নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসনে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের অপসারণ করা না হলে তাদের তালিকা প্রকাশ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের দোসরেরা দাপটের সঙ্গে এখনো রয়েছেন। আগের মতোই দুর্নীতি করে যাচ্ছেন তাঁরা।
নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টিতে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।
আজ শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামের এক সংগঠনের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘এ সরকারের প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসরেরা দাপটের সঙ্গে রয়ে গেছে। কারা ফ্যাসিবাদের দোসর, কারা এখনো ঘাপটি মেরে দুর্নীতি করছেন, মানুষের অধিকার বঞ্চিত করছেন এবং যেখানে খুশি সেখানে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছেন, আমরা তা জানি। সুতরাং, সাবধান হয়ে যান। আমাদের যাতে সেই তালিকা দিতে না হয়।’
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি পালনের সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা না হলে বিএনপি সত্যি সত্যি তাদের তালিকা প্রকাশ করবে। ফ্যাসিবাদের দোসরেরা প্রশাসনের কোথায়, কোন পর্যায়ে রয়েছেন, সেই শ্বেতপত্র প্রকাশ করব আমরা।’
অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড জনগণকে হতাশা করছে বলেও এ সময় মন্তব্য করেন আলাল।
তিনি বলেন, ‘জিনিসপত্রের দাম কমেনি। গ্যাসসংকট বেড়েছে। লোডশেডিং বেড়েছে। পানি সরবরাহ আগের মতো নিরবচ্ছিন্ন নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও ঠিকমতো হচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকার পদে পদে দেশের মানুষকে হতাশ করছে। ১০ মাস প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এখন পর্যন্ত জনগণকে তেমন কিছু করে দেখাতে পারেনি তারা।’
নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা জনগণের পাশে আছি বলেই নির্বাচনের কথা বলি। নির্বাচনের কথা বললেই উপদেষ্টা পরিষদ গোসসা করে। গোসসা করা তো ঠিক নয়। একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে মানুষ যখন-তখন যেতে পারে। যখন-তখন কৈফিয়ত চাইতে পারে।
‘কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদের কাছে যাওয়ার সেই সুযোগ নেই। যেটুকু আছে, সেখানেও দেয়াল তৈরি করে রেখেছে স্বৈরাচারের দোসরেরা।’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসনে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের অপসারণ করা না হলে তাদের তালিকা প্রকাশ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের দোসরেরা দাপটের সঙ্গে এখনো রয়েছেন। আগের মতোই দুর্নীতি করে যাচ্ছেন তাঁরা।
নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টিতে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।
আজ শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অপরাজেয় বাংলাদেশ নামের এক সংগঠনের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘এ সরকারের প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসরেরা দাপটের সঙ্গে রয়ে গেছে। কারা ফ্যাসিবাদের দোসর, কারা এখনো ঘাপটি মেরে দুর্নীতি করছেন, মানুষের অধিকার বঞ্চিত করছেন এবং যেখানে খুশি সেখানে ফ্যাসিবাদের দোসরদের পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছেন, আমরা তা জানি। সুতরাং, সাবধান হয়ে যান। আমাদের যাতে সেই তালিকা দিতে না হয়।’
‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি পালনের সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা না হলে বিএনপি সত্যি সত্যি তাদের তালিকা প্রকাশ করবে। ফ্যাসিবাদের দোসরেরা প্রশাসনের কোথায়, কোন পর্যায়ে রয়েছেন, সেই শ্বেতপত্র প্রকাশ করব আমরা।’
অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড জনগণকে হতাশা করছে বলেও এ সময় মন্তব্য করেন আলাল।
তিনি বলেন, ‘জিনিসপত্রের দাম কমেনি। গ্যাসসংকট বেড়েছে। লোডশেডিং বেড়েছে। পানি সরবরাহ আগের মতো নিরবচ্ছিন্ন নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও ঠিকমতো হচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকার পদে পদে দেশের মানুষকে হতাশ করছে। ১০ মাস প্রায় শেষ হওয়ার পথে। এখন পর্যন্ত জনগণকে তেমন কিছু করে দেখাতে পারেনি তারা।’
নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা জনগণের পাশে আছি বলেই নির্বাচনের কথা বলি। নির্বাচনের কথা বললেই উপদেষ্টা পরিষদ গোসসা করে। গোসসা করা তো ঠিক নয়। একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে মানুষ যখন-তখন যেতে পারে। যখন-তখন কৈফিয়ত চাইতে পারে।
‘কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদের কাছে যাওয়ার সেই সুযোগ নেই। যেটুকু আছে, সেখানেও দেয়াল তৈরি করে রেখেছে স্বৈরাচারের দোসরেরা।’

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১১ ঘণ্টা আগে