নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরবর্তীতে কারা সরকার গঠন করবে প্রজাতন্ত্রের মালিক হিসেবে দেশের মানুষ, বিশেষ করে ভোটাররাই তা নির্ধারণ করবে।
আজ রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর থাইল্যান্ড সফর শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘অতি বামরা আমাকে উৎখাত করতে চায়। সে জন্য আন্দোলন করছে, কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমার পরে কে?’ এ বিষয়ে এক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে সাইফুল হক বলেন, ‘গণতান্ত্রিক সমাজে একটা অবাধ, নিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরকার বা তাদের দল যদি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেন তা নিয়ে তখন কারও আপত্তি থাকবে না।। কারা বিজয়ী হবে এটা জনগণ ঠিক করবে। তারা তাদের নেতা, সরকার তারা নির্বাচন করবেন। একটা গণতান্ত্রিক সমাজে এর বাইরে অন্য কোনো পথ নেই।’
এ সময় তিনি জানান, কেউ যদি মনে করেন তারা ছাড়া আর কেউই ক্ষমতায় আসতে পারবে না বা দেশ চালাতে পারবে না তবে তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের চ্যালেঞ্জ নিতে সরকার ও আওয়ামী লীগের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর দেশকে সম্ভাব্য বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে এখন প্রধানমন্ত্রীর সরকার ও তার দল আওয়ামী লীগকে একটা অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে তাদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ দেওয়া দরকার।
পৃথিবীর সকল স্বৈরশাসকের মনে করে তাদের বিকল্প আর কেউ নেই এমন মন্তব্য করে সাইফুল হক বলেন, ‘আইয়ুব খান, এরশাদরা একসময় এমন মনে করেছে। বাস্তবে গণসংগ্রামের মধ্য দিয়ে মানুষ তার নেতা নির্বাচন করে। আমরা আশা করি, আওয়ামী লীগ একটা রাজনৈতিক দল হিসেবে এইটুকু রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তারা গ্রহণ করবে।’
বর্তমান সরকারের অপরাধ প্রসঙ্গে তিনটি বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথমত; সরকার পরিবর্তনের নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক পথ সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। দ্বিতীয়ত; দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ গোটা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে বাস্তবে তারা বিদায় করে দিয়েছেন। তৃতীয়ত; দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ দুর্বল ও ভঙ্গুর করে দিয়ে দেশের অবশিষ্ট বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক কাঠামোকে তারা নষ্ট করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারির কথিত ডামি নির্বাচন সরকারকে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার রাজনৈতিক ও নৈতিক বৈধতা দেয়নি। সে কারণে এই সরকার যত প্রলম্বিত হবে দেশের বহুমাত্রিক সংকট তত বৃদ্ধি পাবে। কালক্ষেপণ না করে বিদ্যমান গভীর রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে সরকার ও সরকারি দল অচিরেই কার্যকরী বিশ্বাসযোগ্য রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান প্রমুখ।

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরবর্তীতে কারা সরকার গঠন করবে প্রজাতন্ত্রের মালিক হিসেবে দেশের মানুষ, বিশেষ করে ভোটাররাই তা নির্ধারণ করবে।
আজ রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর থাইল্যান্ড সফর শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘অতি বামরা আমাকে উৎখাত করতে চায়। সে জন্য আন্দোলন করছে, কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমার পরে কে?’ এ বিষয়ে এক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে সাইফুল হক বলেন, ‘গণতান্ত্রিক সমাজে একটা অবাধ, নিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরকার বা তাদের দল যদি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেন তা নিয়ে তখন কারও আপত্তি থাকবে না।। কারা বিজয়ী হবে এটা জনগণ ঠিক করবে। তারা তাদের নেতা, সরকার তারা নির্বাচন করবেন। একটা গণতান্ত্রিক সমাজে এর বাইরে অন্য কোনো পথ নেই।’
এ সময় তিনি জানান, কেউ যদি মনে করেন তারা ছাড়া আর কেউই ক্ষমতায় আসতে পারবে না বা দেশ চালাতে পারবে না তবে তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের চ্যালেঞ্জ নিতে সরকার ও আওয়ামী লীগের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর দেশকে সম্ভাব্য বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে এখন প্রধানমন্ত্রীর সরকার ও তার দল আওয়ামী লীগকে একটা অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে তাদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ দেওয়া দরকার।
পৃথিবীর সকল স্বৈরশাসকের মনে করে তাদের বিকল্প আর কেউ নেই এমন মন্তব্য করে সাইফুল হক বলেন, ‘আইয়ুব খান, এরশাদরা একসময় এমন মনে করেছে। বাস্তবে গণসংগ্রামের মধ্য দিয়ে মানুষ তার নেতা নির্বাচন করে। আমরা আশা করি, আওয়ামী লীগ একটা রাজনৈতিক দল হিসেবে এইটুকু রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তারা গ্রহণ করবে।’
বর্তমান সরকারের অপরাধ প্রসঙ্গে তিনটি বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথমত; সরকার পরিবর্তনের নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক পথ সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। দ্বিতীয়ত; দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ গোটা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে বাস্তবে তারা বিদায় করে দিয়েছেন। তৃতীয়ত; দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ দুর্বল ও ভঙ্গুর করে দিয়ে দেশের অবশিষ্ট বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক কাঠামোকে তারা নষ্ট করে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারির কথিত ডামি নির্বাচন সরকারকে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার রাজনৈতিক ও নৈতিক বৈধতা দেয়নি। সে কারণে এই সরকার যত প্রলম্বিত হবে দেশের বহুমাত্রিক সংকট তত বৃদ্ধি পাবে। কালক্ষেপণ না করে বিদ্যমান গভীর রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে সরকার ও সরকারি দল অচিরেই কার্যকরী বিশ্বাসযোগ্য রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান প্রমুখ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরও এক নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি হলেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন। তবে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেও রাজনীতি ছাড়ছেন না মুরসালীন।
১০ মিনিট আগে
সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার তিনটি আসনে তাঁর বিকল্প হিসেবে যাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁরাই দলের প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের....
১৮ মিনিট আগে
২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছাবাণী পাঠানো হয়েছিল। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায়...
২ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন,‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে যে ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, মানুষের মধ্যে যে আবেগ কাজ করছে, সেই আবেগ নিঃসন্দেহে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করবে।’
২ ঘণ্টা আগে