাম খামারবাড়িতে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে বর্বর আক্রমণ।’
ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া দাপটে দেশের জনপদের পর জনপদ সাধারণ মানুষ ভয় ও গভীর উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। এ দেশে নাগরিক নিরাপত্তা এখন চরম অবনতিশীল। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পেতে সাধারণ মানুষ কোথাও আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছে না। আইন, প্রশাসন মানুষকে রক্ষা করতে পারছে না। জনগণ নিজ দেশে পরবাসী হয়ে দিনযাপন করছে।’
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘একদিকে খাদ্যপণ্যের চরম মূল্যবৃদ্ধিতে অসহায় মানুষ অন্ধকার দেখছে, অন্যদিকে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধিতে মানুষ এক গভীর সংকটের মধ্যে পড়েছে। এর ওপর সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে জনগণ এখন দিশেহারা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশ্রয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশব্যাপী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নাগরিক ঐক্যের কর্মসূচিতে আওয়ামী ছাত্রসংগঠনের আক্রমণের সময় পুলিশ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছে। এরা গুন্ডামির রাজত্ব কায়েম করার জন্যই দেশকে গণতন্ত্র শূন্য করেছে। রাষ্ট্রীয় পেশিশক্তির জোরে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে জনগণের শক্তির কাছে অবৈধ আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীকে অচিরেই মাথানত করতে হবে।’
বিবৃতিতে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

নাগরিক ঐক্যের কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনাকে ন্যক্কারজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনগুলো দেশকে জোর যার মুলুক তার বানিয়েছে। মনে হয় সহিংস আক্রমণ ও জীবননাশের ব্রত নিয়ে তারা বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আমরা তারই বহিঃপ্রকাশ দেখলাম খামারবাড়িতে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে বর্বর আক্রমণ।’
ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া দাপটে দেশের জনপদের পর জনপদ সাধারণ মানুষ ভয় ও গভীর উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। এ দেশে নাগরিক নিরাপত্তা এখন চরম অবনতিশীল। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রেহাই পেতে সাধারণ মানুষ কোথাও আশ্রয় খুঁজে পাচ্ছে না। আইন, প্রশাসন মানুষকে রক্ষা করতে পারছে না। জনগণ নিজ দেশে পরবাসী হয়ে দিনযাপন করছে।’
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘একদিকে খাদ্যপণ্যের চরম মূল্যবৃদ্ধিতে অসহায় মানুষ অন্ধকার দেখছে, অন্যদিকে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধিতে মানুষ এক গভীর সংকটের মধ্যে পড়েছে। এর ওপর সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে জনগণ এখন দিশেহারা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশ্রয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশব্যাপী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নাগরিক ঐক্যের কর্মসূচিতে আওয়ামী ছাত্রসংগঠনের আক্রমণের সময় পুলিশ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছে। এরা গুন্ডামির রাজত্ব কায়েম করার জন্যই দেশকে গণতন্ত্র শূন্য করেছে। রাষ্ট্রীয় পেশিশক্তির জোরে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে জনগণের শক্তির কাছে অবৈধ আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীকে অচিরেই মাথানত করতে হবে।’
বিবৃতিতে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৮ ঘণ্টা আগে