নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ঢাকায় সমাবেশ করতে অনুমতির জন্য ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে চিঠি দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। আজ রোববার বিকেলে দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গণমাধ্যমের কাছে আসে।
চিঠিতে জানানো হয়, মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ১০ ডিসেম্বর (রোববার) বেলা ৩টায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটসংলগ্ন রাস্তায় সমাবেশ আয়োজন করবে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
৭ জানুয়ারি ভোটের দিন ধার্য করে তফসিল ঘোষণার পর ঢাকায় এটিই হবে আওয়ামী লীগের প্রথম সমাবেশ। ভোট বর্জন করে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো এক দফা আন্দোলনের অংশ হিসেবে হরতাল ও অবরোধ করছে। আর আওয়ামী লীগ ও তার শরিকসহ জাতীয় পার্টি ও অন্য দলগুলো নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
এদিকে আজ দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সমাবেশ করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুমতি লাগবে।
এ সময় অশোক কুমার বলেন, ‘অনুমতির জন্য আমরা এখনো চিঠি পাইনি।’
অনুমতি না নিয়ে যদি তারা করতে চায়, জানতে চাইলে অশোক কুমার বলেন, ‘সে ক্ষেত্রে যদি কোড অব কনডাক্ট ভায়োলেশন হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।’
অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, জানতে চাইলে অশোক কুমার বলেন, ‘যদি কোথাও জনসমাবেশ করে, তাহলে অনুমতি নিতে হবে।’

১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ঢাকায় সমাবেশ করতে অনুমতির জন্য ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে চিঠি দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। আজ রোববার বিকেলে দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গণমাধ্যমের কাছে আসে।
চিঠিতে জানানো হয়, মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ১০ ডিসেম্বর (রোববার) বেলা ৩টায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটসংলগ্ন রাস্তায় সমাবেশ আয়োজন করবে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
৭ জানুয়ারি ভোটের দিন ধার্য করে তফসিল ঘোষণার পর ঢাকায় এটিই হবে আওয়ামী লীগের প্রথম সমাবেশ। ভোট বর্জন করে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো এক দফা আন্দোলনের অংশ হিসেবে হরতাল ও অবরোধ করছে। আর আওয়ামী লীগ ও তার শরিকসহ জাতীয় পার্টি ও অন্য দলগুলো নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
এদিকে আজ দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সমাবেশ করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুমতি লাগবে।
এ সময় অশোক কুমার বলেন, ‘অনুমতির জন্য আমরা এখনো চিঠি পাইনি।’
অনুমতি না নিয়ে যদি তারা করতে চায়, জানতে চাইলে অশোক কুমার বলেন, ‘সে ক্ষেত্রে যদি কোড অব কনডাক্ট ভায়োলেশন হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।’
অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, জানতে চাইলে অশোক কুমার বলেন, ‘যদি কোথাও জনসমাবেশ করে, তাহলে অনুমতি নিতে হবে।’

মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
২ ঘণ্টা আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশা আল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
৪ ঘণ্টা আগে