নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪০ নেতার বিবৃতি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘যে মানুষ আমাদের নিয়ে ভাবেন না, সারা দুনিয়া নিয়ে ভাবেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভাবেন না, তাকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ ও আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের মানুষের সুখে-দুঃখে ড. ইউনূস নেই দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের করোনা মহামারিতে তিনি নেই, ১৫ আগস্টের প্রতিক্রিয়া তার কাছে নেই, ৩ নভেম্বর জেল হত্যা কাণ্ডে তিনি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন না, তিনি নিশ্চুপ থাকেন ২১ আগস্টের বর্বর গ্রেনেড হামলায়, বাংলাদেশের এত বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, এত প্রাণহানি আপনি দুনিয়া নিয়ে ভাবেন বাংলাদেশ নিয়ে তো ভাবেন না। বাংলাদেশ নিয়ে যিনি ভাবেন না তাকে নিয়ে আমরা ভাববো কেন?’
মুহাম্মদ ইউনূস দেশের একজন সম্মানিত নাগরিক মন্তব্যে করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কিন্তু তিনি তাঁর কর্মকাণ্ডে নিজেকে অসম্মানিত করেছেন। আমাদের দেশের জনগণের কোনো সুখ-দুঃখে এই মানুষটিকে কখনো আমরা পাইনি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ‘ডেড ইস্যু’ মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা এই ইস্যুকে আবারও জীবন্ত করতে চায় তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত। পৃথিবীর কোথাও যে সরকার ব্যবস্থা নেই, আমরা কেন তা করব।’
বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন প্রয়োজন ছিল তখন আমরাও দাবি তুলেছিলাম। এখন সারা বিশ্বে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নেই। আমাদের দেশের আদালত এই ব্যবস্থা চিরদিনের জন্য নাকচ করে দিয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালতের আইনে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে, সেই তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে আজকে বিএনপি মাতামাতি করছে। কাজেই লজ্জাটা তাদেরই পাওয়া উচিত। পৃথিবীর কোনো দেশ এই তত্ত্বাবধায়ক ধারণ করে না, বাংলাদেশে কেন করতে হবে। নিশ্চয়ই তারা লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে তারা আজকে এটা বলছে। আওয়ামী লীগের এখানে কোনো লজ্জা নেই।’
একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া পৃথিবীর কোথাও এই ব্যবস্থা নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যা পৃথিবীর কোথাও নেই আমরা কেন সেটা করব? এখানে আমাদের লজ্জা কিসের? যারা আজকে নিজেরা আলাদাভাবে যে ব্যবস্থা নিষিদ্ধ আইনের দৃষ্টিতে, সেটা আবারও বাঁচাতে চায়...ইটস এ ডেড ইস্যু...এটাকে আবার জীবন্ত করতে চায় তাদেরই লজ্জা পাওয়া উচিত।’
১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আঞ্জুমানে মফিদুল এতিমখানায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ বিষয়ক উপ-কমিটি। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪০ নেতার বিবৃতি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘যে মানুষ আমাদের নিয়ে ভাবেন না, সারা দুনিয়া নিয়ে ভাবেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভাবেন না, তাকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই।’
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় এতিম শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ ও আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের মানুষের সুখে-দুঃখে ড. ইউনূস নেই দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের করোনা মহামারিতে তিনি নেই, ১৫ আগস্টের প্রতিক্রিয়া তার কাছে নেই, ৩ নভেম্বর জেল হত্যা কাণ্ডে তিনি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন না, তিনি নিশ্চুপ থাকেন ২১ আগস্টের বর্বর গ্রেনেড হামলায়, বাংলাদেশের এত বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, এত প্রাণহানি আপনি দুনিয়া নিয়ে ভাবেন বাংলাদেশ নিয়ে তো ভাবেন না। বাংলাদেশ নিয়ে যিনি ভাবেন না তাকে নিয়ে আমরা ভাববো কেন?’
মুহাম্মদ ইউনূস দেশের একজন সম্মানিত নাগরিক মন্তব্যে করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কিন্তু তিনি তাঁর কর্মকাণ্ডে নিজেকে অসম্মানিত করেছেন। আমাদের দেশের জনগণের কোনো সুখ-দুঃখে এই মানুষটিকে কখনো আমরা পাইনি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ‘ডেড ইস্যু’ মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা এই ইস্যুকে আবারও জীবন্ত করতে চায় তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত। পৃথিবীর কোথাও যে সরকার ব্যবস্থা নেই, আমরা কেন তা করব।’
বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন প্রয়োজন ছিল তখন আমরাও দাবি তুলেছিলাম। এখন সারা বিশ্বে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নেই। আমাদের দেশের আদালত এই ব্যবস্থা চিরদিনের জন্য নাকচ করে দিয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালতের আইনে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে, সেই তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে আজকে বিএনপি মাতামাতি করছে। কাজেই লজ্জাটা তাদেরই পাওয়া উচিত। পৃথিবীর কোনো দেশ এই তত্ত্বাবধায়ক ধারণ করে না, বাংলাদেশে কেন করতে হবে। নিশ্চয়ই তারা লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে তারা আজকে এটা বলছে। আওয়ামী লীগের এখানে কোনো লজ্জা নেই।’
একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া পৃথিবীর কোথাও এই ব্যবস্থা নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যা পৃথিবীর কোথাও নেই আমরা কেন সেটা করব? এখানে আমাদের লজ্জা কিসের? যারা আজকে নিজেরা আলাদাভাবে যে ব্যবস্থা নিষিদ্ধ আইনের দৃষ্টিতে, সেটা আবারও বাঁচাতে চায়...ইটস এ ডেড ইস্যু...এটাকে আবার জীবন্ত করতে চায় তাদেরই লজ্জা পাওয়া উচিত।’
১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আঞ্জুমানে মফিদুল এতিমখানায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ বিষয়ক উপ-কমিটি। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
৩৭ মিনিট আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
৪১ মিনিট আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে