
সার নিয়ে কৃষকের বিক্ষোভ, বাড়তি দাম ও অবৈধ মজুদের বিভিন্ন প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই কথাগুলো কি আমরা শুধুমাত্র ফেসবুক থেকে দেখছি, গুজব? এগুলো যদি গুজব হয়, তাহলে তো এ পত্রিকার ব্যাপারে আপনাদের কথা বলা উচিত।’

‘মৃত ব্যক্তি যাঁরা সারের ডিলার ছিলেন, তাঁদের নামে এখনো ডিলারশিপ আছে। এক ইউনিয়নের না, অন্য জেলার মানুষ সারের ডিলার ছিল, সেটা এখনো আছে। আর ন্যায্যমূল্যের কথা যে বলেছেন, উনি ওনার আসনের বলেছেন, আমিও আমার কলমাকান্দা দুর্গাপুরে খবর নিয়েছি একই অবস্থা। মাননীয় মন্ত্রী...

‘শহীদ জিয়াউর রহমান একমাত্র রাষ্ট্রপতি, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। দেশের কল্যাণে তিনি জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ভাঙা সুটকেস এবং ব্যাংক হিসাবে সাড়ে ৩০০ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।’

‘দেশে সারের কোনো সংকট নেই’—এ কথা বলেছেন খোদ কৃষিমন্ত্রী। অথচ মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র উদ্বেগজনক। ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, যশোর কিংবা মেহেরপুরের মতো দেশের প্রধান কৃষি অঞ্চলগুলোতে আমন মৌসুমে সারের জন্য কৃষকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কারণ তাঁরা চাহিদা অনুযায়ী সার পাচ্ছেন না।