নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচনে জনগণ প্রত্যাখ্যান করলে স্যালুট দিয়ে চলে যাব বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর গাবতলীতে ফুলের পাইকারি বাজার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন সারা পৃথিবীতে প্রশংসিত, নন্দিত। জনগণ শেখ হাসিনাকে আরেকবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করবে। তবে জনগণ যদি আমাদের প্রত্যাখ্যান করে, আমরা স্যালুট দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাব। এর ব্যত্যয় হবে না।’
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলন করে, সন্ত্রাস করে, অবরোধ করে সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। এই সরকারের ভিত্তি জনগণ। আওয়ামী লীগের শিকড় অনেক গভীরে, তৃণমূলে। মাটির অনেক গভীরে। ইচ্ছা করলেই সন্ত্রাস করে, ভয় দেখিয়ে, গাড়ি পুড়িয়ে, মানুষকে হত্যা করে আওয়ামী লীগের পতন ঘটানো যাবে না। দেশে কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের যে দিগন্ত উন্মোচন হয়েছে—এর ধারাবাহিকতা থাকা উচিত। এর জন্য দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।’
ফুল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘পাইকারি এই ফুলের মার্কেট অনেক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। আগে ফুলের এমন চাষাবাদ ছিল না। ফুলের এত ব্যবহার ছিল না। এখন ফুলের ব্যবহার অনেক বেড়েছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমরা কৃষিকে আধুনিকায়ন করতে চাই। প্রথাগত কৃষিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করতে চাই। দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে কৃষির অবদান কমতে থাকলেও গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। কৃষিকে যদি আমরা বাণিজ্যিকীকরণ করতে পারি, এটা সার্বিক অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে।’
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মাসুদ করিম, ফুল ব্যবসায়ী নেতা বাবুল প্রসাদ প্রমুখ।

নির্বাচনে জনগণ প্রত্যাখ্যান করলে স্যালুট দিয়ে চলে যাব বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক। আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর গাবতলীতে ফুলের পাইকারি বাজার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন সারা পৃথিবীতে প্রশংসিত, নন্দিত। জনগণ শেখ হাসিনাকে আরেকবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করবে। তবে জনগণ যদি আমাদের প্রত্যাখ্যান করে, আমরা স্যালুট দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাব। এর ব্যত্যয় হবে না।’
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলন করে, সন্ত্রাস করে, অবরোধ করে সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। এই সরকারের ভিত্তি জনগণ। আওয়ামী লীগের শিকড় অনেক গভীরে, তৃণমূলে। মাটির অনেক গভীরে। ইচ্ছা করলেই সন্ত্রাস করে, ভয় দেখিয়ে, গাড়ি পুড়িয়ে, মানুষকে হত্যা করে আওয়ামী লীগের পতন ঘটানো যাবে না। দেশে কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের যে দিগন্ত উন্মোচন হয়েছে—এর ধারাবাহিকতা থাকা উচিত। এর জন্য দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।’
ফুল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘পাইকারি এই ফুলের মার্কেট অনেক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। আগে ফুলের এমন চাষাবাদ ছিল না। ফুলের এত ব্যবহার ছিল না। এখন ফুলের ব্যবহার অনেক বেড়েছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমরা কৃষিকে আধুনিকায়ন করতে চাই। প্রথাগত কৃষিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করতে চাই। দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে কৃষির অবদান কমতে থাকলেও গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। কৃষিকে যদি আমরা বাণিজ্যিকীকরণ করতে পারি, এটা সার্বিক অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে।’
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মাসুদ করিম, ফুল ব্যবসায়ী নেতা বাবুল প্রসাদ প্রমুখ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
৩৮ মিনিট আগে
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশা আল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৫ ঘণ্টা আগে