নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনা মোকাবিলায় বিধিনিষেধ জারি করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্তকে ‘সাংঘর্ষিক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বিধিনিষেধ তবে কি বিএনপির আন্দোলনকে বন্ধ করার উদ্দেশ্যেই—সরকারের কাছে এমন প্রশ্নও রেখেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে করোনা আক্রান্ত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তাঁর স্ত্রীর রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে সিটি (করপোরেশন) নির্বাচন চলছে। ইউপি নির্বাচনেও মারামারি কাটাকাটি যা হওয়ার, হচ্ছে। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করার পরও এ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করে নাই। তাহলে সরকারের প্রজ্ঞাপন জারির পর নির্বাচন করা কি প্রযোজ্য? নির্বাচন কমিশনের কাছে সরকারও কোনো অনুরোধ করে নাই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য অনেকেই রাজপথে নেমেছেন। ঠিক সেই মুহূর্তে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সবকিছুই চলছে, দোকানপাট ব্যবসা-বাণিজ্য—সব চলবে। শুধু চলবে না রাজনৈতিক সমাবেশ। রাজনৈতিক সমাবেশ করে কারা, বিএনপি। সুতরাং এটা প্রজ্ঞাপন জারি না। প্রজ্ঞাপন শুধু বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য কি-না—এ প্রশ্নের উত্তর আর কিছুদিন পরে বোঝা যাবে।’
গয়েশ্বর বলেন, ‘এই সরকার করোনা নিয়ে অনেক ছলনা করেছে। যখন করোনা বাড়ে, তখন কম দেখায়। যখন কমে, তখন বাড়িয়ে দেখায়। মানুষও বিশ্বাস করে সরকার করোনা নিয়ে রাজনীতি করছে। শুধু তাই নয়। এই করোনা নিয়েও সরকার দুর্নীতি করেছে। রোগীদের সঙ্গে ছলনা করেছে।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

করোনা মোকাবিলায় বিধিনিষেধ জারি করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্তকে ‘সাংঘর্ষিক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বিধিনিষেধ তবে কি বিএনপির আন্দোলনকে বন্ধ করার উদ্দেশ্যেই—সরকারের কাছে এমন প্রশ্নও রেখেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে করোনা আক্রান্ত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তাঁর স্ত্রীর রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে সিটি (করপোরেশন) নির্বাচন চলছে। ইউপি নির্বাচনেও মারামারি কাটাকাটি যা হওয়ার, হচ্ছে। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করার পরও এ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করে নাই। তাহলে সরকারের প্রজ্ঞাপন জারির পর নির্বাচন করা কি প্রযোজ্য? নির্বাচন কমিশনের কাছে সরকারও কোনো অনুরোধ করে নাই।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য অনেকেই রাজপথে নেমেছেন। ঠিক সেই মুহূর্তে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সবকিছুই চলছে, দোকানপাট ব্যবসা-বাণিজ্য—সব চলবে। শুধু চলবে না রাজনৈতিক সমাবেশ। রাজনৈতিক সমাবেশ করে কারা, বিএনপি। সুতরাং এটা প্রজ্ঞাপন জারি না। প্রজ্ঞাপন শুধু বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য কি-না—এ প্রশ্নের উত্তর আর কিছুদিন পরে বোঝা যাবে।’
গয়েশ্বর বলেন, ‘এই সরকার করোনা নিয়ে অনেক ছলনা করেছে। যখন করোনা বাড়ে, তখন কম দেখায়। যখন কমে, তখন বাড়িয়ে দেখায়। মানুষও বিশ্বাস করে সরকার করোনা নিয়ে রাজনীতি করছে। শুধু তাই নয়। এই করোনা নিয়েও সরকার দুর্নীতি করেছে। রোগীদের সঙ্গে ছলনা করেছে।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪০ মিনিট আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৫ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৭ ঘণ্টা আগে