নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘আমি আর ডামির পাতানো ভোটে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে নামানো হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারাও নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। কিন্তু এসব করেও তাঁরা ভোটারের সাড়া পাচ্ছেন না। জনগণ “আমি আর ডামি ভোট” প্রত্যাখ্যান করবে।’
আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের আতুরার ডিপো বাজার এলাকায় আগামী ৭ জানুয়ারির ভোট বর্জনের লিফলেট বিতরণকালে ডা. শাহাদাত এসব কথা বলেন।
এ সময় ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, এই নির্বাচনে ভোটারদের ন্যূনতম আগ্রহ নেই। নৌকার প্রচার মাইকের আওয়াজ শুনলেই লোকজন সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। ভোটের উৎসবের বদলে চারদিকে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার-সমর্থক ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচনের আয়োজন করেছে সরকার। জনগণের প্রার্থী বাছাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। যাকেই ভোট দেওয়া হোক না কেন, তিনিই হবেন সরকারি দলের সমর্থক ব্যক্তি। যেখানে জনগণের জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের সুযোগ নেই, এমন একটি নির্বাচনী খেলা জনগণ চায় না। আর চায় না বলেই জনগণ এ নির্বাচন বর্জন করেছে। আমরা সে কারণেই জনগণের প্রতি নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছি। প্রহসনের নির্বাচন করে জনগণের প্রতিরোধে টিকে থাকতে পারবে না সরকার।’
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক বিশ্বকে তথাকথিত ভোটের উৎসব দেখানোর জন্য ভোটারদের নির্যাতন করছে। সাধারণ মানুষকে জোর করে মিছিলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। এলাকাছাড়া করার ভয় দেখানো হচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক জি এম আইয়ুব খান, বায়েজিদ থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল হারুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের জসিম প্রমুখ।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘আমি আর ডামির পাতানো ভোটে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে নামানো হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারাও নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। কিন্তু এসব করেও তাঁরা ভোটারের সাড়া পাচ্ছেন না। জনগণ “আমি আর ডামি ভোট” প্রত্যাখ্যান করবে।’
আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের আতুরার ডিপো বাজার এলাকায় আগামী ৭ জানুয়ারির ভোট বর্জনের লিফলেট বিতরণকালে ডা. শাহাদাত এসব কথা বলেন।
এ সময় ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, এই নির্বাচনে ভোটারদের ন্যূনতম আগ্রহ নেই। নৌকার প্রচার মাইকের আওয়াজ শুনলেই লোকজন সেখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। ভোটের উৎসবের বদলে চারদিকে আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সরকার-সমর্থক ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচনের আয়োজন করেছে সরকার। জনগণের প্রার্থী বাছাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। যাকেই ভোট দেওয়া হোক না কেন, তিনিই হবেন সরকারি দলের সমর্থক ব্যক্তি। যেখানে জনগণের জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের সুযোগ নেই, এমন একটি নির্বাচনী খেলা জনগণ চায় না। আর চায় না বলেই জনগণ এ নির্বাচন বর্জন করেছে। আমরা সে কারণেই জনগণের প্রতি নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছি। প্রহসনের নির্বাচন করে জনগণের প্রতিরোধে টিকে থাকতে পারবে না সরকার।’
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক বিশ্বকে তথাকথিত ভোটের উৎসব দেখানোর জন্য ভোটারদের নির্যাতন করছে। সাধারণ মানুষকে জোর করে মিছিলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। এলাকাছাড়া করার ভয় দেখানো হচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক জি এম আইয়ুব খান, বায়েজিদ থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল হারুন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের জসিম প্রমুখ।

গত বুধবার রাতে তারেক রহমান যখন তাঁর কার্যালয় থেকে গাড়িতে করে বাসায় ফিরছিলেন। রাত পৌনে ১২টার দিকে গুলশান ৬৫ নম্বর সড়কে আসলে ওই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে তারেক রহমানের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের মধ্যে তোলপাড় চলছে বলে জানা গেছে।
১৫ মিনিট আগে
নির্বাচন কমিশন আপিলের রায়ে বিএনপি প্রার্থীদের ‘অন্যায্য ও নিয়মবহির্ভূত সুবিধা’ দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আজ রোববার রাতে
৩২ মিনিট আগে
বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই আসনে তাঁকে সমর্থন জানিয়ে দলীয় প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
৪১ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘কারও নিরাপত্তা বা প্রটোকলে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু একটি প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের প্রতিও একই ধরনের আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এটি পক্ষপাতমূলক আচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।’
১ ঘণ্টা আগে