
সরকারি দল বিএনপির নেতা-কর্মীর দ্বারা দেশব্যাপী ইউএনওসহ (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) মাঠ প্রশাসনের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হেনস্তা এবং দায়িত্ব পালনে বাধাদানের প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতা-কর্মীদের দ্বারা একাধিক ইউএনওকে হেনস্তার ঘটনা গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং একটি সুষ্ঠু প্রশাসনিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত।
আজ শুক্রবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, রাষ্ট্র পরিচালনায় নির্বাচিত সরকারের রাজনৈতিক ম্যান্ডেট এবং প্রশাসনের পেশাগত নিরপেক্ষতা—দুটিই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে গৃহীত নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশাসন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে; কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রত্যক্ষ চাপ, ভয়ভীতি বা হস্তক্ষেপ প্রশাসনের ওপর আরোপ করা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
দলটি বলেছে, ফ্যামিলি কার্ডসহ যেকোনো সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশাসনের দায়িত্ব আইন, বিধি ও নির্ধারিত নীতিমালার আলোকে কাজ করা। কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ইচ্ছা বা চাপ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের নিয়ামক হয়ে উঠলে তা কেবল প্রশাসনের নিরপেক্ষতাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পেশাগত সক্ষমতা ও জন-আস্থাকেও দুর্বল করে।
এনসিপি মনে করে, কোনো ইউএনও বা রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনের কারণে হেনস্তা, অপমান বা রাজনৈতিকভাবে চাপ প্রয়োগের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি। দলটি জানিয়েছে, তারা এমন কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থার পক্ষেও নয়, যেখানে আমলাতন্ত্র জবাবদিহির বাইরে থেকে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বা সরকারের বৈধ নীতিগত সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রশাসনিক পেশাদারির মধ্যে সুস্পষ্ট ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন। রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, পেশাগত দক্ষতা ও আইনের শাসন; রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নয়, নীতিগত দিকনির্দেশনা; হেনস্তা নয়, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি, এই নীতির ভিত্তিতেই প্রশাসনকে পরিচালিত হতে হবে। দলীয় প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে পেশাদারির সঙ্গে সব ইউএনওরা যেন দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয় সরকারের তেমন অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

তাঁদের কমিটির সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি প্রণয়ন ও রাজপথে কার্যকর ভূমিকা রাখা। ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শত শত ‘মব’ মোকাবিলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ধারাবাহিক বুলিং উপেক্ষা করে সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়া...
২২ মিনিট আগে
রমনা পার্কের বিপরীতে হেয়ার রোডের ৩৫ নম্বর বাড়ি। সাদা রঙের দোতলা বাড়িটিতে থাকেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পর থেকে বাড়িটিতে বেড়েছে স্বজন, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আনাগোনা।
২ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি-সংকট, আর্থসামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের অনুরোধ জানিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান...
২ ঘণ্টা আগে
দেশের পরিবর্তনের জন্য, সংস্কারের জন্য আমরা গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলাম। আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। আমরা আপনাদেরকে বলেছিলাম যে গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট দিন। “হ্যাঁ” ভোট দিলে দেশের সংস্কার হবে, পুলিশের সংস্কার হবে, বিচার ব্যবস্থার সংস্কার হবে, স্থানীয় সরকারের সংস্কার হবে, মিডিয়ার সংস্কার হবে।
৩ ঘণ্টা আগে